ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নওগাঁর রানীনগর সড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুই ‘হাঁসুয়া বাহিনীর’ সদস্য গ্রেপ্তার বছরজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক মিথ্যা অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদকে সাময়িক বরখাস্ত কবর থেকে তোলা হবে গণপিটুনিতে নিহত চাঁদপুরের সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ এলিফ্যান্ট রোডে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান হাইকোর্টে সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন ছুটি শেষে কর্মস্থলে না ফেরায় ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বরখাস্ত সহজে মিলবে বৈদেশিক মুদ্রা, বাড়বে বাণিজ্যে অর্থায়নের সুযোগ

নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, গণহত্যায় জড়িত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর একটি মহল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অপচেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘খুনি হাসিনা পালিয়ে গেছে, তার নেতাকর্মীরাও পালিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহন ও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এখন কারা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং সেখান থেকে অর্জিত অর্থ নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সেটি এখন আমাদের ভেবে দেখার সময় চলে এসেছে।’

বিরোধী দলের প্রসঙ্গ তুলে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজকে আমাদের যারা বিরোধীদলের অবস্থানে রয়েছে, ’৭১-এ যারা বাংলাদেশকে অস্বীকার করেছিল, সেই ঘাতক-দালাল-রাজাকাররা বাংলাদেশ চায় নাই। কিন্তু যেহেতু জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিরোধী দলের আসন গ্রহণ করেছে, আমরা তাদের ততটুকু সম্মান দিতে চাই।

তিনি বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করবেন, তারা লং মার্চের নামে গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা করছে। কিন্তু কোথাও এই ফ্যাসিবাদী খুনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো বক্তব্য তাদের মঞ্চ থেকে আসে নাই।

তিনি বলেন, ‘একদিকে যারা বিরোধীদল, তারা আমাদের পতনের জন্য আন্দোলন করছে বলে তারা বলে। অন্যদিকে পলাতক খুনি স্বৈরাচারী হাসিনা দিল্লিতে বসে নাশকতার মাধ্যমে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রকে, আমাদের সরকারকে অস্থিতিশীল করে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে। তাহলে কি এটা প্রমাণ হয় না, তাদের মধ্যে একটা যোগসাজশ হতে পারে? আমি মনে করি, এটা হতে পারে এবং এটা হলে অবাক হওয়ার কোনো কিছু থাকবে না।’

এ সময় আর উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁর রানীনগর সড়কে ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুই ‘হাঁসুয়া বাহিনীর’ সদস্য গ্রেপ্তার

নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, গণহত্যায় জড়িত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর একটি মহল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অপচেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘খুনি হাসিনা পালিয়ে গেছে, তার নেতাকর্মীরাও পালিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহন ও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এখন কারা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং সেখান থেকে অর্জিত অর্থ নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সেটি এখন আমাদের ভেবে দেখার সময় চলে এসেছে।’

বিরোধী দলের প্রসঙ্গ তুলে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজকে আমাদের যারা বিরোধীদলের অবস্থানে রয়েছে, ’৭১-এ যারা বাংলাদেশকে অস্বীকার করেছিল, সেই ঘাতক-দালাল-রাজাকাররা বাংলাদেশ চায় নাই। কিন্তু যেহেতু জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিরোধী দলের আসন গ্রহণ করেছে, আমরা তাদের ততটুকু সম্মান দিতে চাই।

তিনি বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করবেন, তারা লং মার্চের নামে গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা করছে। কিন্তু কোথাও এই ফ্যাসিবাদী খুনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো বক্তব্য তাদের মঞ্চ থেকে আসে নাই।

তিনি বলেন, ‘একদিকে যারা বিরোধীদল, তারা আমাদের পতনের জন্য আন্দোলন করছে বলে তারা বলে। অন্যদিকে পলাতক খুনি স্বৈরাচারী হাসিনা দিল্লিতে বসে নাশকতার মাধ্যমে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রকে, আমাদের সরকারকে অস্থিতিশীল করে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে। তাহলে কি এটা প্রমাণ হয় না, তাদের মধ্যে একটা যোগসাজশ হতে পারে? আমি মনে করি, এটা হতে পারে এবং এটা হলে অবাক হওয়ার কোনো কিছু থাকবে না।’

এ সময় আর উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।