অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে

কিশোরগঞ্জ জেলার তারাইল উপজেলার শামুক জানি গ্রামের মৃত বকুল মিয়ার বড় কন্যা সাদিয়া আক্তার ২০২২ সালে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের বীর উত্তম পশ্চিম পাড়া গ্রামের ওসমান গনির বড় ছেলে শফিকুল ইসলামের সাথে বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে দুই বছরের ১টি কন্যা সন্তান রয়েছে ও মৃতা সাদিয়া আক্তার( ৪)চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল।

মৃতা সাদিয়ার বিধবা মা আমাদেরকে জানায় যে, বিয়ের পর থেকে স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারবর্গ যৌতুকের টাকার জন্য মৃতা সাদিয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত, বিষয়টি মৃতা সাদিয়া তার পরিবারকে জানায়,এবং মৃতা সাদিয়ার বিধবা মা খুনি স্বামী সহ পরিবারকে একাধিকবার মেয়ের নির্যাতনের কথা জানানোর পরেও খুনির পরিবার মৃত সাদিয়ার বিধবা মাকে অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়া অপমান অপদস্থ করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়, মৃতা সাদিয়ার বিধবা মায়ের অসহায় পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে খুনি সহ তার পরিবারের অন্যান্য সহযোগী সদস্যরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে খুন করে বসতঘরের পকেট রুমে লোহার অ্যাঙ্গেলের সাথে ফাঁসির অবয়বে জুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজায়, নিহতের পরিবার খুনিসহ খুনির পরিবারবর্গের গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবি জানায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখে

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

কিশোরগঞ্জ জেলার তারাইল উপজেলার শামুক জানি গ্রামের মৃত বকুল মিয়ার বড় কন্যা সাদিয়া আক্তার ২০২২ সালে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের বীর উত্তম পশ্চিম পাড়া গ্রামের ওসমান গনির বড় ছেলে শফিকুল ইসলামের সাথে বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে দুই বছরের ১টি কন্যা সন্তান রয়েছে ও মৃতা সাদিয়া আক্তার( ৪)চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল।

মৃতা সাদিয়ার বিধবা মা আমাদেরকে জানায় যে, বিয়ের পর থেকে স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারবর্গ যৌতুকের টাকার জন্য মৃতা সাদিয়াকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত, বিষয়টি মৃতা সাদিয়া তার পরিবারকে জানায়,এবং মৃতা সাদিয়ার বিধবা মা খুনি স্বামী সহ পরিবারকে একাধিকবার মেয়ের নির্যাতনের কথা জানানোর পরেও খুনির পরিবার মৃত সাদিয়ার বিধবা মাকে অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়া অপমান অপদস্থ করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়, মৃতা সাদিয়ার বিধবা মায়ের অসহায় পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে খুনি সহ তার পরিবারের অন্যান্য সহযোগী সদস্যরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে খুন করে বসতঘরের পকেট রুমে লোহার অ্যাঙ্গেলের সাথে ফাঁসির অবয়বে জুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজায়, নিহতের পরিবার খুনিসহ খুনির পরিবারবর্গের গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবি জানায়।