ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

ভাষা শহীদদের স্মরণে ড্যাফোডিলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

সাভারের ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাসে একুশের চেতনা, শোক ও গৌরবের আবহ তৈরি হয়।

দিবসের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন করেন। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে যারা আত্মোৎসর্গ করেছিলেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তারা।

এরপর সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মো. আলায়েয়ারের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এ সময় ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের অসামান্য ত্যাগের কথা স্মরণ করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ ও প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে। এক বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, “মহান ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়, যা আত্মত্যাগ, অধিকার ও আত্মপরিচয়ের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, মাতৃভাষার শুদ্ধ চর্চা, সঠিক ব্যবহার এবং ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া সবার নৈতিক দায়িত্ব। বাঙালির এই আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি এখন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে, যা জাতীয় গর্ব ও পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একুশের চেতনা কেবল একটি দিনের সীমাবদ্ধতায় নয়, বরং দৈনন্দিন জীবন, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

ভাষা শহীদদের স্মরণে ড্যাফোডিলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আপডেট সময় ০৫:১২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাভারের ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাসে একুশের চেতনা, শোক ও গৌরবের আবহ তৈরি হয়।

দিবসের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন করেন। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে যারা আত্মোৎসর্গ করেছিলেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তারা।

এরপর সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মো. আলায়েয়ারের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এ সময় ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের অসামান্য ত্যাগের কথা স্মরণ করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ ও প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে। এক বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, “মহান ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়, যা আত্মত্যাগ, অধিকার ও আত্মপরিচয়ের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, মাতৃভাষার শুদ্ধ চর্চা, সঠিক ব্যবহার এবং ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া সবার নৈতিক দায়িত্ব। বাঙালির এই আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি এখন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে, যা জাতীয় গর্ব ও পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একুশের চেতনা কেবল একটি দিনের সীমাবদ্ধতায় নয়, বরং দৈনন্দিন জীবন, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।