ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হয়রানির প্রতিবাদে দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা মেহেরপুরে ঘুমন্ত বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক স্বর্ণ চোরাচালানবিরোধী অভিযানে আটক ১, উদ্ধার ৪ বার পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান আত্রাইয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান মেহেরপুরের রাজনগরে গোল্ডেন লাইন বাসের চাপায় প্রথম শ্রেণির ছাত্র ফাহিম নিহত পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে নির্বাচনি সহিংসতায় ৯০ জনের মৃত্যু, জবাব চান স্বজনেরা উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে বাসায় হামলা চালানো হয়: জি এম কাদের যন্তর মন্তরে মিছিল-সমাবেশ বন্ধ, বিকল্প তিন স্থান নির্ধারণ

টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান

‘কন্যা করবে বিশ্বজয়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রথমে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যাশিশুর বিজয়’—এমন স্লোগানের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা তুলে ধরা হয়।

পরে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষ ‘বজ্রকণ্ঠে’ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দিদারুল আলম। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী।

অনুষ্ঠানে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা, শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে মেয়েশিশুর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতার ‘ক’ ও ‘খ’—এই দুই বিভাগে তিনজন করে মোট ছয়জন বিজয়ী শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আয়োজকেরা বলেন, কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কন্যাশিশুর যথাযথ বিকাশ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হয়রানির প্রতিবাদে দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৬ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান

আপডেট সময় ০৫:১৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

‘কন্যা করবে বিশ্বজয়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রথমে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যাশিশুর বিজয়’—এমন স্লোগানের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা তুলে ধরা হয়।

পরে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষ ‘বজ্রকণ্ঠে’ আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দিদারুল আলম। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী।

অনুষ্ঠানে কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষা, শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সমাজের সর্বক্ষেত্রে মেয়েশিশুর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রতিযোগিতার ‘ক’ ও ‘খ’—এই দুই বিভাগে তিনজন করে মোট ছয়জন বিজয়ী শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আয়োজকেরা বলেন, কন্যাশিশুর জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কন্যাশিশুর যথাযথ বিকাশ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।