ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাবেক এমপি শাওনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক সংশোধিত ইউপি নির্বাচন বিধিমালা চূড়ান্ত, হুমকি-ভয় দেখালে শাস্তি পণ্য খালাসে সময় ও খরচ কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর ফরিদপুরে জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন, যাতায়াতে সময় বাঁচবে ৪০ মিনিট ডলার ছাড়াই টাকায় আমদানি-রপ্তানির অর্থ পরিশোধের সুযোগ মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ইউকের নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনায় ৩ লাল কার্ড দেখা একমাত্র দল আর্জেন্টিনা

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৫৯১ বার পড়া হয়েছে

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ হাতছাড়ার বেদনায় পুড়ছে আর্জেন্টিনা। তবে কেবল শিরোপা হারানোই নয়, ফাইনালের শেষ মুহূর্তের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসেও কালিমালিপ্ত হলো আলবিসেলেস্তেদের নাম।

খেলার অন্তিম মুহূর্তে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দেশ হিসেবে ফাইনালে তিনটি লাল কার্ড দেখার বাজে রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা।
ক্রীড়া বিষয়ক সাময়িকী ‘স্পোর্টস মোল’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তেতো পরিসংখ্যানের কথা।

ম্যাচে রেফারি স্ল্যাভকো ভিনচিচকে অশ্রদ্ধা প্রকাশ করায় প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেন চেলসি মিডফিল্ডার এনজো। এরপর ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে অপ্রয়োজনীয় এক ফাউল করে বসে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখেন তিনি।

যখন টাইব্রেকারে ম্যাচ নেওয়ার শেষ চেষ্টা চালাচ্ছিল লিওনেল স্কালোনির দল, ঠিক তখনই এনজোর এই ভুল ১০ জনের দলে পরিণত করে আর্জেন্টিনাকে।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় ১০৬তম মিনিটে। স্প্যানিশ উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের চমৎকার নকডাউন থেকে গোলকিপারকে পরাস্ত করে ম্যাচের জয়সূচক গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। পুরো ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও রাখতে না পারা আর্জেন্টিনা আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে লাল কার্ড পাওয়ার মিছিলে এনজো অনুসরণ করলেন তারই দুই পূর্বসূরি পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাভো দেজোত্তিকে। ১৯৯০ সালের রোম ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ ব্যবধানে হারের সেই বিষাদময় রাতে লাল কার্ড পেয়েছিলেন তাঁরা দুজন। বিশ্বকাপের কোনো একক ফাইনালে একই দলের দুজন ফুটবলারের বহিষ্কৃত হওয়ার একমাত্র ঘটনা সেটিই।

রবিবারের এই ঘটনার আগে ফাইনালের মঞ্চে সর্বোচ্চ দুটি লাল কার্ড নিয়ে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা যৌথভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই তালিকার শীর্ষে ছিল। ফরাসিদের হয়ে ১৯৯৮ সালে মার্সেল দেসাই এবং ২০০৬-এর ঐতিহাসিক ফাইনালে মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুঁস মেরে জিনেদিন জিদান লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন।

তবে এবার এনজোর লাল কার্ডের পর এককভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড নিজেদের করে নিল আর্জেন্টিনা।
এই পরাজয় বিশ্বমঞ্চে আলবিসেলেস্তেদের রানার্সআপ হওয়ার বেদনাময় ইতিহাসকে আরও দীর্ঘায়িত করল। ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালের ফাইনাল হারার পর এবার তাদের ঝুলিতে জমা হলো চতুর্থ রানার্সআপ ট্রফি। ফলে জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ ফাইনাল হারার হতাশাজনক রেকর্ডেরও ভাগীদার এখন তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি শাওনসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনায় ৩ লাল কার্ড দেখা একমাত্র দল আর্জেন্টিনা

আপডেট সময় ০৩:৩১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ হাতছাড়ার বেদনায় পুড়ছে আর্জেন্টিনা। তবে কেবল শিরোপা হারানোই নয়, ফাইনালের শেষ মুহূর্তের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসেও কালিমালিপ্ত হলো আলবিসেলেস্তেদের নাম।

খেলার অন্তিম মুহূর্তে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দেশ হিসেবে ফাইনালে তিনটি লাল কার্ড দেখার বাজে রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা।
ক্রীড়া বিষয়ক সাময়িকী ‘স্পোর্টস মোল’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তেতো পরিসংখ্যানের কথা।

ম্যাচে রেফারি স্ল্যাভকো ভিনচিচকে অশ্রদ্ধা প্রকাশ করায় প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেন চেলসি মিডফিল্ডার এনজো। এরপর ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ের তিন মিনিটে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সিকে অপ্রয়োজনীয় এক ফাউল করে বসে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখেন তিনি।

যখন টাইব্রেকারে ম্যাচ নেওয়ার শেষ চেষ্টা চালাচ্ছিল লিওনেল স্কালোনির দল, ঠিক তখনই এনজোর এই ভুল ১০ জনের দলে পরিণত করে আর্জেন্টিনাকে।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় ১০৬তম মিনিটে। স্প্যানিশ উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামসের চমৎকার নকডাউন থেকে গোলকিপারকে পরাস্ত করে ম্যাচের জয়সূচক গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। পুরো ৯০ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও রাখতে না পারা আর্জেন্টিনা আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে লাল কার্ড পাওয়ার মিছিলে এনজো অনুসরণ করলেন তারই দুই পূর্বসূরি পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাভো দেজোত্তিকে। ১৯৯০ সালের রোম ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ ব্যবধানে হারের সেই বিষাদময় রাতে লাল কার্ড পেয়েছিলেন তাঁরা দুজন। বিশ্বকাপের কোনো একক ফাইনালে একই দলের দুজন ফুটবলারের বহিষ্কৃত হওয়ার একমাত্র ঘটনা সেটিই।

রবিবারের এই ঘটনার আগে ফাইনালের মঞ্চে সর্বোচ্চ দুটি লাল কার্ড নিয়ে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা যৌথভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই তালিকার শীর্ষে ছিল। ফরাসিদের হয়ে ১৯৯৮ সালে মার্সেল দেসাই এবং ২০০৬-এর ঐতিহাসিক ফাইনালে মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুঁস মেরে জিনেদিন জিদান লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন।

তবে এবার এনজোর লাল কার্ডের পর এককভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড নিজেদের করে নিল আর্জেন্টিনা।
এই পরাজয় বিশ্বমঞ্চে আলবিসেলেস্তেদের রানার্সআপ হওয়ার বেদনাময় ইতিহাসকে আরও দীর্ঘায়িত করল। ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালের ফাইনাল হারার পর এবার তাদের ঝুলিতে জমা হলো চতুর্থ রানার্সআপ ট্রফি। ফলে জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ ফাইনাল হারার হতাশাজনক রেকর্ডেরও ভাগীদার এখন তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।