তিনি নীলফামারী পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ডোমার সদর ইউনিয়নের হুজুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান আগে ডোমার থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় ওই নারীর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার পরিচয় গড়ে ওঠে এবং নিয়মিত যাতায়াতের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। একপর্যায়ে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ শুরু হয়।
পরিবারের দাবি, শুক্রবার ওই নারীকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর আলোচনা চলাকালে আতিকুর সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে নিজের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরে রাত ১১টার দিকে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মুচলেকা নিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
প্রবাসীর স্ত্রী জানান, সংসারিক নানা সমস্যা নিয়ে তিনি আতিকুরের সঙ্গে কথা বলতেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয় এবং বর্তমানে তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, ওই নারীর দাম্পত্য সমস্যার কারণে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
ডোমার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। নীলফামারী পুলিশ লাইন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও জানান, আতিকুর রহমান ওইদিন রোল কলে অনুপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















