ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ মোবাইল কোর্টের অভিযানে হেলমেট না পরায় ৫ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য গোসিংগা ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: পবিপ্রবি উপাচার্য বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন, ব্যাংক লুটের খবর নেই : পার্থ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মিলন রানীর পাশে উপজেলা প্রশাসন জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করলে আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দেবেন না : ডা. শফিকুর রহমান

ওয়াসার প্রকৌশলী ফকরুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়

ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী ফকরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, বেনামে জমি ক্রয়, স্ত্রীর নামে ব্যবসা পরিচালনা এবং অপ্রদর্শিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের উৎস, ব্যাংক হিসাব, আয়কর নথি এবং সম্ভাব্য বিদেশি আর্থিক লেনদেন তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় ফকরুল ইসলাম বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নিজের নামে সম্পদ না রেখে তিনি স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের নামে কোটি কোটি টাকার জমি, বহুতল ভবন ও বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্ত্রী নাদিরা ইয়াসমিন মুক্তার নামে পরিচালিত “আম্বিতা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড” কাগজে-কলমে প্রকৌশলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হলেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি ফ্ল্যাট, প্লট ও জমি কেনাবেচাসহ রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ ও সম্পদ সাদা করার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে নাদিরা ইয়াসমিন মুক্তা ও শাহ আলী বখতিয়ারের নামে একাধিক জমির দলিলের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ঢাকা উদ্যান, নবীনগর হাউজিং ও লালমাটিয়া এলাকায় বহুতল ভবন ও ফ্ল্যাট ব্যবসার সঙ্গে ফকরুল ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করা হয়েছে।এছাড়া ফ্ল্যাট বিক্রির ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্যের তুলনায় কম অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেখিয়ে বাকি অর্থ নগদে গ্রহণের মাধ্যমে কর ফাঁকি ও কালো টাকা সাদা করার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগকারীদের আশঙ্কা, এসব অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার হয়ে থাকতে পারে। এজন্য তার বিদেশ ভ্রমণ, আর্থিক লেনদেন ও সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।তবে ফকরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, নিজের নামে কোনো সম্পদ নেই এবং তার স্ত্রী একটি সচ্ছল পরিবারের সদস্য। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যবসা পারিবারিক যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।এদিকে অভিযোগকারীরা ফকরুল ইসলাম ও তার পরিবারের আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, সম্পদের উৎস এবং বিদেশে অর্থ পাচারের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

ওয়াসার প্রকৌশলী ফকরুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়

আপডেট সময় ০৩:৫২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী ফকরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, বেনামে জমি ক্রয়, স্ত্রীর নামে ব্যবসা পরিচালনা এবং অপ্রদর্শিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের উৎস, ব্যাংক হিসাব, আয়কর নথি এবং সম্ভাব্য বিদেশি আর্থিক লেনদেন তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় ফকরুল ইসলাম বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নিজের নামে সম্পদ না রেখে তিনি স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের নামে কোটি কোটি টাকার জমি, বহুতল ভবন ও বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্ত্রী নাদিরা ইয়াসমিন মুক্তার নামে পরিচালিত “আম্বিতা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড” কাগজে-কলমে প্রকৌশলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হলেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি ফ্ল্যাট, প্লট ও জমি কেনাবেচাসহ রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ ও সম্পদ সাদা করার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে নাদিরা ইয়াসমিন মুক্তা ও শাহ আলী বখতিয়ারের নামে একাধিক জমির দলিলের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ঢাকা উদ্যান, নবীনগর হাউজিং ও লালমাটিয়া এলাকায় বহুতল ভবন ও ফ্ল্যাট ব্যবসার সঙ্গে ফকরুল ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করা হয়েছে।এছাড়া ফ্ল্যাট বিক্রির ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্যের তুলনায় কম অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেখিয়ে বাকি অর্থ নগদে গ্রহণের মাধ্যমে কর ফাঁকি ও কালো টাকা সাদা করার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগকারীদের আশঙ্কা, এসব অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার হয়ে থাকতে পারে। এজন্য তার বিদেশ ভ্রমণ, আর্থিক লেনদেন ও সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।তবে ফকরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, নিজের নামে কোনো সম্পদ নেই এবং তার স্ত্রী একটি সচ্ছল পরিবারের সদস্য। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যবসা পারিবারিক যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।এদিকে অভিযোগকারীরা ফকরুল ইসলাম ও তার পরিবারের আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, সম্পদের উৎস এবং বিদেশে অর্থ পাচারের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।