জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে আবারও নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এ অধ্যয়নকালীন সময় থেকেই তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে কর্মজীবনে তাকে আওয়ামী লীগের মতাদর্শে বিশ্বাসী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেতে দেখা যায়। ময়মনসিংহ-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া মুন্সিগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার কারণে তাকে ময়মনসিংহ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পরও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগের এক শীর্ষ কর্মকর্তার সহায়তায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বিনিময়ে তিনি প্রধান প্রকৌশলীর পদ বাগিয়ে নেন। সর্বশেষ, ডিসেম্বরে প্রকাশিত একটি এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা) প্রতিবেদনে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে আরও বিস্ময়কর ও উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। যদিও ওই প্রতিবেদনের বিস্তারিত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশেষ প্রতিবেদক 























