সংবাদ শিরোনাম ::
সঞ্চয়পত্র বিক্রি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশ কথিত স্বামী’ মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন ববি ব্যবসা শুরু করতে ৩৫৫ দিন নয়, লক্ষ্য মাত্র ১৪ দিন : বাণিজ্যমন্ত্রী লামা বনবিভাগের ডলুছড়ি রেঞ্জের সরই বিটকর্মকর্তার যোগসাজশে কাঁচা বাঁশ পাচারের হিড়িক হাসিনার পতনের পর প্রথমবার ভারত থেকে আসছে ট্রেনের কোচ যৌতুক মামলার রায় শুনে আদালতকক্ষে স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা অভিনেতা জাহের আলভী ২ দিনের রিমান্ডে ৮ বছরে অঢেল সম্পদের মালিক ফেনী জনস্বাস্থ্যের ড্রাফটম্যান শাহিন আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী বুটেক্স ভিসি জুলহাসের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

যৌতুক মামলার রায় শুনে আদালতকক্ষে স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ভোলায় আদালতের আদেশের অর্থ ভুল বুঝে এজলাসে দাঁড়িয়ে তরলজাতীয় পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তারাভানু (৩৫) নামের এক যৌতুক মামলার বাদী। পুলিশ তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালতের বিচারক ছিলেন সৌরভ রায় মিঠু। আহত নারী বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, একটি সিআর মামলার বাদী ছিলেন ওই নারী। তিনি স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই মামলাটি করেছেন। আজ বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে তারিখ ছিল। আদালত চলাকালীন বাদী নারী এজলাসের মধ্যেই কিছু একটা পান করেছেন।

তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, আজ বুধবার তার মামলার চার্জ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। এ সময় বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনকে রেখে দুজন আসামিকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বিষয়টি বাদী ভুল বুঝেছেন। তিনি মনে করেছেন তার স্বামীকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তার ব্যাগ থেকে তরল কিছু একটা বের করে এজলাসেই পান করেন।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। অবস্থা স্থিতিশীল আছে। আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কি পান করেছেন এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ফরিদুর রহমান জানান, আমার ধারণা বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা নেই। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আজই বিচার পেয়ে যাবেন। এ কারণেই আদালত ১ নম্বর আসামিকে রেখে বাকি আসামিদের খালাস দেওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিক এজলাসের মধ্যে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সঞ্চয়পত্র বিক্রি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশ

যৌতুক মামলার রায় শুনে আদালতকক্ষে স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ভোলায় আদালতের আদেশের অর্থ ভুল বুঝে এজলাসে দাঁড়িয়ে তরলজাতীয় পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তারাভানু (৩৫) নামের এক যৌতুক মামলার বাদী। পুলিশ তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালতের বিচারক ছিলেন সৌরভ রায় মিঠু। আহত নারী বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, একটি সিআর মামলার বাদী ছিলেন ওই নারী। তিনি স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই মামলাটি করেছেন। আজ বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে তারিখ ছিল। আদালত চলাকালীন বাদী নারী এজলাসের মধ্যেই কিছু একটা পান করেছেন।

তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, আজ বুধবার তার মামলার চার্জ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। এ সময় বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনকে রেখে দুজন আসামিকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বিষয়টি বাদী ভুল বুঝেছেন। তিনি মনে করেছেন তার স্বামীকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তার ব্যাগ থেকে তরল কিছু একটা বের করে এজলাসেই পান করেন।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। অবস্থা স্থিতিশীল আছে। আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কি পান করেছেন এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ফরিদুর রহমান জানান, আমার ধারণা বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা নেই। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আজই বিচার পেয়ে যাবেন। এ কারণেই আদালত ১ নম্বর আসামিকে রেখে বাকি আসামিদের খালাস দেওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিক এজলাসের মধ্যে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।