ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, নিহত বেড়ে ৬৪ পঞ্চগড়ের ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ফাঁস, অভিযুক্ত ৩ কর্মচারী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে হবে, বিকল্প নেই: সালাহউদ্দিন জয়-পুতুলসহ ৮ জনের মামলায় সিআরআইয়ের কর নথি জব্দের নির্দেশ সিসিকে দুর্নীতির মহোৎসব, শত কোটি টাকার লুটপাটে জড়িত ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী! মাদকমুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে মৌলভীবাজারে শিক্ষক প্রশিক্ষণ পপুলার ডায়াগনস্টিকে অনুমোদিত প্রযুক্তিতে ফাইব্রোস্ক্যান সেবা চালুর উদ্যোগ রামপালে বিশেষ অভিযানে চুরি মামলার আসামি গ্রেপ্তার, চোরাই মালামাল উদ্ধার জাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১০ জানুয়ারি, চলবে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত তারাগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু, প্রতিভা অন্বেষণে মাঠে শিশুরা

মুকসুদপুরের শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাতাবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করলেন সাবেক শিক্ষিকা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক সাবেক সহকারী শিক্ষিকাকে (৩৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে আদালতের নির্দেশে ২০ অক্টোবর গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

মামলার বাদী ওই নারী মুকসুদপুর উপজেলার ঝুটিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা। তিনি প্রায় ৫ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। কি কারণে চাকরি ছেড়েছেন তা জানা যায়নি। ওই শিক্ষিকার স্বামী এবং সংসার রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত এস এম মাহাতাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ডুবশি গ্রামের এস এম আকবার হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে মাহাতাব উদ্দিনের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাহাতাব উদ্দিন শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই নারী বিয়ের শর্ত দেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন মাহাতাব উদ্দিন। সেখানে গিয়ে ওই নারী বাড়িতে কাউকে দেখতে পাননি। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাহাতাব উদ্দিন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরের দিন তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মাহাতাব উদ্দিন ওই নারীর বাবার বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন।

সর্বশেষ গত ২ অক্টোবর ওই নারী বিয়ের বিষয় চূড়ান্ত করতে চাইলে মাহাতাব উদ্দিন তাদের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেন। পরে নিরুপায় হয়ে ওই নারী আদালতে গিয়ে মামলা করেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বক্তব্য নিতে তার মোবাইলে কল দিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘আমি মাহাতাব নই। তিনি ফোন রেখে বাইরে গেছেন।’

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, নিহত বেড়ে ৬৪

মুকসুদপুরের শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাতাবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করলেন সাবেক শিক্ষিকা

আপডেট সময় ০৪:২৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক সাবেক সহকারী শিক্ষিকাকে (৩৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে আদালতের নির্দেশে ২০ অক্টোবর গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

মামলার বাদী ওই নারী মুকসুদপুর উপজেলার ঝুটিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা। তিনি প্রায় ৫ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। কি কারণে চাকরি ছেড়েছেন তা জানা যায়নি। ওই শিক্ষিকার স্বামী এবং সংসার রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত এস এম মাহাতাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ডুবশি গ্রামের এস এম আকবার হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে মাহাতাব উদ্দিনের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাহাতাব উদ্দিন শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই নারী বিয়ের শর্ত দেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন মাহাতাব উদ্দিন। সেখানে গিয়ে ওই নারী বাড়িতে কাউকে দেখতে পাননি। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাহাতাব উদ্দিন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরের দিন তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মাহাতাব উদ্দিন ওই নারীর বাবার বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন।

সর্বশেষ গত ২ অক্টোবর ওই নারী বিয়ের বিষয় চূড়ান্ত করতে চাইলে মাহাতাব উদ্দিন তাদের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেন। পরে নিরুপায় হয়ে ওই নারী আদালতে গিয়ে মামলা করেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বক্তব্য নিতে তার মোবাইলে কল দিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘আমি মাহাতাব নই। তিনি ফোন রেখে বাইরে গেছেন।’

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।