ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুঃখের কথা শুনেই সহায়তার হাত বাড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, যুবদল নেতা আল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে টোলের নামে চাঁদাবাজি, ক্ষুব্ধ পর্যটক ও যাত্রীরা ১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ভোটার স্থানান্তরের আবেদনের সময় বাড়ল ১ নভেম্বর পর্যন্ত উখিয়ায় এসআই কিবরিয়াসহ ৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ১ লাখ ইয়াবা ও পিস্তল গায়েবের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বদলে ‘কম ক্ষতিকর’ প্রধানমন্ত্রী চান গাজাবাসী বরগুনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত কুড়িগ্রামে ২ কোটি টাকার খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

ফরিদপুরে একাধিক মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৭ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ

ফরিদপুরে একাধিক মামলায় দণ্ডিত সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে এবার সাত লাখ টাকা পাওনা পরিশোধের জন্য চেক প্রদান করলেও ব্যাংক হিসাবে টাকা না থাকাসহ চেক ডিজঅনার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পাওনা টাকা আদায়ে ফরিদপুর জজকোর্টের আইনজীবীর মাধ্যমে ইতিমধ্যে একটি পত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

 

 

লিগ্যাল নোটিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদরের শেখ ফয়েজ আহমেদের পক্ষে বিজ্ঞ আইনজীবী মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবিব শেখ) নোটিশটি পাঠান। নোটিশের প্রাপক সৈয়দ নজমুল আলম পারভেজ, পিতা-মৃত নজরুল আলম, সাং-রঘুনন্দনপুর, কোতয়ালী, ফরিদপুর।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নোটিশ প্রেরকের পাওনা সাত লাখ টাকা পরিশোধের জন্য গত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জনতা ব্যাংক লিমিটেডের গোয়ালচামট শাখার একটি চেক প্রদান করেন সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ। চেকটি নগদায়নের জন্য দি প্রিমিয়ার ব্যাংক, ফরিদপুর শাখায় জমা দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে তা ফেরত আসে। নোটিশ অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘হিসাবটি বন্ধ হয়েছে’ উল্লেখ করে চেকটি ডিজঅনার করা হয়।

এ অবস্থায় লিগ্যাল নোটিশে নোটিশ প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে পাওনা সাত লাখ টাকা পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের মোবাইলে ও তাঁর ঠিকানায় যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ তাঁর একাধিক ব্যবসায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ধার ও ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন যাবৎ পালিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলার রায়ে দণ্ডিত হলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে বাইরের জেলা থেকে আটক করে কোতয়ালী পুলিশে সোপর্দ করেন এবং একাধিক মামলায় কারাগারে আটক থেকে পরে জামিনে বের হয়ে পুনরায় প্রতারণামূলক কাজে জড়িত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুঃখের কথা শুনেই সহায়তার হাত বাড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ

ফরিদপুরে একাধিক মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৭ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ

আপডেট সময় ০৩:২৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদপুরে একাধিক মামলায় দণ্ডিত সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে এবার সাত লাখ টাকা পাওনা পরিশোধের জন্য চেক প্রদান করলেও ব্যাংক হিসাবে টাকা না থাকাসহ চেক ডিজঅনার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পাওনা টাকা আদায়ে ফরিদপুর জজকোর্টের আইনজীবীর মাধ্যমে ইতিমধ্যে একটি পত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

 

 

লিগ্যাল নোটিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদরের শেখ ফয়েজ আহমেদের পক্ষে বিজ্ঞ আইনজীবী মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবিব শেখ) নোটিশটি পাঠান। নোটিশের প্রাপক সৈয়দ নজমুল আলম পারভেজ, পিতা-মৃত নজরুল আলম, সাং-রঘুনন্দনপুর, কোতয়ালী, ফরিদপুর।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নোটিশ প্রেরকের পাওনা সাত লাখ টাকা পরিশোধের জন্য গত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জনতা ব্যাংক লিমিটেডের গোয়ালচামট শাখার একটি চেক প্রদান করেন সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ। চেকটি নগদায়নের জন্য দি প্রিমিয়ার ব্যাংক, ফরিদপুর শাখায় জমা দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে তা ফেরত আসে। নোটিশ অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘হিসাবটি বন্ধ হয়েছে’ উল্লেখ করে চেকটি ডিজঅনার করা হয়।

এ অবস্থায় লিগ্যাল নোটিশে নোটিশ প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে পাওনা সাত লাখ টাকা পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের মোবাইলে ও তাঁর ঠিকানায় যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ তাঁর একাধিক ব্যবসায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ধার ও ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন যাবৎ পালিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

ফরিদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলার রায়ে দণ্ডিত হলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে বাইরের জেলা থেকে আটক করে কোতয়ালী পুলিশে সোপর্দ করেন এবং একাধিক মামলায় কারাগারে আটক থেকে পরে জামিনে বের হয়ে পুনরায় প্রতারণামূলক কাজে জড়িত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।