সংবাদ শিরোনাম ::
যমুনা অয়েলে গণবদলি নিয়ে আলোচনা, তালিকায় নেই আওয়ামী পন্থী দেলোয়ার সিন্ডিকেট শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোহনপুরে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ উদ্বোধন কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে দেশে ফেরত এলেন ২২১ জন ভোলায় গৃহবধূ মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী-শাশুড়িসহ ৩ আসামী গ্রেফতার চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড আদেশ দিল আদালত আত্রাইয়ে রেলওয়ে লাইনের পাশ থেকে শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না প্রবাসীরা

কোনো এক উপরওয়ালার নির্দেশে মামলা নেওয়া হচ্ছে না : মোসাদ্দিক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেছেন, “শাহবাগ থানার ভেতরেই আমাদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে। সকল তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছেই রয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজও আছে। তারপরও কোনো এক উপরওয়ালার নির্দেশে আমাদের মামলা নেওয়া হচ্ছে না।”

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার পরও মামলা গ্রহণ না করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মোসাদ্দিক বলেন, “পুলিশকে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা এমন দেশে বসবাস করছি, যেখানে কোনো এক উপরওয়ালার নির্দেশে মামলা নেওয়া হয় না। পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট প্রশাসন থেকে শিক্ষা নিন। কোথায় সেই আইজিপি বেনজীর? কোথায় সেই ডিএমপি কমিশনার? কোথায় ডিবি হারুন? জনগণ তাদের পেলে শরীরের কোনো অংশই খুঁজে পাওয়া যাবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা গণমাধ্যমে দেখেছেন, পুরো এক ঘণ্টা শাহবাগ থানায় কোনো পুলিশ ছিল না। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখিনি। বরং সরকার ও প্রশাসনের নীরব সমর্থনের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসাইন অপু বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী গুজবের ফাঁদে পড়ে নানা ধরনের হুমকির শিকার হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করতে যান। ডাকসুর প্রতিনিধি হিসেবে ওই শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করতে মোসাদ্দেক ও জুবায়ের সেখানে গেলে তারা ছাত্রদলের ন্যাক্কারজনক হামলার শিকার হন। স্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এখনো কেন মামলা নেওয়া হচ্ছে না জনগণ তা জানতে চায়।”

সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, আপনাদের সুবুদ্ধির উদয় হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের পরিণতি আপনারা ভুলে যাবেন না।”

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনা অয়েলে গণবদলি নিয়ে আলোচনা, তালিকায় নেই আওয়ামী পন্থী দেলোয়ার সিন্ডিকেট

কোনো এক উপরওয়ালার নির্দেশে মামলা নেওয়া হচ্ছে না : মোসাদ্দিক

আপডেট সময় ০২:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেছেন, “শাহবাগ থানার ভেতরেই আমাদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে। সকল তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছেই রয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজও আছে। তারপরও কোনো এক উপরওয়ালার নির্দেশে আমাদের মামলা নেওয়া হচ্ছে না।”

আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার পরও মামলা গ্রহণ না করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মোসাদ্দিক বলেন, “পুলিশকে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা এমন দেশে বসবাস করছি, যেখানে কোনো এক উপরওয়ালার নির্দেশে মামলা নেওয়া হয় না। পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট প্রশাসন থেকে শিক্ষা নিন। কোথায় সেই আইজিপি বেনজীর? কোথায় সেই ডিএমপি কমিশনার? কোথায় ডিবি হারুন? জনগণ তাদের পেলে শরীরের কোনো অংশই খুঁজে পাওয়া যাবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা গণমাধ্যমে দেখেছেন, পুরো এক ঘণ্টা শাহবাগ থানায় কোনো পুলিশ ছিল না। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখিনি। বরং সরকার ও প্রশাসনের নীরব সমর্থনের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসাইন অপু বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী গুজবের ফাঁদে পড়ে নানা ধরনের হুমকির শিকার হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করতে যান। ডাকসুর প্রতিনিধি হিসেবে ওই শিক্ষার্থীকে সহযোগিতা করতে মোসাদ্দেক ও জুবায়ের সেখানে গেলে তারা ছাত্রদলের ন্যাক্কারজনক হামলার শিকার হন। স্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এখনো কেন মামলা নেওয়া হচ্ছে না জনগণ তা জানতে চায়।”

সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, আপনাদের সুবুদ্ধির উদয় হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের পরিণতি আপনারা ভুলে যাবেন না।”