সংবাদ শিরোনাম ::
সার্কে রাজনৈতিক আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালিয়াকৈরে পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন, বিতরণকে ঘিরে সাময়িক হট্টগোল চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের শঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রশাসনের মাইকিং মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে দুর্নীতির অভিযোগ, এজেন্সি মালিকদের সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক টেন্ডারে ১৪ সর্বনিম্ন দরদাতাকে পেছনে ফেলে কাজ পেলেন ১৫ নম্বর ঠিকাদার খাদ্য অধিদপ্তরের ফ্যাসিস্ট সেই নুপুরের বদলি বাতিল সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে : অর্থমন্ত্রী বোরহানউদ্দিনে পিকআপ উল্টে চালক নিহত পাসপোর্ট অফিসে এক গ্রাম থেকে ১১২ জন নিয়োগের অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলী বোরহানের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে : অর্থমন্ত্রী

দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিকসহ সবাইকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক বাদ যাবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। দেশের প্রতিটি মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে জনগণের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। সরকারি দপ্তরে সরাসরি সেবা নিতে আসতে ব্যক্তিদের নিরুৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত দিক থেকে ডিজিটাইলাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব জনগণকে এর আওতায় আনতে হবে। ইনক্লুসিভনেস শুধু অর্থনীতিতে হলে হবে না, সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেক সেবা ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব। এটি সেবাগ্রহীতাদের জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় প্রত্যেকটি সেবা পৌঁছে দিতে হবে। ঘরে বসে গ্রাহকের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা গেলে সময়, অর্থসহ অনেক কিছু সাশ্রয় হবে। শুধু প্রজেক্ট করলে হবে না, সে সম্পর্কে জনগণকে জানানোর উদ্যোগও নিতে হবে।’

এদিন আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনস্থ ২৫টি দপ্তর ও সংস্থা ৫০টি উদ্ভাবন প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে এ পর্যন্ত ৩২৯টি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে। এবারের ইনোভেশন শোকেসিংয়ে ৫টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে জনতা ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সার্কে রাজনৈতিক আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সব নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

দেশের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কৃষক, শ্রমিকসহ সবাইকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো নাগরিক বাদ যাবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সব সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। দেশের প্রতিটি মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে জনগণের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। সরকারি দপ্তরে সরাসরি সেবা নিতে আসতে ব্যক্তিদের নিরুৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত দিক থেকে ডিজিটাইলাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব জনগণকে এর আওতায় আনতে হবে। ইনক্লুসিভনেস শুধু অর্থনীতিতে হলে হবে না, সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেক সেবা ঘরে বসেই পাওয়া সম্ভব। এটি সেবাগ্রহীতাদের জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় প্রত্যেকটি সেবা পৌঁছে দিতে হবে। ঘরে বসে গ্রাহকের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা গেলে সময়, অর্থসহ অনেক কিছু সাশ্রয় হবে। শুধু প্রজেক্ট করলে হবে না, সে সম্পর্কে জনগণকে জানানোর উদ্যোগও নিতে হবে।’

এদিন আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনস্থ ২৫টি দপ্তর ও সংস্থা ৫০টি উদ্ভাবন প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে এ পর্যন্ত ৩২৯টি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে। এবারের ইনোভেশন শোকেসিংয়ে ৫টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়, রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে জনতা ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ।