ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হজ ফরজ হওয়ার পর মাহরাম না থাকলে নারীরা কী করবেন? রেকর্ড বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যু র‌্যাংকিংয়ে তিন বাংলাদেশি পেসারের বড় লাফ শনির আখড়ায় সাংবাদিক এস. এম. কামাল পারভেজ ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি পিএসজির ৪৩ গোল, বায়ার্নের ৪২—চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতিহাস নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ কালুখালী উপজেলার পেঁয়াজ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে চলা ‘ধলতা’ প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কালুখালী উপজেলা প্রশাসন নিজের দোকান ভাঙচুর করে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর অভিযোগ, হাট ইজারাদারের সংবাদ সম্মেলন মিরপুরে নকশাবহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, রাজউকের অথরাইজ অফিসার মাসুক আহমেদ এবং ইমারত পরিদর্শক মোহনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ! পিএসএলের ফাইনালে খেলবেন নাহিদ, তামিমকে ধন্যবাদ জানাল পেশোয়ার

যেখানে ছিল দীর্ঘ লাইন, এখন চালকদের অপেক্ষায় পাম্প কর্মীরা

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৩:০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন যেন সাধারণ চিত্র হয়ে উঠেছিল। তবে ভিন্ন অবস্থার দেখা মিলেছে ঝিনাইদহে। মোটরসাইকেল চালকদের জন্য অপেক্ষা করছেন পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ফিলিং স্টেশনে এই দৃশ্যের দেখা মেলে। 

আজ সকাল ৯টার পর মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেন পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা। তবে তেল নেওয়ার জন্য যারা সকাল থেকে অপেক্ষা করছিল তা বিশ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এরপর মাঝে মাঝে দুই একটা মোটরসাইকেল আসছে আর পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছেন।

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বন্যা ফিলিং স্টেশন, হান্নান ফিলিং স্টেশন, জেভি ফিলিং স্টেশন, মোল্লা ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহ শুরু হয়। ব্যস্ত ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের শৈলকূপা উপজেলার ৪টি ফিলিং স্টেশনেই একই দৃশ্যের দেখা মেলে।

পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন মোটরসাইকেল চালক ও পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা। অথচ কিছুদিন আগেও মোটরসাইকেলের তেল কেনার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে মোটরসাইকেল চালকদের। অপেক্ষা করতে হয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

মোটরসাইকেল চালক সাঈদ হোসেন বলেন, এর আগের দুই দিন প্রায় ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল পেয়েছিলাম। আজ এসে দেখি পাম্পে কোনো মোটরসাইকেলই নেই। আমার চাহিদা মতো ১৫০০ টাকার তেল দিয়েছে। তেল পাম্পের এমন পরিস্থিতি দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।

হান্নান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার খোকন হেসেন বলছেন, গত সোমবার আমরা ৪৫০০ লিটার পেট্রোল বিক্রি করেছিলাম। সেদিনও পাম্পে খুব একটা লাইন ছিল না। আজ সকাল ৯টা থেকে আবারও পেট্রোল বিক্রি শুরু করেছি। পেট্রোল পাম্পে কোনো ভিড় নেই। আশা করা যায় ২/১ দিনের মাঝেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

জেভি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. চেনির উদ্দীন বলেন, গতকাল আমরা অকটেন পেয়েছিলাম, সারাদিন বিক্রি করেছি। যা অবশিষ্ট ছিল তা সকাল থেকে বিক্রি করছি। পেট্রোল পাম্পে গত তিন-চার দিন ধরে কোনো ভিড় নেই বললেই চলে। আশা করা যায় খুব দ্রুত পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ফরজ হওয়ার পর মাহরাম না থাকলে নারীরা কী করবেন?

যেখানে ছিল দীর্ঘ লাইন, এখন চালকদের অপেক্ষায় পাম্প কর্মীরা

আপডেট সময় ০৩:০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন যেন সাধারণ চিত্র হয়ে উঠেছিল। তবে ভিন্ন অবস্থার দেখা মিলেছে ঝিনাইদহে। মোটরসাইকেল চালকদের জন্য অপেক্ষা করছেন পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ফিলিং স্টেশনে এই দৃশ্যের দেখা মেলে। 

আজ সকাল ৯টার পর মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেন পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা। তবে তেল নেওয়ার জন্য যারা সকাল থেকে অপেক্ষা করছিল তা বিশ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এরপর মাঝে মাঝে দুই একটা মোটরসাইকেল আসছে আর পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছেন।

ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বন্যা ফিলিং স্টেশন, হান্নান ফিলিং স্টেশন, জেভি ফিলিং স্টেশন, মোল্লা ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহ শুরু হয়। ব্যস্ত ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের শৈলকূপা উপজেলার ৪টি ফিলিং স্টেশনেই একই দৃশ্যের দেখা মেলে।

পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন মোটরসাইকেল চালক ও পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীরা। অথচ কিছুদিন আগেও মোটরসাইকেলের তেল কেনার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে মোটরসাইকেল চালকদের। অপেক্ষা করতে হয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

মোটরসাইকেল চালক সাঈদ হোসেন বলেন, এর আগের দুই দিন প্রায় ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল পেয়েছিলাম। আজ এসে দেখি পাম্পে কোনো মোটরসাইকেলই নেই। আমার চাহিদা মতো ১৫০০ টাকার তেল দিয়েছে। তেল পাম্পের এমন পরিস্থিতি দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।

হান্নান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার খোকন হেসেন বলছেন, গত সোমবার আমরা ৪৫০০ লিটার পেট্রোল বিক্রি করেছিলাম। সেদিনও পাম্পে খুব একটা লাইন ছিল না। আজ সকাল ৯টা থেকে আবারও পেট্রোল বিক্রি শুরু করেছি। পেট্রোল পাম্পে কোনো ভিড় নেই। আশা করা যায় ২/১ দিনের মাঝেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

জেভি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. চেনির উদ্দীন বলেন, গতকাল আমরা অকটেন পেয়েছিলাম, সারাদিন বিক্রি করেছি। যা অবশিষ্ট ছিল তা সকাল থেকে বিক্রি করছি। পেট্রোল পাম্পে গত তিন-চার দিন ধরে কোনো ভিড় নেই বললেই চলে। আশা করা যায় খুব দ্রুত পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরবে।