সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাইকে ব্যঙ্গ করে ফেসবুক পোস্ট, বিইউবিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত আমির খানের তৃতীয় স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাটের সম্পদের পরিমাণ কত? উদ্যোক্তা ও সমিতির সদস্যদের মাঝে ঋণ বিতরণ, গোপালগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত ইসিতে এনআইডির জরুরি সেবা বন্ধ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ রাজশাহীতে অফিসেই সংসার পেতেছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম মুগদায় ‘কিটুবাজার ডটকম’এর আড়ালে ভেজাল ওষুধের কারখানার সন্ধান গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের স্বপ্ন লুটে ৩০০ কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়ার অভিযোগ দেশ ছাড়ছেন দুদকের চার্জশিটভুক্ত আসামি মামুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গনে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাজুড়ে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে

বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংসের খবর পাওয়া গেলেও থামছে না পাচার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনটি উপজেলাকে ‘সেফ করিডোর’ হিসেবে ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রতি মাসে এই রুট দিয়ে শত কোটি টাকার মাদক রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে।

​৩ কোটি টাকারওবেশি মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

​গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে জেলা পুলিশের জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছে। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯টি থানার মালখানার ইনচার্জদের উপস্থিতিতে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত মাদকের মধ্যে ছিল:

​গাঁজা: ১৮৩৩ কেজি ৫৮০ গ্রাম

​ইয়াবা: ২৩,৯৪৯ পিস

​ফেনসিডিল ও স্কফ: ৫৮৬ বোতল

​মদ : ৫৫৭ বোতল

বিয়ার ক্যান ৩৮ টি

​ধ্বংসকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকার উপরে।

​করিডোর যখন সীমান্ত এলাকা

​অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, বিজয়নগর ও আখাউড়া এলাকা মাদকের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই সীমান্ত এলাকাগুলোকে পাচারকারীরা ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত অভিযান ও ধরপাকড় সত্ত্বেও মূল হোতারা পর্দার আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

​পাচারের ভয়াবহ চিত্র

​আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ থাকার দাবি করলেও পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। সূত্রমতে, প্রতি মাসে কসবা ও বিজয়নগর সীমান্ত দিয়ে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার ও বেশি মাদকের চালান ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় বিভাগীয় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে। মাদক কারবারিরা সড়কপথের পাশাপাশি রেল ও নৌপথকেও নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিচ্ছে।

​প্রশাসনের বক্তব্য

মাদক ধ্বংসের সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কঠোর। নিয়মিত অভিযানের ফলেই ৩ কোটি টাকার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। তবে সীমান্ত দিয়ে বড় চালান পাচার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন সচেতন মহল।এই একই বিষয়ে গত কিছুদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানার এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মোশারফ শ্যামল সাহেব সংসদে বক্তব্য রেখেছেন মাদকের বিরুদ্ধে।এমপি সাহেব জিরো টলারেন্স নীতি পোষণ করেছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইকে ব্যঙ্গ করে ফেসবুক পোস্ট, বিইউবিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গনে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

আপডেট সময় ০৫:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাজুড়ে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে

বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংসের খবর পাওয়া গেলেও থামছে না পাচার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনটি উপজেলাকে ‘সেফ করিডোর’ হিসেবে ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রতি মাসে এই রুট দিয়ে শত কোটি টাকার মাদক রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে।

​৩ কোটি টাকারওবেশি মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

​গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে জেলা পুলিশের জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছে। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯টি থানার মালখানার ইনচার্জদের উপস্থিতিতে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত মাদকের মধ্যে ছিল:

​গাঁজা: ১৮৩৩ কেজি ৫৮০ গ্রাম

​ইয়াবা: ২৩,৯৪৯ পিস

​ফেনসিডিল ও স্কফ: ৫৮৬ বোতল

​মদ : ৫৫৭ বোতল

বিয়ার ক্যান ৩৮ টি

​ধ্বংসকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকার উপরে।

​করিডোর যখন সীমান্ত এলাকা

​অনুসন্ধানে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, বিজয়নগর ও আখাউড়া এলাকা মাদকের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই সীমান্ত এলাকাগুলোকে পাচারকারীরা ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত অভিযান ও ধরপাকড় সত্ত্বেও মূল হোতারা পর্দার আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

​পাচারের ভয়াবহ চিত্র

​আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ থাকার দাবি করলেও পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। সূত্রমতে, প্রতি মাসে কসবা ও বিজয়নগর সীমান্ত দিয়ে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার ও বেশি মাদকের চালান ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় বিভাগীয় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে। মাদক কারবারিরা সড়কপথের পাশাপাশি রেল ও নৌপথকেও নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিচ্ছে।

​প্রশাসনের বক্তব্য

মাদক ধ্বংসের সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কঠোর। নিয়মিত অভিযানের ফলেই ৩ কোটি টাকার চালান জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। তবে সীমান্ত দিয়ে বড় চালান পাচার ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন সচেতন মহল।এই একই বিষয়ে গত কিছুদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানার এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মোশারফ শ্যামল সাহেব সংসদে বক্তব্য রেখেছেন মাদকের বিরুদ্ধে।এমপি সাহেব জিরো টলারেন্স নীতি পোষণ করেছেন।