ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত মুজিব হত্যাকারীকে হস্তান্তর, জুলাই হ’ত্যা’কারীদের কেন নয়: ভারতকে রিজভী তাড়াইলে ১০ দিন ধরে কিশোর তামিম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন, সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় ঘর সরাচ্ছেন বাসিন্দারা চার অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত নতুন পে-স্কেলে গ্রেডভেদে বাড়ছে চিকিৎসা, যাতায়াত ও মোবাইল ভাতা সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস জবাবদিহির জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডিজিটাল হাজিরা নিশ্চিতের নির্দেশ জাপানে শতবর্ষীর সংখ্যা রেকর্ড, দীর্ঘ জীবনের রহস্য কী

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন, সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় ঘর সরাচ্ছেন বাসিন্দারা

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন দেখা দিয়েছে নদীতীরবর্তী এলাকায়। ভাঙন এগিয়ে আসায় বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন লক্ষ্মীটারি ইউনিয়নের জয়রাম ওঝা চল্লিশসাল গ্রামের বাসিন্দারা। ঝুঁকিতে থাকা কয়েকটি পরিবার ইতিমধ্যে নিজেদের ঘরবাড়ি খুলে মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি বাড়িতে ব্যস্ততা। কোথাও ঘরের টিন খুলে নেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। নদীর তীর ঘেঁষা এলাকায় তিস্তার স্রোতে পাড় ভাঙছে। এতে বসতভিটার পাশাপাশি ফসলি জমিও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল মিয়া বলেন, ‘নদী যেভাবে ভাঙছে, তাতে কখন বাড়িঘর নদীতে চলে যায়, বলা যায় না। বাধ্য হয়ে ঘরসহ জিনিসপত্র সরিয়ে নিচ্ছি। আমাদের ফসলি জমিও ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বাড়িঘর ও জমি নদীগর্ভে চলে যাবে।’

লক্ষ্মীটারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, জয়রাম ওঝা চল্লিশসাল এলাকায় তিস্তার ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ভাঙনের আশঙ্কায় কয়েকটি পরিবার ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলা ও পাইলিংয়ের কাজ শুরু করা প্রয়োজন।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, তিস্তার ভাঙনের বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁরা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা এবং পাইলিংয়ের কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন, সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় ঘর সরাচ্ছেন বাসিন্দারা

আপডেট সময় ১২:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙন দেখা দিয়েছে নদীতীরবর্তী এলাকায়। ভাঙন এগিয়ে আসায় বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন লক্ষ্মীটারি ইউনিয়নের জয়রাম ওঝা চল্লিশসাল গ্রামের বাসিন্দারা। ঝুঁকিতে থাকা কয়েকটি পরিবার ইতিমধ্যে নিজেদের ঘরবাড়ি খুলে মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি বাড়িতে ব্যস্ততা। কোথাও ঘরের টিন খুলে নেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। নদীর তীর ঘেঁষা এলাকায় তিস্তার স্রোতে পাড় ভাঙছে। এতে বসতভিটার পাশাপাশি ফসলি জমিও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল মিয়া বলেন, ‘নদী যেভাবে ভাঙছে, তাতে কখন বাড়িঘর নদীতে চলে যায়, বলা যায় না। বাধ্য হয়ে ঘরসহ জিনিসপত্র সরিয়ে নিচ্ছি। আমাদের ফসলি জমিও ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বাড়িঘর ও জমি নদীগর্ভে চলে যাবে।’

লক্ষ্মীটারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, জয়রাম ওঝা চল্লিশসাল এলাকায় তিস্তার ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ভাঙনের আশঙ্কায় কয়েকটি পরিবার ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলা ও পাইলিংয়ের কাজ শুরু করা প্রয়োজন।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, তিস্তার ভাঙনের বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁরা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা এবং পাইলিংয়ের কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।