সংবাদ শিরোনাম ::
পাঁচ কোটির সরকারি তহবিল গিলে খেলেন উপাচার্য ড. জুলহাস উদ্দিন ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান ফেনী আলিয়ার বিতর্কিত অধ্যক্ষ কারাগারে জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে রাতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী বড়লেখায় ৩২ হাজার শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাপসুল ‘বিয়ের কাগজ দেখাতে পারলে যা চাইবেন তা-ই করব’ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ববি সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে ‘ব্যর্থ’ বললেন নাহিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের বড় অভিযান: ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে দুই শিশুর মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে খুন হন জুবায়ের

রাজধানীর মিরপুরে কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান রাফিতের সঙ্গে একই ক্লাসের শিক্ষার্থী চৌধুরী রাজিন ইকবালের মধ্যে কিছুদিন আগে ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে রাজিনের বাবা ইকবালকে ডেকে দুপক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে দেন।

বিষয়টি রাজিন মেনে না নিতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়। ঘটনাটি (ক্যাপ্টেন্সি) নিয়ে সে (রাজিন) গত সপ্তাহে কলেজের বাহিরেও কয়েক দফা ঝগড়ায় লিপ্ত হয় ভিকটিমের সঙ্গে।

এতে কাজ না হওয়ায় মনে মনে পরিকল্পনা করেন জুবায়েরকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। এজন্য ঘটনার দিন জুবায়েরকে বাসায় ডেকে কুপিয়ে হত্যা করে ঘাতক রাজিন। কলেজ সূত্র ও জুবায়েরের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে এ খুনের ঘটনায় রোববার দুপুরে রাজধানীর শাহআলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় বাবা-ছেলেসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- চৌধুরী রাজিন ইকবাল, ইকবাল আহম্মেদ চৌধুরী ও অজ্ঞাতরা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে কলেজে একটি বিষয় নিয়ে ভিকটিম জুবায়েরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার সহপাঠী বন্ধু রাজিনের। এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন রাজিনের বাবা ইকবালকে ডেকে দুজনের মধ্যে মীমাংসা করে দেন।

ঘটনার দিন জুবায়ের কমার্স কলেজের সামনে এলে রাজিন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী জুবায়েরকে ডেকে তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ওতপেতে থাকা মামলার ২ নম্বর ও অজ্ঞাত আসামিরা জুবায়েরকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘাতকদের কোপের আঘাতে ভিকটিমের পুরো শরীর ক্ষত-বিক্ষত হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা পালিয়ে যায়।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু মাসুদ বলেন, জুবায়ের ২-৩ মাস ধরে ক্লাসের ক্যাপ্টেন ছিল। জুবায়ের ও রাজিনের মধ্যে কথা কাটাকাটির কোনো বিষয় নিয়ে কলেজে মীমাংসা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ কোটির সরকারি তহবিল গিলে খেলেন উপাচার্য ড. জুলহাস উদ্দিন

ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে খুন হন জুবায়ের

আপডেট সময় ১০:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

রাজধানীর মিরপুরে কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান রাফিতের সঙ্গে একই ক্লাসের শিক্ষার্থী চৌধুরী রাজিন ইকবালের মধ্যে কিছুদিন আগে ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে রাজিনের বাবা ইকবালকে ডেকে দুপক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে দেন।

বিষয়টি রাজিন মেনে না নিতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়। ঘটনাটি (ক্যাপ্টেন্সি) নিয়ে সে (রাজিন) গত সপ্তাহে কলেজের বাহিরেও কয়েক দফা ঝগড়ায় লিপ্ত হয় ভিকটিমের সঙ্গে।

এতে কাজ না হওয়ায় মনে মনে পরিকল্পনা করেন জুবায়েরকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। এজন্য ঘটনার দিন জুবায়েরকে বাসায় ডেকে কুপিয়ে হত্যা করে ঘাতক রাজিন। কলেজ সূত্র ও জুবায়েরের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে এ খুনের ঘটনায় রোববার দুপুরে রাজধানীর শাহআলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় বাবা-ছেলেসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- চৌধুরী রাজিন ইকবাল, ইকবাল আহম্মেদ চৌধুরী ও অজ্ঞাতরা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে কলেজে একটি বিষয় নিয়ে ভিকটিম জুবায়েরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় তার সহপাঠী বন্ধু রাজিনের। এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন রাজিনের বাবা ইকবালকে ডেকে দুজনের মধ্যে মীমাংসা করে দেন।

ঘটনার দিন জুবায়ের কমার্স কলেজের সামনে এলে রাজিন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী জুবায়েরকে ডেকে তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ওতপেতে থাকা মামলার ২ নম্বর ও অজ্ঞাত আসামিরা জুবায়েরকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘাতকদের কোপের আঘাতে ভিকটিমের পুরো শরীর ক্ষত-বিক্ষত হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা পালিয়ে যায়।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু মাসুদ বলেন, জুবায়ের ২-৩ মাস ধরে ক্লাসের ক্যাপ্টেন ছিল। জুবায়ের ও রাজিনের মধ্যে কথা কাটাকাটির কোনো বিষয় নিয়ে কলেজে মীমাংসা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।