ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামের নতুনবাজারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ পিডিবি কর্মকর্তা সানাউল্লাহর বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন ঘিরে আবারও আলোচনায় চট্টগ্রাম গণপূর্তের প্রকৌশলী মেহেদী হাসান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শিমুল সিন্ডিকেটের কবজায়, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ একসঙ্গে চিরনিদ্রায় শায়িত বজ্রপাতে নিহত ৬ জন কুমিল্লায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ২৩৬, ১০৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়িতে বাউল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়তে প্রতিমন্ত্রী হাবিবের নতুন বার্তা, পরিচ্ছন্নতায় নামার আহ্বান বিমানের তেল চুরির মহোৎসব, নেপথ্যে ২১ বছর গেড়ে বসা ম্যানেজার সাদেক ও ডিজিএম মজিবুর কুঁজিপুর হাট-মাঝগ্রাম সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন, ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ এমপি পুতুলকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সাবরেজিস্ট্রার রায়হানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা জাকিরের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে গিয়ে হুমকির মুখে সাংবাদিক

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫-এর রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়া ওই সাংবাদিক শেষ পর্যন্ত নিজের ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর এমন চড়াও হওয়ার ঘটনায় সংবাদকর্মী মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, সাংবাদিক মো. বেলায়েত হোসেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫-এর রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন সম্পদসংক্রান্ত অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে মো. আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে গড়ে ওঠা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির উৎস নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছিলেন। অভিযোগপত্রে ঢাকার উত্তরার অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট, গাজীপুরে বহুতল বাড়ি, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং একাধিক লাভজনক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা সম্পদের সুনির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, চাকরিজীবনের শুরুতে জাকির হোসেনের বৈধ আয় অত্যন্ত সীমিত থাকলেও পরবর্তীতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত দুর্নীতি হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

তদন্তে আরও জানা যায়, ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়েও জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে একটি স্মারক জমা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর পূর্বের কর্মজীবন, সম্পদের হিসাব, এমনকি বাড়িঘরের কর নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। তবে দুদক বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে তথ্য সংগ্রহের এই দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে উত্তরায় অভিযুক্ত কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে যান সাংবাদিক মো. বেলায়েত হোসেন। জিডির বিবরণে সাংবাদিক উল্লেখ করেন যে, তিনি নিয়ম অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহের পর বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে ওই বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে সরাসরি ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, ওই সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এমন আকস্মিক হুমকি ও চাপের মুখে পড়ে নিজের এবং পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত মিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে বাধ্য হন তিনি। থানায় দাখিল করা জিডির কপিতে নম্বর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সিল-স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানা গেছে। অবশ্য পুলিশি নথিতে জিডি এন্ট্রি হওয়ার অর্থ এই নয় যে অভিযোগের সব সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে; পুরো বিষয়টি বর্তমানে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তসাপেক্ষ।

সাংবাদিকের হাতে আসা বিভিন্ন নথিপত্রের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে দেওয়া মূল অভিযোগপত্রের অনুলিপি, মিরপুর থানায় করা সাধারণ ডায়েরির আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট আবাসিক ভবনের ছবি ও কাগজপত্র সংরক্ষিত রয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্তই তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মূল উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল। দায়িত্বশীল মহলের মতে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের তথ্য উন্মোচন করতে গিয়ে সংবাদকর্মীদের এভাবে হেনস্তা হওয়া বা হুমকির মুখে পড়া সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজস্ব কর্মকর্তা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা সম্পদের অসংগতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের নতুনবাজারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ পিডিবি কর্মকর্তা সানাউল্লাহর বিরুদ্ধে

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা জাকিরের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে গিয়ে হুমকির মুখে সাংবাদিক

আপডেট সময় ১২:২৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫-এর রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়া ওই সাংবাদিক শেষ পর্যন্ত নিজের ও পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর এমন চড়াও হওয়ার ঘটনায় সংবাদকর্মী মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, সাংবাদিক মো. বেলায়েত হোসেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫-এর রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন সম্পদসংক্রান্ত অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে মো. আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে গড়ে ওঠা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির উৎস নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছিলেন। অভিযোগপত্রে ঢাকার উত্তরার অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট, গাজীপুরে বহুতল বাড়ি, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং একাধিক লাভজনক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা সম্পদের সুনির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, চাকরিজীবনের শুরুতে জাকির হোসেনের বৈধ আয় অত্যন্ত সীমিত থাকলেও পরবর্তীতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত দুর্নীতি হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

তদন্তে আরও জানা যায়, ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়েও জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে একটি স্মারক জমা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর পূর্বের কর্মজীবন, সম্পদের হিসাব, এমনকি বাড়িঘরের কর নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। তবে দুদক বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে তথ্য সংগ্রহের এই দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ২৮ অক্টোবর বিকেলে উত্তরায় অভিযুক্ত কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে যান সাংবাদিক মো. বেলায়েত হোসেন। জিডির বিবরণে সাংবাদিক উল্লেখ করেন যে, তিনি নিয়ম অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহের পর বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে ওই বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে সরাসরি ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, ওই সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এমন আকস্মিক হুমকি ও চাপের মুখে পড়ে নিজের এবং পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত মিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে বাধ্য হন তিনি। থানায় দাখিল করা জিডির কপিতে নম্বর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সিল-স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানা গেছে। অবশ্য পুলিশি নথিতে জিডি এন্ট্রি হওয়ার অর্থ এই নয় যে অভিযোগের সব সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে; পুরো বিষয়টি বর্তমানে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তসাপেক্ষ।

সাংবাদিকের হাতে আসা বিভিন্ন নথিপত্রের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবের কাছে দেওয়া মূল অভিযোগপত্রের অনুলিপি, মিরপুর থানায় করা সাধারণ ডায়েরির আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট আবাসিক ভবনের ছবি ও কাগজপত্র সংরক্ষিত রয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্তই তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মূল উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল। দায়িত্বশীল মহলের মতে, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের তথ্য উন্মোচন করতে গিয়ে সংবাদকর্মীদের এভাবে হেনস্তা হওয়া বা হুমকির মুখে পড়া সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজস্ব কর্মকর্তা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা সম্পদের অসংগতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।