ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে তিন সন্তানের জননীর লাশ উদ্ধার

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নং ওয়াড বাবুর কামাত এলাকায় তিন সন্তানের জননী রেনুকা বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারী সকালে নিহত রেনুকার বড় ছেলে সাগর মায়ের ফোন বন্ধ পেয়ে বাড়িতে গিয়ে তালা বন্ধ ঘরে মায়ের লাশ দেখতে পান। পরে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাট মর্গে প্রেরন করেন।

পরিবার সুত্রে জানা যায় রেনুকার স্বামী হাফিজার রহমান ২০০৯ সালে মারা যায়। এর পর রেনুকা বেগম সন্তানদের জীবিকার জন্য চট্রগ্রাম চলেযায়। এর পর ২০২০ সালে পুনরায় পাটগ্রামে ফিরে আসে। ২০২৩ সালে মাঝামাঝি জবেদুল নামে এক যুবককে বিয়ে করেন। জবেদুল পাটগ্রাম পৌর সভার ১ নং ওয়ানডে বাসিন্দা কালা মিয়ার ছেলে।

নিহত রেনুকা পাটগ্রামে ফিরে এসে দেবর মিন্টু মিয়ার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। গত ২ তারিখ রবিবার রেনুকা বর্তমান স্বামীকে নিয়ে সাবেক মৃত স্বামী হাফিজার রহমানের বসতভিটায় বসবাসের জন্য উঠেন। হঠাৎ আজ সকলে তার বড় ছেলে সাগর মায়ের লাশ বাড়িতে গিয়ে দেখতে পেয়ে ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাট মর্গে প্রেরন করেন।

এবিষয়ে পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুজ্জামান সরকার জানান, প্রাথমিক দেখে হত্যা মনে হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ লালমনিরহাট মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসা করার জন্য তার স্বামী জবেদুল কে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে তিন সন্তানের জননীর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:৩০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নং ওয়াড বাবুর কামাত এলাকায় তিন সন্তানের জননী রেনুকা বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারী সকালে নিহত রেনুকার বড় ছেলে সাগর মায়ের ফোন বন্ধ পেয়ে বাড়িতে গিয়ে তালা বন্ধ ঘরে মায়ের লাশ দেখতে পান। পরে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাট মর্গে প্রেরন করেন।

পরিবার সুত্রে জানা যায় রেনুকার স্বামী হাফিজার রহমান ২০০৯ সালে মারা যায়। এর পর রেনুকা বেগম সন্তানদের জীবিকার জন্য চট্রগ্রাম চলেযায়। এর পর ২০২০ সালে পুনরায় পাটগ্রামে ফিরে আসে। ২০২৩ সালে মাঝামাঝি জবেদুল নামে এক যুবককে বিয়ে করেন। জবেদুল পাটগ্রাম পৌর সভার ১ নং ওয়ানডে বাসিন্দা কালা মিয়ার ছেলে।

নিহত রেনুকা পাটগ্রামে ফিরে এসে দেবর মিন্টু মিয়ার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। গত ২ তারিখ রবিবার রেনুকা বর্তমান স্বামীকে নিয়ে সাবেক মৃত স্বামী হাফিজার রহমানের বসতভিটায় বসবাসের জন্য উঠেন। হঠাৎ আজ সকলে তার বড় ছেলে সাগর মায়ের লাশ বাড়িতে গিয়ে দেখতে পেয়ে ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লালমনিরহাট মর্গে প্রেরন করেন।

এবিষয়ে পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুজ্জামান সরকার জানান, প্রাথমিক দেখে হত্যা মনে হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ লালমনিরহাট মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসা করার জন্য তার স্বামী জবেদুল কে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।