ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপালী লাইফে এখনও বহাল সিইও গোলাম কিবরিয়া! রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও সিইসির বৈঠক আজ আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার অভিবাসন ব্যয় কমা‌তে কাজ কর‌ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়তে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘১০০ হর্ন’ লাগানো বাইকারের মোটরসাইকেল জব্দ করল পুলিশ এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম থামেনি স্বপ্ন, ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন কাঠমিস্ত্রি নাসিমুল

যৌতুক মামলার রায় শুনে আদালতকক্ষে স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ভোলায় আদালতের আদেশের অর্থ ভুল বুঝে এজলাসে দাঁড়িয়ে তরলজাতীয় পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তারাভানু (৩৫) নামের এক যৌতুক মামলার বাদী। পুলিশ তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালতের বিচারক ছিলেন সৌরভ রায় মিঠু। আহত নারী বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, একটি সিআর মামলার বাদী ছিলেন ওই নারী। তিনি স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই মামলাটি করেছেন। আজ বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে তারিখ ছিল। আদালত চলাকালীন বাদী নারী এজলাসের মধ্যেই কিছু একটা পান করেছেন।

তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, আজ বুধবার তার মামলার চার্জ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। এ সময় বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনকে রেখে দুজন আসামিকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বিষয়টি বাদী ভুল বুঝেছেন। তিনি মনে করেছেন তার স্বামীকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তার ব্যাগ থেকে তরল কিছু একটা বের করে এজলাসেই পান করেন।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। অবস্থা স্থিতিশীল আছে। আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কি পান করেছেন এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ফরিদুর রহমান জানান, আমার ধারণা বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা নেই। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আজই বিচার পেয়ে যাবেন। এ কারণেই আদালত ১ নম্বর আসামিকে রেখে বাকি আসামিদের খালাস দেওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিক এজলাসের মধ্যে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপালী লাইফে এখনও বহাল সিইও গোলাম কিবরিয়া!

যৌতুক মামলার রায় শুনে আদালতকক্ষে স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ভোলায় আদালতের আদেশের অর্থ ভুল বুঝে এজলাসে দাঁড়িয়ে তরলজাতীয় পদার্থ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তারাভানু (৩৫) নামের এক যৌতুক মামলার বাদী। পুলিশ তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালতের বিচারক ছিলেন সৌরভ রায় মিঠু। আহত নারী বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, একটি সিআর মামলার বাদী ছিলেন ওই নারী। তিনি স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই মামলাটি করেছেন। আজ বুধবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতে তারিখ ছিল। আদালত চলাকালীন বাদী নারী এজলাসের মধ্যেই কিছু একটা পান করেছেন।

তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, আজ বুধবার তার মামলার চার্জ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। এ সময় বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনকে রেখে দুজন আসামিকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বিষয়টি বাদী ভুল বুঝেছেন। তিনি মনে করেছেন তার স্বামীকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তার ব্যাগ থেকে তরল কিছু একটা বের করে এজলাসেই পান করেন।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। অবস্থা স্থিতিশীল আছে। আরো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কি পান করেছেন এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ফরিদুর রহমান জানান, আমার ধারণা বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওই নারীর ধারণা নেই। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন আজই বিচার পেয়ে যাবেন। এ কারণেই আদালত ১ নম্বর আসামিকে রেখে বাকি আসামিদের খালাস দেওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিক এজলাসের মধ্যে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।