ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আনন্দমুখর পরিবেশে চলছে ইবির ‘কুহেলিকা উৎসব’

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে তৃতীয়বারের মতো ‘কুহেলিকা উৎসব’ এর আয়োজন করেছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন অভয়ারণ্য। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের সঞ্চার লক্ষ্য করা যায়।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন সংলগ্ন বটতলায় তিন দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়। দিশারী বুক হাউজ, আপ্যায়ন, পাটের ঝুড়ি চায়ের কুড়ি, গয়নার বাক্স, হৃদয়হরণ আপ্যায়ন, চন্দ্রমাধুরী, পৌষাল, পেটুক পয়েন্ট, শখের ঝুপড়ি, সাজপসরা, শথকথা, রসনার স্টেশন, পেদা টিংটিং, চিকেন চিনি চমক, পাঁচফোড়ন, পুষ্টি প্লাস, পিঠা যাবে পেটুক বাড়ি, স্টাইল ক্যানভাস, চায়ের দুনিয়া, কুটুম বাড়ি ও বুক ভিলেজসহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৪০টি স্টল স্থাপিত হয় উৎসবে। যেখানে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রূপ ফুটে উঠে।

উৎসব প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। এসময় তারা নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পিঠার পসরা সাজিয়েছেন। অনেকেই বাহারি পিঠার স্বাদ নিতে এসেছেন উৎসবস্থলে। কেউ আগ্রহ নিয়ে দেখছেন হরেক রকমের বই, গহনা ও পোশাক। কেউ আবার প্রিয়জনকে চিঠি দিতে ব্যস্ত।নানা ধরনের পিঠার মধ্যে ছিল সুইচ রোল পুলি, সুজির মালাই চাপ, ম্যারা পিঠা, নারকেলপুলি, দুধ চিতই, ভাপা পিঠা, ফুলঝুরি পিঠা, সেমাই পিঠা, গোলাপ পিঠা, ডালের পিঠা, পুডিং, দুধ মালাই রিং, দুধ সন্দেশ, নারকেল চমচম, তেলের পিঠা, নারকেল পাকন ও পাটিসাপটা।

উৎসবে ঘুরতে এসে ইউনিট চাকমা শুভ্র বলেন, কুহেলিকা উৎসব ১৪৩১ উদযাপন করায় অভয়ারণ্যকে ধন্যবাদ জানাই একটা সুন্দর উৎসব আয়োজন করার জন্য। এই উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদোক্তা হতে আগ্রহী হবে বলে আশাবাদী।  আগামী বছরও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক ।

এ বিষয়ে অভয়ারণ্যের সভাপতি নাঈমুল ফারাবী বলেন, ‘কুহেলিকা উৎসবে’র মূল উদ্দেশ্য হলো উদ্যোক্তা তৈরি করা। শিক্ষার্থীদের যেন এখান থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার মানুষিকতা গড়ে উঠে। এছাড়া তিনি আরও বলেন, আমাদের মেলার আরও দুটি অংশ আছে। একটা হচ্ছে চিঠি মঞ্চ। যে কেউ চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে তার প্রিয়জনকে চিঠি দিতে পারে। এক্ষেত্রে আমরা ডাকপিয়নের কাজ করে থাকি। আর উৎসবের দ্বিতীয় দিন ‘রঞ্জন’ কালচারাল প্রোগ্রাম হয়। সেখানে আমাদের নিজ শিক্ষার্থীদের তৈরি গান, নাটক, কবিতা ইত্যাদি পরিচালনা করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮

আনন্দমুখর পরিবেশে চলছে ইবির ‘কুহেলিকা উৎসব’

আপডেট সময় ০৭:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দমুখর পরিবেশে তৃতীয়বারের মতো ‘কুহেলিকা উৎসব’ এর আয়োজন করেছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন অভয়ারণ্য। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের সঞ্চার লক্ষ্য করা যায়।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন সংলগ্ন বটতলায় তিন দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়। দিশারী বুক হাউজ, আপ্যায়ন, পাটের ঝুড়ি চায়ের কুড়ি, গয়নার বাক্স, হৃদয়হরণ আপ্যায়ন, চন্দ্রমাধুরী, পৌষাল, পেটুক পয়েন্ট, শখের ঝুপড়ি, সাজপসরা, শথকথা, রসনার স্টেশন, পেদা টিংটিং, চিকেন চিনি চমক, পাঁচফোড়ন, পুষ্টি প্লাস, পিঠা যাবে পেটুক বাড়ি, স্টাইল ক্যানভাস, চায়ের দুনিয়া, কুটুম বাড়ি ও বুক ভিলেজসহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৪০টি স্টল স্থাপিত হয় উৎসবে। যেখানে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য রূপ ফুটে উঠে।

উৎসব প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। এসময় তারা নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পিঠার পসরা সাজিয়েছেন। অনেকেই বাহারি পিঠার স্বাদ নিতে এসেছেন উৎসবস্থলে। কেউ আগ্রহ নিয়ে দেখছেন হরেক রকমের বই, গহনা ও পোশাক। কেউ আবার প্রিয়জনকে চিঠি দিতে ব্যস্ত।নানা ধরনের পিঠার মধ্যে ছিল সুইচ রোল পুলি, সুজির মালাই চাপ, ম্যারা পিঠা, নারকেলপুলি, দুধ চিতই, ভাপা পিঠা, ফুলঝুরি পিঠা, সেমাই পিঠা, গোলাপ পিঠা, ডালের পিঠা, পুডিং, দুধ মালাই রিং, দুধ সন্দেশ, নারকেল চমচম, তেলের পিঠা, নারকেল পাকন ও পাটিসাপটা।

উৎসবে ঘুরতে এসে ইউনিট চাকমা শুভ্র বলেন, কুহেলিকা উৎসব ১৪৩১ উদযাপন করায় অভয়ারণ্যকে ধন্যবাদ জানাই একটা সুন্দর উৎসব আয়োজন করার জন্য। এই উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদোক্তা হতে আগ্রহী হবে বলে আশাবাদী।  আগামী বছরও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক ।

এ বিষয়ে অভয়ারণ্যের সভাপতি নাঈমুল ফারাবী বলেন, ‘কুহেলিকা উৎসবে’র মূল উদ্দেশ্য হলো উদ্যোক্তা তৈরি করা। শিক্ষার্থীদের যেন এখান থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার মানুষিকতা গড়ে উঠে। এছাড়া তিনি আরও বলেন, আমাদের মেলার আরও দুটি অংশ আছে। একটা হচ্ছে চিঠি মঞ্চ। যে কেউ চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে তার প্রিয়জনকে চিঠি দিতে পারে। এক্ষেত্রে আমরা ডাকপিয়নের কাজ করে থাকি। আর উৎসবের দ্বিতীয় দিন ‘রঞ্জন’ কালচারাল প্রোগ্রাম হয়। সেখানে আমাদের নিজ শিক্ষার্থীদের তৈরি গান, নাটক, কবিতা ইত্যাদি পরিচালনা করা হয়।