ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘জুলাইয়ের টেন্ডার কি একাই নিয়েছেন?’— বিরোধী দলকে প্রশ্ন আন্দালিব পার্থের ‘প্রস্তর যুগে’ আটকে আছেন ট্রাম্প : ইরান সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন সহমর্মিতা কক্সবাজারে নকল বিদেশি মদ তৈরির কারখানা, আটক ১ লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল: সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০, শহরে থমথমে পরিস্থিতি ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ বাস কাউন্টার সরাতে হবে : ডিএমপি ভারতে পাচারের সময় শিশুসহ ৮ জন উদ্ধার মহেশখালীতে প্রথম দিনে ৪,২৩০ শিশুকে হাম টিকা, জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে জোর প্রচারণা পীরগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে ক্যাশলেস ব্যাংকিং সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সীমান্তেবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ইদানিং চোরাকারবারিরা তৎপর হয়ে উঠেছে ভারতীয় ০৪টি মহিষ আটক।

কসবায় টাস্কফোর্স অভিযান প্রায় ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মালিকবিহীন ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক শাহ খালেদ ইমামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি পরিচালিত হয় সালদানদী বিওপির সীমান্ত পিলার-২০৫৬ থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কসবা উপজেলার নয়নপুর বাজার এলাকার একটি গোডাউন ঘরে।
অভিযানকালে কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল কবির উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিজিবির ৩২ জন সদস্য এবং ৩ জন পুলিশ সদস্য যৌথভাবে অংশ নেন।
অভিযানে নয়নপুর গ্রামের স্থানীয় মোঃ আল-আমিন (৩৫)-এর ব্যবহৃত গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে—
৬,৭৫০ কেজি (২২৫ বস্তা) বাসমতি চাল, ৭০০ কেজি ফুসকা, ২,১৬০ পিস কাবেরী মেহেদী, ১৯২ ক্যান রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস এবং ৯০ কেজি জিরা।
জব্দকৃত এসব পণ্যের মোট সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ টাকা। বিজিবি জানায়, পণ্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক এস এম শরিফুল ইসলাম।
অন্যদিকে, গোডাউন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মোঃ আল-আমিন দাবি করেন, জব্দকৃত পণ্যগুলো তিনি কাস্টমস নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করেছিলেন এবং এ সংক্রান্ত কাগজপত্রও তার কাছে ছিল। তবে কাগজপত্রের মেয়াদ দুই দিন আগে শেষ হয়ে যাওয়ায় তা আর কার্যকর ছিল না বলে তিনি জানান।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাইয়ের টেন্ডার কি একাই নিয়েছেন?’— বিরোধী দলকে প্রশ্ন আন্দালিব পার্থের

কসবায় টাস্কফোর্স অভিযান প্রায় ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

আপডেট সময় ০৬:০৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মালিকবিহীন ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক শাহ খালেদ ইমামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি পরিচালিত হয় সালদানদী বিওপির সীমান্ত পিলার-২০৫৬ থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কসবা উপজেলার নয়নপুর বাজার এলাকার একটি গোডাউন ঘরে।
অভিযানকালে কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল কবির উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিজিবির ৩২ জন সদস্য এবং ৩ জন পুলিশ সদস্য যৌথভাবে অংশ নেন।
অভিযানে নয়নপুর গ্রামের স্থানীয় মোঃ আল-আমিন (৩৫)-এর ব্যবহৃত গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে—
৬,৭৫০ কেজি (২২৫ বস্তা) বাসমতি চাল, ৭০০ কেজি ফুসকা, ২,১৬০ পিস কাবেরী মেহেদী, ১৯২ ক্যান রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস এবং ৯০ কেজি জিরা।
জব্দকৃত এসব পণ্যের মোট সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ টাকা। বিজিবি জানায়, পণ্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক এস এম শরিফুল ইসলাম।
অন্যদিকে, গোডাউন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মোঃ আল-আমিন দাবি করেন, জব্দকৃত পণ্যগুলো তিনি কাস্টমস নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করেছিলেন এবং এ সংক্রান্ত কাগজপত্রও তার কাছে ছিল। তবে কাগজপত্রের মেয়াদ দুই দিন আগে শেষ হয়ে যাওয়ায় তা আর কার্যকর ছিল না বলে তিনি জানান।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।