ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২২ লক্ষ টাকা বডি কন্টাকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক নির্যাতন করে মোট ৬২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরও লিবিয়া থেকে ইতালির পথে নিখোঁজ সোহেল ৩০ , সে কারণে ভুক্তভোগী সোহেলের পরিবারের পক্ষ থেকে সোহেলের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছে , সোহেল রানার পিতা বালা মিয়া মাতুবব, মা রেখা বেগম, সোহেলের স্ত্রী রুপালি আক্তার।
(৮ জুলাই) বুধবার বিকাল ৫-৩০ মিনিটের সময় মাদারীপুর এর রাজৈর বদর পাশা গ্রামে সোহেল এর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পিতা-মাতা স্ত্রী সন্তানের এলাকাবাসীর কান্নায় এলাকার আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় মানব পাচারকারী দালাল চক্র আলমগীর মোল্লার,ও হান্নান মোল্লার মাধ্যমে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার জন্য সোহেলের পরিবারের সাথে ২২ লাখ টাকায় চুক্তি বদ্ধ হলেও পরে নানা অজুহাতে ভয় ভীতি দেখে শারীরিক নির্যাতন করে পর্যায় ক্রমে ধাপে ধাপে মোট ৬২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় দালাল চক্র । পরিবারের দাবি, এই মানবপাচার চক্রের মূল হোতা আলমগীর মোল্লা, ও হান্নান মোল্লার ভাই
চান্দু মোল্লা। দালাল চক্রের বাড়ি শংকরদী গ্রামের মোল্লা বাড়ি বলে জানা যায় ।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানান ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সোহেল রানা বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় যায় ।
পরিবার জানায়, ২০২৬ সালের ৬ জুন সোহেল রানার সঙ্গে তাদের সর্বশেষ কথা হয়।
পরে ৭ জুন ২০২৬ লিবিয়া থেকে সাগরপথে ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ।
নিখোঁজ সোহেল রানার স্ত্রী রুপালী আক্তার বলেন, “আমাদের দেড় বছর বয়সী ছেলে আব্দুল আহাদ ও সাড়ে ছয় বছরের মেয়ে রাইসা আক্তার প্রতিদিন বাবার জন্য অপেক্ষা করে।
মা রেখা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, “বিভিন্ন মাধ্যমে শুনছি, আমার ছেলে আর বেঁচে নেই।
একজন মায়ের জন্য এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে?”
বাবা বালা মিয়া মাতুব্বর বলেন, যারা আমাদের সর্বস্ব নিয়ে গেছে, আমার ছেলের কথা জানতে চাইলে হুমকি ধামকি দেয়। বক্তব্য কি পরিবার সাংবাদিকদের মাধ্যমে দালাল চক্রের কঠিন বিচার দাবি করে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলমগীর মোল্লা, হান্নান মোল্লা ও কথিত মূল হোতা চান্দু মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ব্যুরো চীফ মাদারীপুর 





















