ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ৭০ জন ককরোচ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ (২১ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তদন্ত এবং ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ৬ জুন থেকে আন্দোলন করছে অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২০ জুলাই) যন্তর মন্তর থেকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি ছিল তাদের।
পুলিশ জানায়, কর্মসূচি শুরুর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ হালকা লাঠিচার্জও করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এর কিছুক্ষণ পর আবারও যন্তর মন্তর এলাকায় জড়ো হয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ও পাথর নিক্ষেপ করেন, ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা চালান এবং সরকারি যানবাহন ও সম্পদের ক্ষতি করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছিল বলেও দাবি পুলিশের।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আহত ১১৮ জনের মধ্যে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে বিশেষ পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্যও আছেন।
তবে পুলিশের লাঠিচার্জে বিক্ষোভকারীরাও আহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও, অন্যরা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























