ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জয়ের আনন্দে অতিরিক্ত জর্দা খেয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু গণভোটের রায় ও সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে দেশে কোনো পরিবর্তন হবে না চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত ইরানের তেল রপ্তানিতে আবারও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রেফারির বিরুদ্ধে ফিফার কাছে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ দিল মিশর জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় স্থানীয় ভোটের প্রস্তুতি চলছে : ইসি সানাউল্লাহ সেমির টিকেটে চোখ, মরক্কোর প্রতিশোধ নাকি ফরাসি উত্তাপ? অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ঝালকাঠিতে এলজিইডির প্রকল্পের দরপত্র মূল্যায়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ইডিসিএলে বার বার কাজ পায় ছাত্রলীগের আমিনুল ইসলাম রুবেলের প্রতিষ্ঠান

অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সময় টেলিভিশনের পরিচালক মোহাম্মদ হাসানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইশরাত জাহান এ পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সময় টেলিভিশনের সাবেক হেড অব মার্কেটিং আহসানুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক শম্পা রহমান এবং সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদুল ইসলাম।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সময় টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনের বিল বাবদ আদায়কৃত প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক প্রধান আহসানুল ইসলাম ও সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা এ অর্থ আত্মসাতে জড়িত ছিলেন এবং এ কাজে তাদের সহায়তা করেন প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন ও বর্তমান শীর্ষ কর্মকর্তারা।এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিজ্ঞাপনের বিলের হিসাব চাইলে আহসানুল ইসলাম দীর্ঘদিন সময়ক্ষেপণ করেন। পরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাকরি ছাড়লেও হিসাব বুঝিয়ে দেননি। একই সময়ে চাকরি ছেড়ে যাওয়া আয়েশা সিদ্দিকাও কোনো হিসাব জমা দেননি।প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ অনুসন্ধান করে জানতে পারে, ২০২৪ সালে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে প্রায় ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা আদায়যোগ্য ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থ মার্কেটিং বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মওকুফ করে দেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে ওই বিল মওকুফ করা হয়েছিল। তবে বিল মওকুফের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত কোনো বোর্ড সভার নথি দেখাতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।এদিকে মামলাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য আদালত প্রাঙ্গণে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জয়ের আনন্দে অতিরিক্ত জর্দা খেয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু

অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় ১২:৫০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সময় টেলিভিশনের পরিচালক মোহাম্মদ হাসানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইশরাত জাহান এ পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সময় টেলিভিশনের সাবেক হেড অব মার্কেটিং আহসানুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক শম্পা রহমান এবং সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদুল ইসলাম।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সময় টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনের বিল বাবদ আদায়কৃত প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মার্কেটিং বিভাগের সাবেক প্রধান আহসানুল ইসলাম ও সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার আয়েশা সিদ্দিকা এ অর্থ আত্মসাতে জড়িত ছিলেন এবং এ কাজে তাদের সহায়তা করেন প্রতিষ্ঠানের তৎকালীন ও বর্তমান শীর্ষ কর্মকর্তারা।এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিজ্ঞাপনের বিলের হিসাব চাইলে আহসানুল ইসলাম দীর্ঘদিন সময়ক্ষেপণ করেন। পরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাকরি ছাড়লেও হিসাব বুঝিয়ে দেননি। একই সময়ে চাকরি ছেড়ে যাওয়া আয়েশা সিদ্দিকাও কোনো হিসাব জমা দেননি।প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগ অনুসন্ধান করে জানতে পারে, ২০২৪ সালে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে প্রায় ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৮৩ টাকা আদায়যোগ্য ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, ওই অর্থ মার্কেটিং বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মওকুফ করে দেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে ওই বিল মওকুফ করা হয়েছিল। তবে বিল মওকুফের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত কোনো বোর্ড সভার নথি দেখাতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।এদিকে মামলাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য আদালত প্রাঙ্গণে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।