ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামের নতুনবাজারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ পিডিবি কর্মকর্তা সানাউল্লাহর বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন ঘিরে আবারও আলোচনায় চট্টগ্রাম গণপূর্তের প্রকৌশলী মেহেদী হাসান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শিমুল সিন্ডিকেটের কবজায়, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ একসঙ্গে চিরনিদ্রায় শায়িত বজ্রপাতে নিহত ৬ জন কুমিল্লায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ২৩৬, ১০৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়িতে বাউল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়তে প্রতিমন্ত্রী হাবিবের নতুন বার্তা, পরিচ্ছন্নতায় নামার আহ্বান বিমানের তেল চুরির মহোৎসব, নেপথ্যে ২১ বছর গেড়ে বসা ম্যানেজার সাদেক ও ডিজিএম মজিবুর কুঁজিপুর হাট-মাঝগ্রাম সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন, ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ এমপি পুতুলকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সাবরেজিস্ট্রার রায়হানের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ

পাউবোর গাছ কেটে বিক্রি করলেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কিরন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গা থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়াই ১০ থেকে ১২টি রেন্ট্রি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম ওরফে কিরনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২ থেকে ৩ লাখ টাকা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি নথি অনুযায়ী, রায়পুর উপজেলার বগা-রাখালিয়া মৌজার ১৯৯০ নম্বর সাবেক দাগে বোর্ডের ০.৩৪ একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ০.২০ একর ভিটি, ০.১০ একর বাগান এবং ০.০৪ একর নাল শ্রেণিভুক্ত জমি হিসেবে নথিবদ্ধ আছে। এই সরকারি জমির ওপর থাকা মূল্যবান গাছগুলো সম্প্রতি কেটে ফেলা হয়।

সরকারি জমিতে গাছ বিক্রির বিষয়ে ক্রেতা মঞ্জু বলেন, মোরশেদ আলম নিজের গাছ দাবি করেই আমার কাছে এগুলো বিক্রি করেছিলেন। যদি আগে থেকেই জানতাম যে এগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার গাছ, তবে আমি কখনোই এগুলো কিনতাম না।

নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম ওরফে কিরন বলেন, সরকারি আইন অনুযায়ী আমার এই গাছগুলো বিক্রি করা ঠিক হয়নি। তবে এই জায়গাটি আমাদের বাড়ির সামনে অবস্থিত এবং রেন্ট্রি গাছগুলো প্রায় ৩০ বছর আগে আমার বাবা লাগিয়েছিলেন। তাই পারিবারিকভাবেই আমরা গাছগুলো বিক্রি করে দিয়েছি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে যখন এই জায়গা চাওয়া হবে, আমরা তা ছেড়ে দেব।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা থেকে গাছ কাটার বিষয়ে কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন সংস্থাটির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী গোকুল চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি থেকে গাছ কাটার জন্য কেউ কোনো অনুমতি নেননি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের নতুনবাজারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ পিডিবি কর্মকর্তা সানাউল্লাহর বিরুদ্ধে

পাউবোর গাছ কেটে বিক্রি করলেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কিরন

আপডেট সময় ১২:২১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গা থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়াই ১০ থেকে ১২টি রেন্ট্রি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম ওরফে কিরনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২ থেকে ৩ লাখ টাকা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি নথি অনুযায়ী, রায়পুর উপজেলার বগা-রাখালিয়া মৌজার ১৯৯০ নম্বর সাবেক দাগে বোর্ডের ০.৩৪ একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ০.২০ একর ভিটি, ০.১০ একর বাগান এবং ০.০৪ একর নাল শ্রেণিভুক্ত জমি হিসেবে নথিবদ্ধ আছে। এই সরকারি জমির ওপর থাকা মূল্যবান গাছগুলো সম্প্রতি কেটে ফেলা হয়।

সরকারি জমিতে গাছ বিক্রির বিষয়ে ক্রেতা মঞ্জু বলেন, মোরশেদ আলম নিজের গাছ দাবি করেই আমার কাছে এগুলো বিক্রি করেছিলেন। যদি আগে থেকেই জানতাম যে এগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার গাছ, তবে আমি কখনোই এগুলো কিনতাম না।

নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম ওরফে কিরন বলেন, সরকারি আইন অনুযায়ী আমার এই গাছগুলো বিক্রি করা ঠিক হয়নি। তবে এই জায়গাটি আমাদের বাড়ির সামনে অবস্থিত এবং রেন্ট্রি গাছগুলো প্রায় ৩০ বছর আগে আমার বাবা লাগিয়েছিলেন। তাই পারিবারিকভাবেই আমরা গাছগুলো বিক্রি করে দিয়েছি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে যখন এই জায়গা চাওয়া হবে, আমরা তা ছেড়ে দেব।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা থেকে গাছ কাটার বিষয়ে কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন সংস্থাটির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী গোকুল চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি থেকে গাছ কাটার জন্য কেউ কোনো অনুমতি নেননি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।