লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গা থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়াই ১০ থেকে ১২টি রেন্ট্রি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম ওরফে কিরনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ২ থেকে ৩ লাখ টাকা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি নথি অনুযায়ী, রায়পুর উপজেলার বগা-রাখালিয়া মৌজার ১৯৯০ নম্বর সাবেক দাগে বোর্ডের ০.৩৪ একর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ০.২০ একর ভিটি, ০.১০ একর বাগান এবং ০.০৪ একর নাল শ্রেণিভুক্ত জমি হিসেবে নথিবদ্ধ আছে। এই সরকারি জমির ওপর থাকা মূল্যবান গাছগুলো সম্প্রতি কেটে ফেলা হয়।
সরকারি জমিতে গাছ বিক্রির বিষয়ে ক্রেতা মঞ্জু বলেন, মোরশেদ আলম নিজের গাছ দাবি করেই আমার কাছে এগুলো বিক্রি করেছিলেন। যদি আগে থেকেই জানতাম যে এগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গার গাছ, তবে আমি কখনোই এগুলো কিনতাম না।
নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম ওরফে কিরন বলেন, সরকারি আইন অনুযায়ী আমার এই গাছগুলো বিক্রি করা ঠিক হয়নি। তবে এই জায়গাটি আমাদের বাড়ির সামনে অবস্থিত এবং রেন্ট্রি গাছগুলো প্রায় ৩০ বছর আগে আমার বাবা লাগিয়েছিলেন। তাই পারিবারিকভাবেই আমরা গাছগুলো বিক্রি করে দিয়েছি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে যখন এই জায়গা চাওয়া হবে, আমরা তা ছেড়ে দেব।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা থেকে গাছ কাটার বিষয়ে কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন সংস্থাটির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী গোকুল চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি থেকে গাছ কাটার জন্য কেউ কোনো অনুমতি নেননি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















