আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে এসব অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করতে দুই জেলায় যুগ্ম ও দায়রা জজদের সমন্বয়ে ‘অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ দিদার হোসাইনের সই করা এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধান করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে ইসি সচিবালয়ের আইন অনুবিভাগে পাঠাতে হবে। এছাড়া, ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ লঙ্ঘনজনিত কোনো অপরাধ ঘটলে কমিটি ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারকাজ পরিচালনা করতে পারবেন। বিশেষ করে অনুচ্ছেদ ৭৩, ৭৫ ও ৭৭-এর আওতাধীন অপরাধসমূহ এই কমিটির বিচারিক এক্তিয়ারভুক্ত থাকবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শেরপুর-৩ আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন, মো. মাসুদুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. মাহমুদুল হক রুবেল (বিএনপি), মো. আমিনুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ও মো. মিজানুর রহমান (বাসদ-মার্কসবাদী)।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, মো. রেজাউল করিম বাদশা (বিএনপি), মো. আবিদুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) ও মো. আল আলিম তালুকদার (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি)।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেখানে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে নতুন তফসিলে এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বগুড়া-৬ আসনে গত নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হয়েছিলেন। তবে ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে এই আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা চলবে ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 






















