ফরিদগঞ্জে এক অসহায় শারীরিক ও মানুষিক প্রতিবন্ধী জামাল হোসেন ও তার সহধর্মিনী তাছলিমা বেগমের উপর একই বাড়ীর ফাতেমা বেগম গং কর্তৃক হামলা ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮নং দক্ষিন পাইকপাড়া বালিচাটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী জামালের স্ত্রী তাছলিমা বেগম ফাতেমা বেগমকে প্রধান আসামি করে ২জনের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার বালিচাটিয়া গ্রামে মুন্সি বাড়িতে কতেক বছরপূর্বে প্রতিবন্ধী জামাল হোসেন এক খন্ড সম্পতি ক্রয় করে একটি দোচালা টিনের ঘর করে তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিনানিপাত করছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম ও একই বাড়ীতে বসবাস করে আসছেন। দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিবন্ধী এ অসহায় পরিবারের উপর কারনে অকারনে প্রায় সময় অমানুবিক আচরন করে আসছে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম।
প্রতিবন্ধী জামালের স্ত্রী তাছলিমা বেগম বলেন , গত রমজানে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগমের একটি গৃহ পালিত ছাগল, কে বা কাহারা মেরে ফেলে। ঐ ছাগল মারাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম আমাদের অগচরে না জানিয়ে আমাকে ও আমার প্রতিবন্ধী স্বামীকে মিথ্যে স্বাক্ষী করে একই বাড়ীর বিল্লাল, কামাল, ফেরদৌস সহ কতেক জনের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি মামলা করে। ঐ মামলায় আমি ও আমার প্রতিবন্ধী স্বামী মিথ্যে স্বাক্ষী না দেওয়ায় দিনের পর দিন আমাদের এ প্রতিবন্ধী পরিবারের উপর অভিযুক্ত ফাতেমা বেগমের অমানুবিক আচরণ করে আসছে।
২৮ জুলাই বিকেলে আমি ও আমার প্রতিবন্ধী স্বামী জামাল হোসেন অভিযুক্ত ফাতেমা বেগমের বাড়ীর সামনে চলমান রাস্তা দিয়ে বাড়ীতে আসার সময় ঐ জেরে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম ও তার ছেলে জিলান হোসেন আমার ও আমার প্রতিবন্ধী স্বামীর উপর অতর্কীত হামলা ও মারধর করে। এতে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম ও তার ছেলের লাঠির আঘাতে আমি গুরতর আহত হই। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা আমাকে গুরুতর অবস্হায় চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরে অভিযুক্ত ফাতেমা ও তার ছেলে জিলান হোসেনকে বিবাদী করে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি।
এলাকাবাসী ও বাড়ীর আরিফ হোসেন ও কামাল হোসেন বলেন, অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম ও তার ছেলে অন্যায় ভাবে প্রতিবন্ধী জামাল ও তার স্ত্রী তাছলিমাকে মারধর করেছে। অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম একজন খারাপ ও মামলাবাজ মহিলা। তার অমানবিক আচরনে ঐ বাড়ির ও এলাকার সাধারন মানুষ অধিষ্ঠ। যেকোন সাধারন বিষয় নিয়ে বাড়ীর ও এলাকার মানুষকে জড়িয়ে বিভিন্ন ভাবে হামলা মামলা করে ক্ষতি সাধন করে আসছে।
প্রতিবন্ধী জামাল হোসেন ও তার স্ত্রী সহ এলাকাবসী অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম ও তার ছেলে জিলান হোসেনের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি ও বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফাতেমা বেগম বলেন, আমি প্রতিবন্ধী জামাল ও তার স্ত্রীকে হামলা ও মারধর করিনি বরং তারাই আমাকে মারধর করেছে।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এস, আই কামাল বলেন,এ বিষয়ে প্রতিবন্ধী জামালের স্ত্রী তাছলিমা বেগম একটি লিখিত অভিযোগ করেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমান উল্যা আমান, চাঁদপুর প্রতিনিধি 
























