ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিখোঁজের একদিন পর পায়রা নদীতে মিলল জুঁইয়ের মরদেহ আমিরাতে বাংলাদেশিদের ভিসা বাতিলের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী শেখ মুজিবকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ায় কলেজ শিক্ষক বরখাস্ত মাদক ব্যবসার অভিযোগে দারাজের বিরুদ্ধে মামলা নারকোটিক্সের সার্কে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায় বাংলাদেশ মামলা প্রত্যাহার না করলে মিলবে না নীতি সহায়তা জ্বালানি সংকট দূর করতে নেওয়া হচ্ছে তিন পরিকল্পনা: সেতুমন্ত্রী এসএসসি-এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে আসছে নতুন নীতিমালা বড়পুকুরিয়ায় কয়লাখনির ১৬৮ শ্রমিককে পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
( প্রথম পর্ব )

গুলশানে স্পা, র অন্তরালে ,,বাহার , ম্যানেজার রানা, সুমন, ব্ল্যাকমেলই সহ মাদক বাণিজ্য নারী দিয়ে ফাঁদ

রাজধানীর গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনের কূটনীতিকপাড়া। স্পার অন্তরালে বাহার, ম্যানেজার রানা ও সুমন গুলশান-২, রোড নং-৯৯, হাউস নং-৩৩/এ, লিফট-৬-এর একটি স্পা সেন্টারে নানা নামে-বেনামে তরুণ-তরুণী দিয়ে জমজমাট মাদক ও ব্ল্যাকমেইলের রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ। সেখানে ভয়ংকর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবক্ষয়ের কারণে অনেকটা প্রকাশ্যেই নীতিহীন, ঘৃণ্য জিনা-ব্যভিচার ও মাদকাসক্তির বিস্তার ঘটছে। প্রতিনিয়ত বাহারের এখান থেকে মাদক সরবরাহ হয় বলেও অভিযোগ। কীভাবে স্থানীয় থানা পুলিশের নাকের ডগায় এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে, তা সকলের বোধগম্য নয়।

তবুও এক শ্রেণির অর্থলোভী দালালদের মধ্যে বাহার, ম্যানেজার রানা ও সুমনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা নারীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফিল্মি স্টাইলে ব্ল্যাকমেইল করে দেহব্যবসায় বাধ্য করছেন। তাদের টার্গেট বিত্তবান ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানরা। অল্পবয়সী নারী দিয়ে ফাঁদ পেতে সুযোগ হাসিল করছে বলেও অভিযোগ। অনুসন্ধানে জানা যায়, গুলশান-২, রোড নং-৯৯, হাউস নং-৩৩/এ-এ অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে দেহব্যবসা চালিয়ে আসছে। বাহার, ম্যানেজার রানা ও সুমন অপরাধজগতের মাফিয়া ডন নামে পরিচিত এবং বিএনপির একজন সহচর বলে পরিচয় দেন। আবার তিনি নিজেকে যুগান্তরের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন, যদিও তার কোনো কার্ড নেই। এছাড়া একটি ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে বাড়ি ভাড়া করে বিউটি পার্লার অথবা হেয়ার কাটিংয়ের আড়ালে দেদারসে মাদক বিক্রি ও পতিতাবৃত্তির যৌন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। পূর্বের তুলনায় এ বছর গুলশান-২ এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে এ ধরনের বহু ফ্ল্যাট।

স্বনামধন্য আবাসিক এলাকা এখন পতিতাপল্লীতে পরিণত হয়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর গুলশানে স্পা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এ ধরনের অবৈধ স্পা প্রতিষ্ঠানে জড়িয়ে পড়ছে স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও তরুণ-তরুণীরা। এই অপরাধমূলক ব্যবসা ধরে রাখতে কেউ নিজেকে ডিআইজির চাচাতো ভাই, ওসির খালাতো ভাই, কেউ পুলিশ কর্মকর্তার বন্ধু, সাংবাদিকের বন্ধু, এমনকি স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ। দীর্ঘ অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম ভিন্ন ধরনের। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে কার্যক্রম চালায়, যেন কানামাছি খেলা। ডিজিটাল কৌশল কাজে লাগিয়ে নামিদামি ব্র্যান্ডের সিসি ক্যামেরাও লাগিয়েছেন প্রতিষ্ঠানে।

এই বিষয়ে গুলশান থানার ওসিকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন, থানায় জিডি করতে।

অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের (দ্বিতীয় পর্ব)

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের একদিন পর পায়রা নদীতে মিলল জুঁইয়ের মরদেহ

( প্রথম পর্ব )

গুলশানে স্পা, র অন্তরালে ,,বাহার , ম্যানেজার রানা, সুমন, ব্ল্যাকমেলই সহ মাদক বাণিজ্য নারী দিয়ে ফাঁদ

আপডেট সময় ০৩:১২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনের কূটনীতিকপাড়া। স্পার অন্তরালে বাহার, ম্যানেজার রানা ও সুমন গুলশান-২, রোড নং-৯৯, হাউস নং-৩৩/এ, লিফট-৬-এর একটি স্পা সেন্টারে নানা নামে-বেনামে তরুণ-তরুণী দিয়ে জমজমাট মাদক ও ব্ল্যাকমেইলের রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ। সেখানে ভয়ংকর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবক্ষয়ের কারণে অনেকটা প্রকাশ্যেই নীতিহীন, ঘৃণ্য জিনা-ব্যভিচার ও মাদকাসক্তির বিস্তার ঘটছে। প্রতিনিয়ত বাহারের এখান থেকে মাদক সরবরাহ হয় বলেও অভিযোগ। কীভাবে স্থানীয় থানা পুলিশের নাকের ডগায় এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে, তা সকলের বোধগম্য নয়।

তবুও এক শ্রেণির অর্থলোভী দালালদের মধ্যে বাহার, ম্যানেজার রানা ও সুমনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা নারীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফিল্মি স্টাইলে ব্ল্যাকমেইল করে দেহব্যবসায় বাধ্য করছেন। তাদের টার্গেট বিত্তবান ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানরা। অল্পবয়সী নারী দিয়ে ফাঁদ পেতে সুযোগ হাসিল করছে বলেও অভিযোগ। অনুসন্ধানে জানা যায়, গুলশান-২, রোড নং-৯৯, হাউস নং-৩৩/এ-এ অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়ে দেহব্যবসা চালিয়ে আসছে। বাহার, ম্যানেজার রানা ও সুমন অপরাধজগতের মাফিয়া ডন নামে পরিচিত এবং বিএনপির একজন সহচর বলে পরিচয় দেন। আবার তিনি নিজেকে যুগান্তরের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন, যদিও তার কোনো কার্ড নেই। এছাড়া একটি ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে বাড়ি ভাড়া করে বিউটি পার্লার অথবা হেয়ার কাটিংয়ের আড়ালে দেদারসে মাদক বিক্রি ও পতিতাবৃত্তির যৌন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। পূর্বের তুলনায় এ বছর গুলশান-২ এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে এ ধরনের বহু ফ্ল্যাট।

স্বনামধন্য আবাসিক এলাকা এখন পতিতাপল্লীতে পরিণত হয়েছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর গুলশানে স্পা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এ ধরনের অবৈধ স্পা প্রতিষ্ঠানে জড়িয়ে পড়ছে স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও তরুণ-তরুণীরা। এই অপরাধমূলক ব্যবসা ধরে রাখতে কেউ নিজেকে ডিআইজির চাচাতো ভাই, ওসির খালাতো ভাই, কেউ পুলিশ কর্মকর্তার বন্ধু, সাংবাদিকের বন্ধু, এমনকি স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ। দীর্ঘ অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম ভিন্ন ধরনের। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে কার্যক্রম চালায়, যেন কানামাছি খেলা। ডিজিটাল কৌশল কাজে লাগিয়ে নামিদামি ব্র্যান্ডের সিসি ক্যামেরাও লাগিয়েছেন প্রতিষ্ঠানে।

এই বিষয়ে গুলশান থানার ওসিকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন, থানায় জিডি করতে।

অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের (দ্বিতীয় পর্ব)