ইসলামাবাদ বৈঠকের নেতৃত্বে থাকছেন কারা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:১৬
ইসলামাবাদ বৈঠকের নেতৃত্বে থাকছেন কারা?
ইরানের ‘‘পুরো সভ্যতাকে’’ নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার নজিরবিহীন হুমকির সঙ্গে নিজেদের বেধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক মিনিট আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ভোরে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যকে গ্রাস করা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ স্থগিত হয়ে যায়।
পাকিস্তানের নেতৃত্বে দীর্ঘ এক রাতের পর্দার আড়ালের কূটনীতির পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে ওই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত আসে। বর্তমানে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কোনোমতে টিকে রয়েছে। যুদ্ধবিরতি চললেও উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার উভয়পক্ষের মাঝে আলোচনার আয়োজন করেছে ইসলামাবাদ।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ থেকে একটি ১০ দফার প্রস্তাব পেয়েছে; যাকে তিনি আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১৫ দফা প্রস্তাব পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। মধ্যস্থতাকারীরা বলেছেন, দুই পক্ষের এই প্রস্তাবনার ওপর ভিত্তি করে আলোচনা শুরু হলে সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান ঘিরে সেনা মোতায়েন থাকবে : ট্রাম্প
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া বিধ্বংসী যুদ্ধের পর অবশেষে কিছুটা স্বস্তির বার্তা মিলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এখন সবার নজর আগামী শনিবারের (১১ এপ্রিল) দিকে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এদিন সরাসরি বৈঠকে বসছে তেহরান ও ওয়াশিংটন।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল অসীম মুনিরের দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় এই আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির পরিবেশ এখনও অত্যন্ত নাজুক। এই বৈঠকের ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ।
বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। ইরানের কাছে ভ্যান্স তুলনামূলক ‘গ্রহণযোগ্য’ মুখ হিসেবে পরিচিত। এর আগে জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের মতো মার্কিন দূতদের সাথে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় তেহরান তাদের ওপর আস্থা হারিয়েছে।
ইরানের পক্ষে মূল ভূমিকা পালন করবেন দেশটির অভিজ্ঞ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পরমাণু সমঝোতায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তাকে ‘কঠিন দরকষাকষির কারিগর’ বলা হয়। প্রতিনিধিদলে থাকতে পারেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























