রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণা ও গাড়ি আত্মসাতের মামলায় জয়হান ইন্টারন্যাশনাল কনসালটেন্সী ফার্মের চেয়ারম্যান শেখ মো. ফোরকান হোসেন মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাসিক ভাড়ায় প্রাইভেটকার নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভাড়া পরিশোধ না করা এবং গাড়ি ফেরত না দিয়ে উল্টো ভুক্তভোগীকে নানাভাবে হয়রানির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা জায়, প্রাইভেটকারনিয়ে ফেরত না দিয়ে উল্টো হুমকি দেওয়ায় গত বছরের ০৫ অক্টোবর আনিসুর রহমান আনিস রমনা মডেল থানায় মামলা করেন। এ সূত্রে আরও জানা জায়, এর আগে ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি রমনা মডেল থানাধীন সিদ্ধেশ্বরীর একটি ফ্ল্যাটে তিনশ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে আনিসুর রহমান আনিস মালিকানাধীন একটি টয়োটা এলিয়ন প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ ২৭-৯৫২৩) শেখ মো. ফোরকান হোসেন মেহেদীর নিকট মাসিক ১৮ হাজার টাকার হিসাবে ভাড়ায় প্রদান করেন। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করার কথা থাকলেও, প্রাইভেটকারটি নেওয়ার পর থেকেই মেহেদী ও তার সহযোগীদের যোগসাজসে নানা অজুহাতে ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন।
ভুক্তভোগী আনিস জানান, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত মোট ৬৮ মাসের ভাড়ার ১১ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র ১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। ফলে বর্তমানে শুধু গাড়ি ভাড়া বাবদই বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। এছাড়া চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গাড়ির ট্যাক্স ও ফিটনেস ফি পরিশোধের কথা থাকলেও তা নিয়েও গড়িমসি করেন মেহেদী। এমনকি চুক্তি বাতিল করে গাড়ি ও বকেয়া টাকা ফেরত চাইতে গেলে মেহেদী প্রাইভেটকারটি ফেরত না দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
আনিস আরও জানন, পরবর্তীতে প্রাইভেটকারটি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে উল্টো আমার নামে একটি মামলা দায়ের করেন, কিন্তু তার প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। এরপর পাওনা টাকা ও গাড়ি ফেরত চাইলে আনিস আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সূত্রে জানা জায়, আনিসুর রহমান আনিস শ্রমিকলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আনিসুর রহমান আনিসকে গ্রেপ্তার কারা হয়েছে। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা হবে।
বিশেষ প্রতিনিধি 






















