ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

ব্যর্থ হয়ে হামাসের শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছে ইসরাইল: ইসমাইল হানিয়া

ফিলিস্তিনি জনগণ হামাসের দেওয়া শর্ত মেনে নিয়ে ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে বাধ্য করেছে বলে দাবি তুলেছেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা ও পলিটব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, “প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের মাতৃভূমি পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।”

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) এক বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি বলেন, “দখলদার ইসরায়েল গণহত্যা ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তাদের বন্দিদের মুক্ত করার যে ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিরোধ যোদ্ধারা তা ব্যর্থ করে দিয়েছে।”

হানিয়া বলেন, “ইহুদিবাদী শত্রু বাজি ধরেছিল যে, বন্দুকের জোরে হত্যা ও গণহত্যা চালিয়ে তাদের বন্দিদের মুক্ত করতে পারবে। কিন্তু প্রায় ৫০ দিন পর তারা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শর্ত মেনে তাদের বন্দিদের মুক্ত করতে বাধ্য হয়েছে।”

চলমান ৪ দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যাওয়ার পর আবার দখলদার সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য হামাস পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান হানিয়া।

তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “গাজা উপত্যকায় নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়বে না হামাস এবং যুদ্ধ শেষ হলে এই উপত্যকার ভবিষ্যত নির্ধারণের ব্যাপারে কোনো বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।”

হামাসের শীর্ষ নেতা আরো বলেন, “ইহুদিবাদী ইসরায়েল যতক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি মেনে চলবে ততক্ষণ প্রতিরোধ যোদ্ধারাও চুক্তির প্রতি অবিচল থাকবে। গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত ভূখণ্ডের ফিলিস্তিনিরা গত সাত সপ্তাহ ধরে যে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে সেজন্য হানিয়া তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তি অর্জনে মধ্যস্থতা করার জন্য কাতার ও মিশরকেও ধন্যবাদ জানান। ”

ইসমাইল হানিয়া গাজাবাসীর সমর্থনে লড়াই করার জন্য লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

ব্যর্থ হয়ে হামাসের শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছে ইসরাইল: ইসমাইল হানিয়া

আপডেট সময় ১২:৩০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩

ফিলিস্তিনি জনগণ হামাসের দেওয়া শর্ত মেনে নিয়ে ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে বাধ্য করেছে বলে দাবি তুলেছেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা ও পলিটব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, “প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের মাতৃভূমি পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।”

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) এক বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ইসমাইল হানিয়া। তিনি বলেন, “দখলদার ইসরায়েল গণহত্যা ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তাদের বন্দিদের মুক্ত করার যে ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিরোধ যোদ্ধারা তা ব্যর্থ করে দিয়েছে।”

হানিয়া বলেন, “ইহুদিবাদী শত্রু বাজি ধরেছিল যে, বন্দুকের জোরে হত্যা ও গণহত্যা চালিয়ে তাদের বন্দিদের মুক্ত করতে পারবে। কিন্তু প্রায় ৫০ দিন পর তারা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শর্ত মেনে তাদের বন্দিদের মুক্ত করতে বাধ্য হয়েছে।”

চলমান ৪ দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যাওয়ার পর আবার দখলদার সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য হামাস পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান হানিয়া।

তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “গাজা উপত্যকায় নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়বে না হামাস এবং যুদ্ধ শেষ হলে এই উপত্যকার ভবিষ্যত নির্ধারণের ব্যাপারে কোনো বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।”

হামাসের শীর্ষ নেতা আরো বলেন, “ইহুদিবাদী ইসরায়েল যতক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি মেনে চলবে ততক্ষণ প্রতিরোধ যোদ্ধারাও চুক্তির প্রতি অবিচল থাকবে। গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত ভূখণ্ডের ফিলিস্তিনিরা গত সাত সপ্তাহ ধরে যে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছে সেজন্য হানিয়া তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি যুদ্ধবিরতি চুক্তি অর্জনে মধ্যস্থতা করার জন্য কাতার ও মিশরকেও ধন্যবাদ জানান। ”

ইসমাইল হানিয়া গাজাবাসীর সমর্থনে লড়াই করার জন্য লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।