ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী ব্যর্থ জ্বালানি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম রোজার চার মাস আগেই কারসাজি, ছয় পণ্যের দামে সিন্ডিকেটের অভিযোগ লালপুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘প্রেমিকের সঙ্গে কক্সবাজারের হোটেলে উঠতে পারবে না অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা’ ভাড়া বাসায় মাদক সেবনরত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দুইজন আটক নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্লোব শপিং সেন্টারে হামলা-লুটের অভিযোগ, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, নেপথ্যে শামীম আহমেদের স্বজনপ্রীতি হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

বগুড়া থেকে নিখোঁজ একই পরিবারের সাতজনকে রাঙামাটি থেকে উদ্ধার

বগুড়া শহরের নারুলী এলাকার ভাড়াবাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ একই পরিবারের সাত সদস্যকে অবশেষে পাওয়া গেছে। স্বাবলম্বী হতে বাধা ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে তারা স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদস্যরা নিখোঁজের পাঁচদিন পর সোমবার রাতে তাদের রাঙামাটির সদর উপজেলার চেয়ারম্যানপাড়া থেকে উদ্ধার করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ইন্সপেক্টর জাহিদ হোসেন এ তথ্য দেন।

উদ্ধার হওয়া সাতজন হলেন- লালমনিরহাটের খোঁচাবাড়ির আবদুর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪৮), তার ছেলে বিক্রম আলী (১৩), ছোট মেয়ে রুনা খাতুন (১৫), বড় মেয়ে জীবন মিয়ার স্ত্রী রুমি বেগম (৩২), নাতনি বৃষ্টি খাতুন (১৪) এবং ছয় বছরের যমজ নাতি হাসান ও হোসেন।

আবদুর রহমান গত ৬ জুলাই বগুড়া সদর থানায় জিডিতে উল্লেখ করেন, তিনি গত ১০ বছর শহরের নারুলি এলাকার ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন। তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম নারুলী পুলিশ ফাঁড়িতে রান্নার কাজ করেন। গত ৩ জুলাই সকাল ৯টার দিকে ফাতেমা ও তার পরিবারের ছয় সদস্য বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। তাদের গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটের খোঁচাবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল।

এদিকে পিবিআই বগুড়া ইউনিটের সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিখোঁজ সাতজনের সন্ধান পান। সোমবার রাতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সহযোগিতায় তাদের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা বেগম ও তার বড় মেয়ে রুমি বেগম জানান, তাদের স্বামীরা রোজগার নিয়ে কটু কথা শোনাতেন। তাদের স্বাবলম্বী হতে দিতেন না। এছাড়া মাঝে মাঝেই তাদের মানসিক নির্যাতন করতেন। তাই পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে নিজেরা আয় করে স্বাবলম্বী হতে কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তারা রাঙামাটি সদর উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় আত্মীয় বাড়িতে উঠেন। সেখানে তারা কাজের সন্ধান করছিলেন।

পিবিআই বগুড়া ইউনিটের ইন্সপেক্টর জাহিদ জাহিদ হোসেন জানান, পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে উদ্ধার করা সাতজনকে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

বগুড়া থেকে নিখোঁজ একই পরিবারের সাতজনকে রাঙামাটি থেকে উদ্ধার

আপডেট সময় ১২:১৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

বগুড়া শহরের নারুলী এলাকার ভাড়াবাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ একই পরিবারের সাত সদস্যকে অবশেষে পাওয়া গেছে। স্বাবলম্বী হতে বাধা ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে তারা স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদস্যরা নিখোঁজের পাঁচদিন পর সোমবার রাতে তাদের রাঙামাটির সদর উপজেলার চেয়ারম্যানপাড়া থেকে উদ্ধার করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ইন্সপেক্টর জাহিদ হোসেন এ তথ্য দেন।

উদ্ধার হওয়া সাতজন হলেন- লালমনিরহাটের খোঁচাবাড়ির আবদুর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪৮), তার ছেলে বিক্রম আলী (১৩), ছোট মেয়ে রুনা খাতুন (১৫), বড় মেয়ে জীবন মিয়ার স্ত্রী রুমি বেগম (৩২), নাতনি বৃষ্টি খাতুন (১৪) এবং ছয় বছরের যমজ নাতি হাসান ও হোসেন।

আবদুর রহমান গত ৬ জুলাই বগুড়া সদর থানায় জিডিতে উল্লেখ করেন, তিনি গত ১০ বছর শহরের নারুলি এলাকার ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন। তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম নারুলী পুলিশ ফাঁড়িতে রান্নার কাজ করেন। গত ৩ জুলাই সকাল ৯টার দিকে ফাতেমা ও তার পরিবারের ছয় সদস্য বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। তাদের গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটের খোঁচাবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল।

এদিকে পিবিআই বগুড়া ইউনিটের সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিখোঁজ সাতজনের সন্ধান পান। সোমবার রাতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সহযোগিতায় তাদের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা বেগম ও তার বড় মেয়ে রুমি বেগম জানান, তাদের স্বামীরা রোজগার নিয়ে কটু কথা শোনাতেন। তাদের স্বাবলম্বী হতে দিতেন না। এছাড়া মাঝে মাঝেই তাদের মানসিক নির্যাতন করতেন। তাই পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে নিজেরা আয় করে স্বাবলম্বী হতে কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তারা রাঙামাটি সদর উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় আত্মীয় বাড়িতে উঠেন। সেখানে তারা কাজের সন্ধান করছিলেন।

পিবিআই বগুড়া ইউনিটের ইন্সপেক্টর জাহিদ জাহিদ হোসেন জানান, পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে উদ্ধার করা সাতজনকে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।