ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না: ভাবনা বিনা স্বার্থে চিকিৎসা সেবা প্রধান করায়, তোপের মুখে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রাথমিক চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম  জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৩ অনুষ্ঠানের অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ ৪৫ হাজার টাকা বেতনের পাসপোর্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫৯ কোটির সম্পত্তির অভিযোগ কাশিপুরে অসুস্থ গরু জবাইয়ের তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কুমিল্লায় টমছমব্রিজ এলাকার যানজট নিরসনে মসজিদ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সুযোগের অপেক্ষায় নীলফামারীর সুরের জাদুকর সজীব মুন্সীগঞ্জে হাসপাতাল সিলগালা, অভিযানে জরিমানার মুখে একাধিক ক্লিনিক ৫০ বছরের রাস্তা উদ্ধারে নেই উদ্যোগ-ভুক্তভোগীর অভিযোগ

মেসি কি নাক ডাকেন, ঘুম থেকে ওঠেন কখন?

লিওনেল মেসি গতকাল (শুক্রবার) লো দেল পোলো শো-তে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে নানা বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুভূতি, বন্ধু নেইমারকে বিশ্বকাপে খেলতে দেখার ইচ্ছা এবং ফেভারিট কাদের মানছেন, তা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সেখানে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়েও কথা হয়েছে। টিভি সঞ্চালক পোয়ো আলভারেসকে তিনি নানান মজার তথ্য দিয়েছেন।
২০১০ সালের বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা তারকার রুমমেট ছিলেন হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন। তিনি বলেছিলেন, ‘মেসি ভালো রুমমেট। কিন্তু ছোট একটা সমস্যা আছে, সে অনেক বেশি নাক ডাকে।’ সবশেষ সাক্ষাৎকারে নাক ডাকা নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হলো মেসিকে। তিনি বললেন, ‘আমি কি নাক ডাকি? না, আমি সত্যিই জানি না। সম্ভবত আমি যদি ক্লান্ত থাকি। কিন্তু আমি জানি না। আমি কখনো চিৎ হয়ে বা বাঁ পাশে কাত হয়ে ঘুমাই না। সবসময় আমি ডান পাশে কাত হয়ে ঘুমাই।’
ঘুম থেকে ওঠার জন্য অ্যালার্ম ব্যবহার করেন মেসি, ‘আমি কি ঘুম থেকে জাগার জন্য অ্যালার্ম ব্যবহার করি? হ্যাঁ, আমি সচরাচর আমার অ্যালার্ম সেট করি সকাল ৭টায়।’ তারপর নিজে গাড়ি চালিয়ে ছেলেদের স্কুলে পৌঁছে দেন, ‘আমি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ছেলেদের স্কুলে দিয়ে আসি। তারপর ইন্টার মায়ামির ট্রেনিংয়ে যাই। মায়ামিতে আমার বাচ্চাদের স্কুলের সামনে আমি গাড়ি থেকে নামি না, অন্য ছাত্রদের বাবা-মাদের সঙ্গেও কথা বলি না। একটা জায়গায় তাদেরকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েই চলে আসি।’
আমেরিকায় থেকেও ইংরেজি বলায় দক্ষতা অর্জন করতে পারেননি মেসি, ‘আমি ইংরেজিতে বেশি কথা বলি না। আন্তোনেলা পারে। সে ইংরেজিতে বেশ ভালো।’ সবকিছুতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভ্যাস তার, ‘আমি এতটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ যে ভিডিও গেমসেও আমি আমার ছেলেদের কাছে হারতে চাই না।’ বয়স তার গতিতে এগোচ্ছে। এনিয়ে কি উদ্বেগে থাকেন মেসি। ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বললেন, ‘শিগগিরই বয়স ৪০ হচ্ছে, আমি এনিয়ে আতঙ্কিত কি না? না, মোটেও না। সত্যি বলছি।’ নিজের দেশ নিয়ে তার কৌতূহলের সীমা নেই, ‘আমি আর্জেন্টিনার সবকিছু সম্পর্কে জানতে ভালোবাসি, প্রত্যেকটি শহর, প্রতিটি জায়গা

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না: ভাবনা

মেসি কি নাক ডাকেন, ঘুম থেকে ওঠেন কখন?

আপডেট সময় ০৬:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

লিওনেল মেসি গতকাল (শুক্রবার) লো দেল পোলো শো-তে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে নানা বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতার অনুভূতি, বন্ধু নেইমারকে বিশ্বকাপে খেলতে দেখার ইচ্ছা এবং ফেভারিট কাদের মানছেন, তা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সেখানে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়েও কথা হয়েছে। টিভি সঞ্চালক পোয়ো আলভারেসকে তিনি নানান মজার তথ্য দিয়েছেন।
২০১০ সালের বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা তারকার রুমমেট ছিলেন হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন। তিনি বলেছিলেন, ‘মেসি ভালো রুমমেট। কিন্তু ছোট একটা সমস্যা আছে, সে অনেক বেশি নাক ডাকে।’ সবশেষ সাক্ষাৎকারে নাক ডাকা নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হলো মেসিকে। তিনি বললেন, ‘আমি কি নাক ডাকি? না, আমি সত্যিই জানি না। সম্ভবত আমি যদি ক্লান্ত থাকি। কিন্তু আমি জানি না। আমি কখনো চিৎ হয়ে বা বাঁ পাশে কাত হয়ে ঘুমাই না। সবসময় আমি ডান পাশে কাত হয়ে ঘুমাই।’
ঘুম থেকে ওঠার জন্য অ্যালার্ম ব্যবহার করেন মেসি, ‘আমি কি ঘুম থেকে জাগার জন্য অ্যালার্ম ব্যবহার করি? হ্যাঁ, আমি সচরাচর আমার অ্যালার্ম সেট করি সকাল ৭টায়।’ তারপর নিজে গাড়ি চালিয়ে ছেলেদের স্কুলে পৌঁছে দেন, ‘আমি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ছেলেদের স্কুলে দিয়ে আসি। তারপর ইন্টার মায়ামির ট্রেনিংয়ে যাই। মায়ামিতে আমার বাচ্চাদের স্কুলের সামনে আমি গাড়ি থেকে নামি না, অন্য ছাত্রদের বাবা-মাদের সঙ্গেও কথা বলি না। একটা জায়গায় তাদেরকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েই চলে আসি।’
আমেরিকায় থেকেও ইংরেজি বলায় দক্ষতা অর্জন করতে পারেননি মেসি, ‘আমি ইংরেজিতে বেশি কথা বলি না। আন্তোনেলা পারে। সে ইংরেজিতে বেশ ভালো।’ সবকিছুতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভ্যাস তার, ‘আমি এতটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ যে ভিডিও গেমসেও আমি আমার ছেলেদের কাছে হারতে চাই না।’ বয়স তার গতিতে এগোচ্ছে। এনিয়ে কি উদ্বেগে থাকেন মেসি। ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বললেন, ‘শিগগিরই বয়স ৪০ হচ্ছে, আমি এনিয়ে আতঙ্কিত কি না? না, মোটেও না। সত্যি বলছি।’ নিজের দেশ নিয়ে তার কৌতূহলের সীমা নেই, ‘আমি আর্জেন্টিনার সবকিছু সম্পর্কে জানতে ভালোবাসি, প্রত্যেকটি শহর, প্রতিটি জায়গা