ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ২১ ফ্ল্যাটের মালিক এলজিইডি’র ড্রাইভার রুহুল আমিন সরদার দূর্নীতি করেও তদন্তের বাইরে আওয়ামী দোসর এম এইচআর মাসুদুল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন মৎস্য অধিদপ্তরের জলবায়ু প্রকল্পে হরিলুট : পিডি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় নাছির উদ্দীন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘রওনাকে রমজান’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ রাজশাহীতে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের ‘শিগগিরই যুদ্ধ শেষ হবে’ ঘোষণার পর তেলের দাম কমল প্রায় ৯ শতাংশ পেজেশকিয়ানকে সতর্কবার্তা দিলেন এরদোয়ান যুদ্ধবিরতির জন্য চীন-রাশিয়া ও ফ্রান্সের যোগাযোগ, যে শর্ত দিলো ইরান ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হতে পারে

জ্বালানি তেলের জন্য সকালেই দীর্ঘ লাইন, মিলছে নির্দিষ্ট পরিমাণে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে সৃষ্ট অস্থিরতা এখনও কাটেনি। যে কারণে সকালেই রাজধানী বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে লোকজনকে তেল কিনতে হচ্ছে। তবে সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী জ্বালানি বিভিন্ন স্টেশনে মিলছে বলে জানিয়েছেন চালকরা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার নিয়ে সারিবদ্ধ দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায় তাদের।

রাজধানীর আসাদগেট সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনে মোটরসাইকেলের জন্য জ্বালানি তেল নিতে আসেন আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, যাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেজন্য সকাল সকাল এলাম। এসে দেখি এখানেও দীর্ঘ লাইন। আশা করছি ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তেল নিয়ে যেতে পারবো।

প্রাইভেটকার চালক ইদ্রিস মিয়া অভিযোগের সুরে বলেন, সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়ায় তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। বর্তমানে ব্যক্তিগত কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেক চালক এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরে তেল খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।

আরেক মোটরসাইকেল চালক রবিউল হুসাইন বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে এক ঘণ্টার পর তেল পেয়েছি। তিনি হাসিমুখে বলেন, আজকে সোনার বাংলা স্টেশন মোটরসাইকেলের জন্য ৫০০ টাকা পর্যন্ত দিচ্ছে। দুই দিন বেশি চালাতে পারবো।

ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বশীলরা বলছেন, আমাদের কাছে যতক্ষণ জ্বালানি তেল থাকে ততক্ষণ আমরা বিক্রি করে থাকি। আমরা সকাল থেকে তেল বিক্রি করছি। বিপিসি থেকে চাহিদার তুলনায় তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চাহিদা অনেক বেশি। আগের তুলনায় দীর্ঘ লাইনের সংখ্যাটাও কমেছে, আশা করি স্বাভাবিক পরিস্থিতি চলে আসবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ২১ ফ্ল্যাটের মালিক এলজিইডি’র ড্রাইভার রুহুল আমিন সরদার

জ্বালানি তেলের জন্য সকালেই দীর্ঘ লাইন, মিলছে নির্দিষ্ট পরিমাণে

আপডেট সময় ১১:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে সৃষ্ট অস্থিরতা এখনও কাটেনি। যে কারণে সকালেই রাজধানী বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে লোকজনকে তেল কিনতে হচ্ছে। তবে সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী জ্বালানি বিভিন্ন স্টেশনে মিলছে বলে জানিয়েছেন চালকরা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার নিয়ে সারিবদ্ধ দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায় তাদের।

রাজধানীর আসাদগেট সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনে মোটরসাইকেলের জন্য জ্বালানি তেল নিতে আসেন আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, যাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেজন্য সকাল সকাল এলাম। এসে দেখি এখানেও দীর্ঘ লাইন। আশা করছি ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তেল নিয়ে যেতে পারবো।

প্রাইভেটকার চালক ইদ্রিস মিয়া অভিযোগের সুরে বলেন, সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়ায় তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। বর্তমানে ব্যক্তিগত কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেক চালক এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরে তেল খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।

আরেক মোটরসাইকেল চালক রবিউল হুসাইন বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে এক ঘণ্টার পর তেল পেয়েছি। তিনি হাসিমুখে বলেন, আজকে সোনার বাংলা স্টেশন মোটরসাইকেলের জন্য ৫০০ টাকা পর্যন্ত দিচ্ছে। দুই দিন বেশি চালাতে পারবো।

ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বশীলরা বলছেন, আমাদের কাছে যতক্ষণ জ্বালানি তেল থাকে ততক্ষণ আমরা বিক্রি করে থাকি। আমরা সকাল থেকে তেল বিক্রি করছি। বিপিসি থেকে চাহিদার তুলনায় তেল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চাহিদা অনেক বেশি। আগের তুলনায় দীর্ঘ লাইনের সংখ্যাটাও কমেছে, আশা করি স্বাভাবিক পরিস্থিতি চলে আসবে।