জুলাই হত্যা মামলার অন্যতম আসামি, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের)) সিনিয়র সহ-সভাপতি, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম এখনো রাষ্ট্রায়ত্ব রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকায় রুপালী ব্যাংক জাতীয়তাবাদী আদর্শের নেতৃবৃন্দ, ফ্যাসিজম বিরোধী কর্মকর্তাদের পক্ষে রূপালী ব্যাংক পিএলসি, জিয়া পরিষদ কর্তৃক এক লিখিত অভিযোগে গত ৪ জুন অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। উক্ত স্মারকলিপির অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন জাতীয় পএিকায় ও অনলাইন পোর্টালে বিতর্কিত কাজী ওয়াহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গত ৭ জুন সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এমডি কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরিত রুপালী ব্যাংকের জিয়া পরিষদের আহ্বায়কসহ ৩ জন কর্মকর্তাকে দূরবর্তী শাখায় বদলি করেছেন । এরা হলেন মো: গোলাম সরোয়ার, জিয়া পরিষদের আহ্বায়ক ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক, রেজি: নং ৯২১৫, কোম্পানি এফেয়ার্স ও শেয়ার বিভাগ, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে বিভাগীয় কার্যালয়,ফরিদপুর পদায়ন করা হয়েছে। এ এসএম নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সহকারী মহাব্যবস্হাপক, রেজি:নং১১৩০০ ফকিরাপুল বাজার কর্পোরেট শাখা থেকে বিভাগীয় কার্যালয় ময়মনসিংহ বদলী করা হয়েছে। জিয়া পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক,রেজি: নং ১০৭৮৯ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরীকে জোনাল অফিস, ঢাকা উত্তর থেকে বিভাগীয় কার্যালয়, কুষ্টিয়া বদলী করা হয়েছে। শেখ হাসিনা পলায়নের পর অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত জুলাই হত্যা মামলার আসামি (মামলা নং-০৬, আসামী-৪৫, সিআর মামলা নং-৬৩/২৫, আসামী নং- ৪৭), বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম রূপালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে এখনো কর্মরত। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে বিপুল পরিমাণ অর্থ যোগান দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দায়িত্ব নিয়েই বিএনপি সহ সকল ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে দূর দূরান্তে বদলি ও প্রমোশন বঞ্চিত করণসহ নানাভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে হয়রানির শিকার করছেন। দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রতিশ্রুতির বিপরীতে বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কার্যক্রম ব্যাংকটিকে স্বৈরতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট পরিবেশে ঠেলে দিচ্ছে।
ব্যাংকটি ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ৫৮৭ কোটি টাকা লোকসানের মুখে পড়েছে, যা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অদূরদর্শী, অদক্ষতা ও সীমাহীন দুর্নীতির ফসল। এছাড়া তার ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ব্যাংকের লোকসান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদ ও জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এ স্বেচ্ছাচারী ও দুর্নীতি পরায়ন এমডি কাজী ওয়াহিদুল ইসলামকে অবিলম্বে অপসারণ করে রাষ্ট্রয়াত্ব রুপালী ব্যাংককে দুর্নীতিমুক্ত করার আহ্বান জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















