ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ মোবাইল কোর্টের অভিযানে হেলমেট না পরায় ৫ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য গোসিংগা ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: পবিপ্রবি উপাচার্য বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন, ব্যাংক লুটের খবর নেই : পার্থ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মিলন রানীর পাশে উপজেলা প্রশাসন জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করলে আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দেবেন না : ডা. শফিকুর রহমান

উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ভাতিজা সুজন বহাল তবিয়তে

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মো. সুজন আহমেদ চৌধুরীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, নিয়োগের সময় তিনি এমন একটি প্রক্রিয়ার সুবিধাভোগী ছিলেন, যেখানে নিয়োগ কমিটির একজন সদস্যের সঙ্গে তার নিকটাত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল।
অভিযোগকারীদের দাবি, মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ভাতিজা। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোকতাদির চৌধুরী নিয়োগ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানা যায়। এ কারণে পুরো নিয়োগ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রশাসনিক বিধি ও সুশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তার নিকটাত্মীয় প্রার্থী হলে বিষয়টি ঘোষণা করা এবং প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখার নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তবে এ ক্ষেত্রে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
সমালোচকদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাতের সামান্য আশঙ্কাও জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। ফলে সুজন আহমেদ চৌধুরীর নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ বিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া তখনকার প্রচলিত বিধিমালা অনুসারেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মহলের অভিমত, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে স্বাধীন তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিদ্যমান প্রশ্নের অবসান ঘটবে এবং জনআস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী বা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ভাতিজা সুজন বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় ০২:০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মো. সুজন আহমেদ চৌধুরীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, নিয়োগের সময় তিনি এমন একটি প্রক্রিয়ার সুবিধাভোগী ছিলেন, যেখানে নিয়োগ কমিটির একজন সদস্যের সঙ্গে তার নিকটাত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল।
অভিযোগকারীদের দাবি, মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ভাতিজা। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোকতাদির চৌধুরী নিয়োগ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে জানা যায়। এ কারণে পুরো নিয়োগ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রশাসনিক বিধি ও সুশাসনের নীতিমালা অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তার নিকটাত্মীয় প্রার্থী হলে বিষয়টি ঘোষণা করা এবং প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখার নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। তবে এ ক্ষেত্রে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
সমালোচকদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাতের সামান্য আশঙ্কাও জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। ফলে সুজন আহমেদ চৌধুরীর নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ বিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া তখনকার প্রচলিত বিধিমালা অনুসারেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মহলের অভিমত, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে স্বাধীন তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিদ্যমান প্রশ্নের অবসান ঘটবে এবং জনআস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. সুজন আহমেদ চৌধুরী বা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা হবে।