ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিজ জেলায় চাকরি করে কোটিপতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পিআইও অফিসের কম্পিউটার অপারেটর সোহেল রানা অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে এক ধরনের এক্সাইটমেন্ট কাজ করছিল : চঞ্চল চৌধুরী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন সরফরাজ ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোটার্স সোসাইটি ও সাপ্তাহিক পল্লীদূত পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল  আত্রাইয়ে এবারে ঈদ বাজারে বাজেটের চেয়ে দাম বেশি পছন্দের পোশাকের সুনামগঞ্জে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি, ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক নিখোঁজের এক দিন পর প্রতিবেশীর ভবনের ছাদে মিলল শিশুর মরদেহ মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে বন্ধুকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ শবে কদর লাভের সহজ ৫ উপায়

১০ কোটি করোনা টিকা ধ্বংস করল সেরাম

মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়ায় করোনা টিকা অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ডের ১০ কোটি ডোজ ধ্বংস করেছে এই টিকার প্রস্তুকারী কোম্পানি সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই)।

শুক্রবার ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাষ্ট্র মহারাষ্ট্রের পুনে জেলায় অবস্থিত এসআইআইয়ের মূল কারখানায় এসব টিকা ধ্বংস করা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

বৃহস্পতিবার পুনেতে এসআইআই কার্যালয়ের সদর দপ্তরে উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশের টিকা প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর জোট ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ভ্যাক্সিন ম্যানুফ্যাকচারার্স নেটওয়ার্কের (ডিসিভিএমএন) বার্ষিক সাধারণ সভা চলছিল। চলতি বছর এই সভার আয়োজক ছিল এসআইআই। সেই সভার বিরতিতেই এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার দেন আদর পুনাওয়ালা।

ভারতের জনগণ করোনা সম্পর্কে ‘তিতিবিরক্ত’ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে সাক্ষাৎকারে পুনাওয়ালা বলেন, ‘জনগণ করোনার ওপর এতটাই বিরক্ত হয়ে উঠেছে যে তারা আর বুস্টার ডোজও নিতে চাইছে না; এবং সত্যি কথা বলতে—আমি নিজেও (মহামারির ওপর) বিরক্ত। আমাদের সবার অবস্থা এখন একই।’

চুক্তি অনুযায়ী, অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ড উৎপাদন করা শুরু করে সেরাম। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় ভারতে। সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত কোভিশিল্ড ও ভারতীয় কোম্পানি ভারত বায়োটেকের করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন— এই দু’টি করোনা টিকাই মূলত ব্যবহার করা হয়েছে এ কর্মসূচিতে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনগণের ৭০ শতাংশই করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।

বৃহস্পতিবারের সাক্ষাৎকারে করোনা টিকার ভবিষ্যত নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন পুনাওয়ালা।

‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শীতকালে জ্বরজারি ও সর্দিকাশি হয়। ইউরোপে এবারের শীতকালে লোকজন ঠাণ্ডাজনিত জ্বর ও সর্দিকাশি সম্পর্কিত ওষুধের সঙ্গে করোনা টিকার একটি ডোজও হয়তো নেবেন।’

‘কিন্তু ভারতের লোকজন ইউরোপের মতো নয়। সাধারণ ঠাণ্ডা, জ্বরজারিতে তারা সাধারণত ওষুধ সেবন করে না।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ জেলায় চাকরি করে কোটিপতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পিআইও অফিসের কম্পিউটার অপারেটর সোহেল রানা

১০ কোটি করোনা টিকা ধ্বংস করল সেরাম

আপডেট সময় ০৫:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অক্টোবর ২০২২

মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়ায় করোনা টিকা অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ডের ১০ কোটি ডোজ ধ্বংস করেছে এই টিকার প্রস্তুকারী কোম্পানি সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই)।

শুক্রবার ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাষ্ট্র মহারাষ্ট্রের পুনে জেলায় অবস্থিত এসআইআইয়ের মূল কারখানায় এসব টিকা ধ্বংস করা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

বৃহস্পতিবার পুনেতে এসআইআই কার্যালয়ের সদর দপ্তরে উন্নয়নশীল বিভিন্ন দেশের টিকা প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর জোট ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ভ্যাক্সিন ম্যানুফ্যাকচারার্স নেটওয়ার্কের (ডিসিভিএমএন) বার্ষিক সাধারণ সভা চলছিল। চলতি বছর এই সভার আয়োজক ছিল এসআইআই। সেই সভার বিরতিতেই এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার দেন আদর পুনাওয়ালা।

ভারতের জনগণ করোনা সম্পর্কে ‘তিতিবিরক্ত’ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে সাক্ষাৎকারে পুনাওয়ালা বলেন, ‘জনগণ করোনার ওপর এতটাই বিরক্ত হয়ে উঠেছে যে তারা আর বুস্টার ডোজও নিতে চাইছে না; এবং সত্যি কথা বলতে—আমি নিজেও (মহামারির ওপর) বিরক্ত। আমাদের সবার অবস্থা এখন একই।’

চুক্তি অনুযায়ী, অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার ভারতীয় সংস্করণ কোভিশিল্ড উৎপাদন করা শুরু করে সেরাম। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় ভারতে। সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত কোভিশিল্ড ও ভারতীয় কোম্পানি ভারত বায়োটেকের করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন— এই দু’টি করোনা টিকাই মূলত ব্যবহার করা হয়েছে এ কর্মসূচিতে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনগণের ৭০ শতাংশই করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।

বৃহস্পতিবারের সাক্ষাৎকারে করোনা টিকার ভবিষ্যত নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন পুনাওয়ালা।

‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শীতকালে জ্বরজারি ও সর্দিকাশি হয়। ইউরোপে এবারের শীতকালে লোকজন ঠাণ্ডাজনিত জ্বর ও সর্দিকাশি সম্পর্কিত ওষুধের সঙ্গে করোনা টিকার একটি ডোজও হয়তো নেবেন।’

‘কিন্তু ভারতের লোকজন ইউরোপের মতো নয়। সাধারণ ঠাণ্ডা, জ্বরজারিতে তারা সাধারণত ওষুধ সেবন করে না।’