ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে কুমার নদের উপর ব্রীজটি হয়েছে মরণ ফাঁদ ‘নেই কারো নজরধারী,

ফরিদপুর সদরের মুন্সীবাজার খেয়াঘাট কুমার নদের উপর ছোট ব্রীজটি হয়েছে মরণ ফাঁদে তৈরী হয়েছে। নেই কোন সরকারের নজরধারী, আর কত দুর্ঘটনা হলে সরকারের নজরাধারীতে আসবে  প্রশ্ন জণগণের।
জানা  যায়, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পণ্য বহনকারী যানবাহন এই ছোট ব্রীজটি দিয়ে প্রধান সড়ক হিসাবে চলাচল করে থাকে। স্থানীয় ভাবে ১০ থেকে ১১ টি গ্রাম সহ উপজেলার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে ব্রীজটি দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। তার মধ্যে মুন্সীবাজার,গেরদা,বিলমামুদপুর,কাফুরা,বাখুন্ডা,বোকাইল,ইকরি গ্রামের মানুষগুলোর প্রধান সড়ক।
জানাযায়, ব্রীজটি তৈরী করা হয়েছিল সাধারণ মানুষ সহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করার জন্য। কারণ ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে  বাঁশ সংগ্রহ করে  সাকো তৈরী করে পারাপার হোত। এরপরে চাইল,ধান,পয়সা,টাকা দিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হোত। বর্তমান সেই ব্রীজ হয়েছে হাইওয়ে রাস্তার মত প্রধান সড়ক। যেখান দিয়ে  বড় বড় যানবাহন চলাচল করে থাকে।
জানাযায়, বিগত দিন ধরে ব্রীজটির উপর একাধিক দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে মানুষ নিতহ, আহত হয়েছে। আর প্রতিনিয়ত মারামারি,হাতাহাতি, গালিগালাজ নিত্য দিনের সঙ্গীতে পরিণত হয়েছে।
এই ব্রীজটি নিয়ে কোন সরকারের মাথা ব্যাথা নেই। দেখা যায় প্রতিদিন কোন না কোন  দুর্ঘটনায় পড়তে হয় পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন চালকদের। এই থেকে মুক্তির উপায় কি জানা নেই এলাকাবাসীর। মাঝে মাঝে সরকারী বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা, কর্মাচারীরা এসে লোক দেখানো মাপজোপ করে চলে যাওয়ার পরে আর কোন খবর থাকেনা।
আশার আলো দেখিয়ে আবার অন্ধকারে ঢেলে দেয়।
এলাকাবাসী জানায় ফরিদপুর শহর থেকে শুরু করে শহরের বাইরে কোথাও কোন ব্রীজ, ক্যালভাট তৈরী করার বাকি নেই। শুধু অবহেলায় পরে রয়েছে এই ব্রীজটি। বর্তমান ব্রীজের যে অবস্থা যেকোন সময় যানবাহন নিয়ে ভেঙ্গে পড়া সময়ের ব্যপার মাত্র। ব্রীজটি ভেঙে পরে মানুষ না মরা পর্যন্ত কারো নজরে আসবেনা বলে জানায়। কারণ এই দেশে ঘটনা ঘটার পরে সবাই সাবধান হয়, আগে মনে থাকে না।
এলাকাবাসী জরুরি ভাবে উক্ত স্থান নতুন সেতু নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে কুমার নদের উপর ব্রীজটি হয়েছে মরণ ফাঁদ ‘নেই কারো নজরধারী,

আপডেট সময় ০১:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর সদরের মুন্সীবাজার খেয়াঘাট কুমার নদের উপর ছোট ব্রীজটি হয়েছে মরণ ফাঁদে তৈরী হয়েছে। নেই কোন সরকারের নজরধারী, আর কত দুর্ঘটনা হলে সরকারের নজরাধারীতে আসবে  প্রশ্ন জণগণের।
জানা  যায়, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পণ্য বহনকারী যানবাহন এই ছোট ব্রীজটি দিয়ে প্রধান সড়ক হিসাবে চলাচল করে থাকে। স্থানীয় ভাবে ১০ থেকে ১১ টি গ্রাম সহ উপজেলার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে ব্রীজটি দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। তার মধ্যে মুন্সীবাজার,গেরদা,বিলমামুদপুর,কাফুরা,বাখুন্ডা,বোকাইল,ইকরি গ্রামের মানুষগুলোর প্রধান সড়ক।
জানাযায়, ব্রীজটি তৈরী করা হয়েছিল সাধারণ মানুষ সহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করার জন্য। কারণ ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে  বাঁশ সংগ্রহ করে  সাকো তৈরী করে পারাপার হোত। এরপরে চাইল,ধান,পয়সা,টাকা দিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হোত। বর্তমান সেই ব্রীজ হয়েছে হাইওয়ে রাস্তার মত প্রধান সড়ক। যেখান দিয়ে  বড় বড় যানবাহন চলাচল করে থাকে।
জানাযায়, বিগত দিন ধরে ব্রীজটির উপর একাধিক দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে মানুষ নিতহ, আহত হয়েছে। আর প্রতিনিয়ত মারামারি,হাতাহাতি, গালিগালাজ নিত্য দিনের সঙ্গীতে পরিণত হয়েছে।
এই ব্রীজটি নিয়ে কোন সরকারের মাথা ব্যাথা নেই। দেখা যায় প্রতিদিন কোন না কোন  দুর্ঘটনায় পড়তে হয় পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন চালকদের। এই থেকে মুক্তির উপায় কি জানা নেই এলাকাবাসীর। মাঝে মাঝে সরকারী বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা, কর্মাচারীরা এসে লোক দেখানো মাপজোপ করে চলে যাওয়ার পরে আর কোন খবর থাকেনা।
আশার আলো দেখিয়ে আবার অন্ধকারে ঢেলে দেয়।
এলাকাবাসী জানায় ফরিদপুর শহর থেকে শুরু করে শহরের বাইরে কোথাও কোন ব্রীজ, ক্যালভাট তৈরী করার বাকি নেই। শুধু অবহেলায় পরে রয়েছে এই ব্রীজটি। বর্তমান ব্রীজের যে অবস্থা যেকোন সময় যানবাহন নিয়ে ভেঙ্গে পড়া সময়ের ব্যপার মাত্র। ব্রীজটি ভেঙে পরে মানুষ না মরা পর্যন্ত কারো নজরে আসবেনা বলে জানায়। কারণ এই দেশে ঘটনা ঘটার পরে সবাই সাবধান হয়, আগে মনে থাকে না।
এলাকাবাসী জরুরি ভাবে উক্ত স্থান নতুন সেতু নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন।