সংবাদ শিরোনাম ::
একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে কে জিতবে, নির্ধারণ করবেন গ্যাব্রিয়েল-হালান্ড! শাওনের ফেসবুক আইডি উধাও

প্রতিশোধ নিতেই লম্বু আসাদুলকে হত্যা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র এক দিনের মধ্যেই প্রতিশোধমূলক এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান। তিনি বলেন, নিহত আসাদুল ও গ্রেপ্তারদের মধ্যে আগে থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও পুরোনো বিরোধের জেরে তৈরি হয় গভীর ক্ষোভ। বিশেষ করে একসময় আকতার হোসেনকে মারধরের ঘটনায় অপমান ও প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছিলেন তিনি। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আসাদুলকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়। এছাড়া অর্থ লেনদেন নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল তাদের মধ্যে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. মুন্না (২৪), মো. আকতার হোসেন (৪৫), মো. মিরাজ ফকির (২২) ও মো. নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় ওয়ার্কশপের সামনে অতর্কিতভাবে হামলার শিকার হন আসাদুল ওরফে ‘লম্বু’ আসাদুল। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও ইট দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনের দায়ের করা মামলার পরপরই মাঠে নামে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে নেমে গত শুক্রবার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মাদক ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে, যা তাদের অপরাধপ্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান!

প্রতিশোধ নিতেই লম্বু আসাদুলকে হত্যা

আপডেট সময় ০৪:১০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র এক দিনের মধ্যেই প্রতিশোধমূলক এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান। তিনি বলেন, নিহত আসাদুল ও গ্রেপ্তারদের মধ্যে আগে থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও পুরোনো বিরোধের জেরে তৈরি হয় গভীর ক্ষোভ। বিশেষ করে একসময় আকতার হোসেনকে মারধরের ঘটনায় অপমান ও প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছিলেন তিনি। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আসাদুলকে ডেকে এনে হত্যা করা হয়। এছাড়া অর্থ লেনদেন নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল তাদের মধ্যে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. মুন্না (২৪), মো. আকতার হোসেন (৪৫), মো. মিরাজ ফকির (২২) ও মো. নয়ন ওরফে খোকন (২৪)।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় ওয়ার্কশপের সামনে অতর্কিতভাবে হামলার শিকার হন আসাদুল ওরফে ‘লম্বু’ আসাদুল। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও ইট দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনের দায়ের করা মামলার পরপরই মাঠে নামে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযানে নেমে গত শুক্রবার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মাদক ও ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে, যা তাদের অপরাধপ্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।