সংবাদ শিরোনাম ::
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত নওগাঁয় চু’রির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ আ’টক-১ সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

এমপিও বাণিজ্য সহ নানা অনিয়ম বন্ধ চান মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকরা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন মতিঝিল মডেল স্কুলের গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষ যার একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক মাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে অনুসন্ধানে জানা গেছে ২০২৩ সালের ১৬ ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২:০০ টায় মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষ সহ মোট ৪১ জন শিক্ষক কর্মচারী একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বৈঠকে ৪১ জন শিক্ষক কর্মচারী এমপিও কিভাবে করা যায় তার একটি প্রস্তুতি ও দিক নির্দেশনা মূলক সভায় সভাপতি অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডি বিদ্যোতসাহী সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন এই সভায় সভাপতি এমপিও করতে টাকার প্রয়োজন টাকা ছাড়া এমপিও হয় না বিষয়টি উল্লেখ করেন, কারণ হিসেবে বিদ্যোৎসাহী সদস্য কচি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হল দুর্নীতিরগ্রস্থ যতই আমি ইনফ্লুয়েন্স করি না কেন টাকা যা দেওয়ার ছিল দিয়েছিলাম মতিন ভাই ( গভর্নিং বডির সভাপতি) বলেছিল টাকা নিয়ে তুমি চিন্তা করো না অধ্যক্ষ তার বক্তব্যে বলেন বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কথা শোনা যায় যে এমপি হতে এত টাকা লাগে এত টাকা নেয়। এই বিষয়ে কচি ভাই গভর্নিং বডির সদস্য আপনাদের ক্লিয়ার করেছেন, যদি টাকা লাগে সেটা কমিটি দেখবে , আপনারা বিভ্রান্ত ছড়াবেন না বা সে সুযোগ যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে আপনারা সজাগ থাকবেন । বৈঠকে উপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষক উক্ত বৈঠক ও বৈঠকের অডিও সম্পর্কে সত্যতা প্রকাশ করেন । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষক বলেন মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ঐতিহ্যবাহী ও অনেক পুরাতন একটি প্রতিষ্ঠান,নতুন অনুমোদন পাওয়া কোন প্রতিষ্ঠান নয় যে এভাবে বাজারের মতন করে এমপি সভা ডেকে এমপি ও আবেদন পাঠাতে হবে এবং উক্ত সভায় শিক্ষকদের উপস্থিত থেকে এই ধরনের অসংগতিপূর্ণ কথা বলতে হবে তা কিসের ইঙ্গিত দেয় এবং যাদের এমপিও প্রাপ্যতা আছে সে শিক্ষকও জানবে না,তাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র আছে এমপি ফরওয়ার্ডিং করে পাঠিয়ে দিবে এমপিও হয়ে যাবে এটা প্রতিষ্ঠানস্বার্থের ব্যাপার এটা কোন ব্যক্তিগত শিক্ষকের লাভবান করা জায়গা নয় যে শিক্ষককে জানতে হবে এবং এমপিও সভা করতে হবে। তাছাড়া পুরাতন প্রতিষ্ঠানে এভাবে সভা করে এমপিও পাঠানোর নজির সারা বাংলাদেশে কোন প্রতিষ্ঠানেই দেখা যায়নি। তাই এই সভা ও অডিও রেকর্ড দুর্নীতির বিষয়টি সুস্পষ্ট প্রমাণিত করে । মতিঝিল মডেলের অধ্যক্ষ একজন শিক্ষা প্রশাসন হতে প্রেষনে নিয়োগ প্রাপ্ত যিনি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সকল বিধি নিয়মকানুন ও এমপিও নীতিমালা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখেন তাই সকল বিষয় জানা সত্ত্বেও যাদের নিয়োগ বিগত দিনে বিধিমোতাবেক হয়নি তাদের এমপিও তালিকা প্রণয়ন করা এমপিও সংক্রান্ত সভা করা এবং উক্ত সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে আখ্যা দেওয়া এবং তা সমর্থন করা যা এমপিও নীতিমালায় ১৭.৮ সুস্পষ্ট লংঘন করেছে ।

এই সকল বিষয়সমূহ সহ আরোও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষক কর্মচারিবৃন্দ মাউশি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড অভিযোগপত্র দাখিল করেন যা মাউশি অভিযোগ পত্র নং ৬৬১৫ তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর ৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে, যা নিয়ে এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, শিক্ষকরা কারণ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক প্রভাব সহ বিভিন্ন প্রভাব বিস্তার করছেন সভাপতি ও বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার অধ্যক্ষ । তাছাড়া অধ্যক্ষের ধীরতা আরো দিন দিন বেড়েই চলেছে গভর্নিং বডি নিয়ে চলমান দ্বন্দ্বের দিকনির্দেশনামূলক সমাধান চেয়ে বোর্ডে দরখাস্ত করা যেত কেননা কমিটি সংক্রান্ত সমাধান বোর্ড দিয়ে থাকেন তা ভালো করেই জানেন অধ্যক্ষ কিন্তু তিনি তা না করে বোর্ডকে উপেক্ষা করে মাউশিতে দরখাস্ত করে এবং মাউশি উক্ত চিঠি বোর্ডে কে ফরওয়ার্ড বা বোর্ডের পরামর্শ না নিয়েই তপন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি সংক্রান্ত পরামর্শমূলক সিদ্ধান্ত দেন যা বোর্ড ও মাউশির মধ্যকার সমন্বয়হীনতার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন অনেকেই । শিক্ষকরা এই অধ্যক্ষের বদলি সহ সকল বিষয়ের তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান চান এবং তদন্তের সময় যেন শিক্ষকদের তদন্ত কর্মকর্তাদের নিকট পৃথকভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় সে বিষয়েও শিক্ষকরা অভিমত পোষণ করেছেন ।
এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিগত দিনে গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি দুর্নীতিগ্রস্ত আখ্যা দেয়া সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে এবং এ সকল বিষয়ের তার সত্যতা স্বীকার করে গভর্নিং বডির এক সদস্যে সাইফুল ইসলাম তদন্ত চেয়ে পদত্যাগ পত্র ঢাকা বোর্ডে চেয়ারম্যান বরাবর জমা দিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য

এমপিও বাণিজ্য সহ নানা অনিয়ম বন্ধ চান মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকরা

আপডেট সময় ০৩:০৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন মতিঝিল মডেল স্কুলের গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষ যার একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক মাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে অনুসন্ধানে জানা গেছে ২০২৩ সালের ১৬ ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২:০০ টায় মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষ সহ মোট ৪১ জন শিক্ষক কর্মচারী একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বৈঠকে ৪১ জন শিক্ষক কর্মচারী এমপিও কিভাবে করা যায় তার একটি প্রস্তুতি ও দিক নির্দেশনা মূলক সভায় সভাপতি অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডি বিদ্যোতসাহী সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন এই সভায় সভাপতি এমপিও করতে টাকার প্রয়োজন টাকা ছাড়া এমপিও হয় না বিষয়টি উল্লেখ করেন, কারণ হিসেবে বিদ্যোৎসাহী সদস্য কচি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হল দুর্নীতিরগ্রস্থ যতই আমি ইনফ্লুয়েন্স করি না কেন টাকা যা দেওয়ার ছিল দিয়েছিলাম মতিন ভাই ( গভর্নিং বডির সভাপতি) বলেছিল টাকা নিয়ে তুমি চিন্তা করো না অধ্যক্ষ তার বক্তব্যে বলেন বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কথা শোনা যায় যে এমপি হতে এত টাকা লাগে এত টাকা নেয়। এই বিষয়ে কচি ভাই গভর্নিং বডির সদস্য আপনাদের ক্লিয়ার করেছেন, যদি টাকা লাগে সেটা কমিটি দেখবে , আপনারা বিভ্রান্ত ছড়াবেন না বা সে সুযোগ যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে আপনারা সজাগ থাকবেন । বৈঠকে উপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষক উক্ত বৈঠক ও বৈঠকের অডিও সম্পর্কে সত্যতা প্রকাশ করেন । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু শিক্ষক বলেন মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ঐতিহ্যবাহী ও অনেক পুরাতন একটি প্রতিষ্ঠান,নতুন অনুমোদন পাওয়া কোন প্রতিষ্ঠান নয় যে এভাবে বাজারের মতন করে এমপি সভা ডেকে এমপি ও আবেদন পাঠাতে হবে এবং উক্ত সভায় শিক্ষকদের উপস্থিত থেকে এই ধরনের অসংগতিপূর্ণ কথা বলতে হবে তা কিসের ইঙ্গিত দেয় এবং যাদের এমপিও প্রাপ্যতা আছে সে শিক্ষকও জানবে না,তাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র আছে এমপি ফরওয়ার্ডিং করে পাঠিয়ে দিবে এমপিও হয়ে যাবে এটা প্রতিষ্ঠানস্বার্থের ব্যাপার এটা কোন ব্যক্তিগত শিক্ষকের লাভবান করা জায়গা নয় যে শিক্ষককে জানতে হবে এবং এমপিও সভা করতে হবে। তাছাড়া পুরাতন প্রতিষ্ঠানে এভাবে সভা করে এমপিও পাঠানোর নজির সারা বাংলাদেশে কোন প্রতিষ্ঠানেই দেখা যায়নি। তাই এই সভা ও অডিও রেকর্ড দুর্নীতির বিষয়টি সুস্পষ্ট প্রমাণিত করে । মতিঝিল মডেলের অধ্যক্ষ একজন শিক্ষা প্রশাসন হতে প্রেষনে নিয়োগ প্রাপ্ত যিনি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সকল বিধি নিয়মকানুন ও এমপিও নীতিমালা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখেন তাই সকল বিষয় জানা সত্ত্বেও যাদের নিয়োগ বিগত দিনে বিধিমোতাবেক হয়নি তাদের এমপিও তালিকা প্রণয়ন করা এমপিও সংক্রান্ত সভা করা এবং উক্ত সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে আখ্যা দেওয়া এবং তা সমর্থন করা যা এমপিও নীতিমালায় ১৭.৮ সুস্পষ্ট লংঘন করেছে ।

এই সকল বিষয়সমূহ সহ আরোও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষক কর্মচারিবৃন্দ মাউশি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড অভিযোগপত্র দাখিল করেন যা মাউশি অভিযোগ পত্র নং ৬৬১৫ তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর ৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে, যা নিয়ে এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, শিক্ষকরা কারণ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক প্রভাব সহ বিভিন্ন প্রভাব বিস্তার করছেন সভাপতি ও বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার অধ্যক্ষ । তাছাড়া অধ্যক্ষের ধীরতা আরো দিন দিন বেড়েই চলেছে গভর্নিং বডি নিয়ে চলমান দ্বন্দ্বের দিকনির্দেশনামূলক সমাধান চেয়ে বোর্ডে দরখাস্ত করা যেত কেননা কমিটি সংক্রান্ত সমাধান বোর্ড দিয়ে থাকেন তা ভালো করেই জানেন অধ্যক্ষ কিন্তু তিনি তা না করে বোর্ডকে উপেক্ষা করে মাউশিতে দরখাস্ত করে এবং মাউশি উক্ত চিঠি বোর্ডে কে ফরওয়ার্ড বা বোর্ডের পরামর্শ না নিয়েই তপন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি সংক্রান্ত পরামর্শমূলক সিদ্ধান্ত দেন যা বোর্ড ও মাউশির মধ্যকার সমন্বয়হীনতার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন অনেকেই । শিক্ষকরা এই অধ্যক্ষের বদলি সহ সকল বিষয়ের তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান চান এবং তদন্তের সময় যেন শিক্ষকদের তদন্ত কর্মকর্তাদের নিকট পৃথকভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় সে বিষয়েও শিক্ষকরা অভিমত পোষণ করেছেন ।
এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিগত দিনে গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি দুর্নীতিগ্রস্ত আখ্যা দেয়া সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে এবং এ সকল বিষয়ের তার সত্যতা স্বীকার করে গভর্নিং বডির এক সদস্যে সাইফুল ইসলাম তদন্ত চেয়ে পদত্যাগ পত্র ঢাকা বোর্ডে চেয়ারম্যান বরাবর জমা দিয়েছেন।