ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অনিয়মের অভিযোগে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী প্রবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ অভিযোগের পরও বহাল, বদলির প্রস্তাবেও সরছেন না চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান ফরিদগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসে সিন্ডিকেটের দাপট, প্রতি দলিলে ১ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ গাজীপুরে ৪০৮ একর বন দখলের নেপথ্যে বনেরই ৩ কর্মকর্তা ভিডিও ভাইরাল লক্ষ্মীপুর পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমিনের বিআরটিসির ডিপো ব্যবস্থাপক আওয়ামী দোসর কামরুজ্জামানের কোটি টাকার অনিয়ম সেনবাগে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার প্রাথমিকের বঞ্চিতরা ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, প্রিজন ভ্যানের ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত মিস্টার ফাইভ পারসেন্ট’ আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ

অনিয়মের অভিযোগে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী প্রবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হাদী গত ১০ সেপ্টেম্বর এ নোটিশ দেন। নোটিশটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রবীর কুমার গোস্বামী এর আগে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরবর্তীতে সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসব দায়িত্বে থাকাকালে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারদলীয় লোকজনকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও অভিযোগ করা হয়, কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের অর্থ ব্যয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবীর কুমার গোস্বামীর কথিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে।

নোটিশে আরও দাবি করা হয়, বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন ‘মনগড়া’ প্রকল্প অনুমোদনের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া নোটিশে উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রবীর কুমার গোস্বামী ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেন।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যয়ের পাশাপাশি সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের জন্য নোটিশে অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে কারণ দর্শানোর নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনিয়মের অভিযোগে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী প্রবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

অনিয়মের অভিযোগে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী প্রবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

আপডেট সময় ০২:৩২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হাদী গত ১০ সেপ্টেম্বর এ নোটিশ দেন। নোটিশটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রবীর কুমার গোস্বামী এর আগে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরবর্তীতে সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসব দায়িত্বে থাকাকালে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারদলীয় লোকজনকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও অভিযোগ করা হয়, কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের অর্থ ব্যয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবীর কুমার গোস্বামীর কথিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে।

নোটিশে আরও দাবি করা হয়, বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন ‘মনগড়া’ প্রকল্প অনুমোদনের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া নোটিশে উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রবীর কুমার গোস্বামী ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেন।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যয়ের পাশাপাশি সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের জন্য নোটিশে অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে কারণ দর্শানোর নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।