ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিয়ানমারের সঙ্গে ড্র করে এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় বাংলাদেশ মলির ডেস্কেই আটকে রাজউকের ফাইল, অভিযোগের কেন্দ্রে দুই কর্মচারী স্বাস্থ্যখাতের ওপর সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইমরান খানের তিন বোন আটক, উত্তপ্ত পাকিস্তানের রাজনীতি জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী লঘুচাপের প্রভাবে সারা দেশে ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস সাতক্ষীরার এমপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর মূল হোতা শ্যালক ওবায়দুর: মরিয়মের বাবা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাংলাদেশি নৌ-সদস্যের মৃত্যু অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী বাগেরহাটের রামপালে এসআরবির অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারকে অনেকটা বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত।

তিনি বলেছেন, চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে যেভাবে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই সংকট প্রতিদিন যে নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে—তাতে সরকারের পক্ষে এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।

সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি শুধু জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে চাই, তাহলে সরকারের চলমান সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম ভীষণভাবে বিঘ্নিত হবে।

তিনি বলেন, বছরে আমাদের ৭০ লাখ মেট্রিক টন তেল আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের মূল্য ২০৫ টাকা প্রতি লিটার। মূল্য বৃদ্ধির আগে ডিজেলের মূল্য ছিল ১১৫ টাকা প্রতি লিটার। ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল প্রতি লিটারে ৯০ টাকা। দাম বৃদ্ধির পরও ডিজেলে প্রতি লিটারে ৭০ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। দাম না বাড়ানো হলে বছরে সরকারকে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতো।

তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা আমাদের রিজার্ভের প্রধান খাত। সেই বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয় করা জ্বালানি তেল প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার একটি বড় ঝুঁকির মুখে আমরা পড়েছিলাম। সে কারণে সরকারকে এই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। আশা করি, জনগণ এটি বুঝতে সক্ষম হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের সঙ্গে ড্র করে এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় বাংলাদেশ

জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারকে অনেকটা বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত।

তিনি বলেছেন, চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে যেভাবে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই সংকট প্রতিদিন যে নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে—তাতে সরকারের পক্ষে এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।

সোমবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি শুধু জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে চাই, তাহলে সরকারের চলমান সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম ভীষণভাবে বিঘ্নিত হবে।

তিনি বলেন, বছরে আমাদের ৭০ লাখ মেট্রিক টন তেল আমদানি করতে হয়। এর মধ্যে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের মূল্য ২০৫ টাকা প্রতি লিটার। মূল্য বৃদ্ধির আগে ডিজেলের মূল্য ছিল ১১৫ টাকা প্রতি লিটার। ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল প্রতি লিটারে ৯০ টাকা। দাম বৃদ্ধির পরও ডিজেলে প্রতি লিটারে ৭০ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। দাম না বাড়ানো হলে বছরে সরকারকে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতো।

তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা আমাদের রিজার্ভের প্রধান খাত। সেই বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয় করা জ্বালানি তেল প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার একটি বড় ঝুঁকির মুখে আমরা পড়েছিলাম। সে কারণে সরকারকে এই জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। আশা করি, জনগণ এটি বুঝতে সক্ষম হবে।