মুদি দোকান থেকে জাহাজ ও স্বর্ণ ব্যবসার মালিক—নারায়ণগঞ্জের মো. সোহাগের এই অভাবনীয় উত্থান এখন স্থানীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। একসময়ের সাধারণ এই ব্যবসায়ীর বর্তমান বিপুল সম্পদ ও শিল্পপতি বনে যাওয়ার পেছনের অর্থায়ন নিয়ে এলাকাবাসীর মনে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে তাঁর বিনিয়োগের উৎস, আয়কর নথি এবং ব্যাংক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিয়ে সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তন নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে গুঞ্জন রয়েছে। অতীতে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পটপরিবর্তনের পর বর্তমানে তিনি বিএনপির প্রভাবশালী মহলে ভিড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক এই ভোলবদলকে অনেকেই অবৈধ সুবিধা আদায়ের কৌশল হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে রাতারাতি বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা জরুরি।
শুধু মো. সোহাগই নন, তাঁর পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও এখন তদন্তের দাবি রাখছে। বেনামি সম্পত্তি বা আত্মীয়দের নামে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে আসল অর্থের উৎস আড়াল করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হস্তক্ষেপ চেয়েছে এলাকাবাসী।
যেকোনো ব্যক্তির অর্থনৈতিক অগ্রগতি ইতিবাচক হলেও তার নেপথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সমান জরুরি। এ বিষয়ে মো. সোহাগের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং তাঁর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 






















