সংবাদ শিরোনাম ::
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা তালাকের নোটিশের পর শ্বশুরবাড়ি-জামাইপক্ষের বিরোধ, গরু ও মালামাল নেওয়ার অভিযোগ ডিএনসিসির সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পবিপ্রবিতে ব্যবসায় প্রশাসন, সিএসই ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় বিআইডাব্লিউটিএর প্রকল্প পরিচালক আবুল কালামের দূর্নীতি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার কর্মকর্তা মাহফুজের বিরুদ্ধে নারীকে মারধরের অভিযোগ ১৬তম গ্রেডের কর্মচারী, অথচ কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক! শফিকুল ইসলামের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন চার্জে লাগিয়ে মোবাইল চালাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল মিজানের কমলনগরে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান  আমশিল্প ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠায় বিশেষ গুরুত্বের দাবি, প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে “ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এডিবি অর্থায়নের উন্নয়ন কাজে ভয়াবহ অনিয়ম, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মফিজুর রহমান খানের দায়িত্বহীনতায় প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ” শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগসমূহ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং একপাক্ষিক।
আমি বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংবাদে উল্লেখিত প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা এডিবি এর অর্থায়নে বাস্তবায়িত একটি উন্নয়ন কার্যক্রম, যা নির্ধারিত নকশা, কারিগরি মানদণ্ড এবং সরকারি বিধি অনুসরণ করেই বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
সংবাদে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, সিডিউল লঙ্ঘন এবং তদারকির ঘাটতির যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রকল্পের কাজ নিয়মিতভাবে তদারকি করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সাব-কন্ট্রাকটরের কথিত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে যে ঘুষ বা অবৈধ লেনদেনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে অনুমাননির্ভর এবং যাচাইবিহীন। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বা পেশাগত সম্পৃক্ততা নেই।
আমার বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগও বাস্তবসম্মত নয়। সরকারি দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তথ্য প্রদান করা হয় এবং ব্যক্তিগতভাবে কোনো তথ্য গোপনের প্রশ্নই ওঠে না। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি সর্বদা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও পেশাগত সততা বজায় রেখে কাজ করে আসছি।
উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষ তদন্ত করলে আমি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।
যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
অতএব, আমি দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করবো প্রকৃত তথ্য যাচাই করে ভবিষ্যতে এ ধরনের একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকবেন।
ধন্যবাদান্তে :
মফিজুর রহমান খান

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০৮:১৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গত ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে “ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে এডিবি অর্থায়নের উন্নয়ন কাজে ভয়াবহ অনিয়ম, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মফিজুর রহমান খানের দায়িত্বহীনতায় প্রকল্প প্রশ্নবিদ্ধ” শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগসমূহ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং একপাক্ষিক।
আমি বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সংবাদে উল্লেখিত প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা এডিবি এর অর্থায়নে বাস্তবায়িত একটি উন্নয়ন কার্যক্রম, যা নির্ধারিত নকশা, কারিগরি মানদণ্ড এবং সরকারি বিধি অনুসরণ করেই বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
সংবাদে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, সিডিউল লঙ্ঘন এবং তদারকির ঘাটতির যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রকল্পের কাজ নিয়মিতভাবে তদারকি করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সাব-কন্ট্রাকটরের কথিত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে যে ঘুষ বা অবৈধ লেনদেনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে অনুমাননির্ভর এবং যাচাইবিহীন। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বা পেশাগত সম্পৃক্ততা নেই।
আমার বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগও বাস্তবসম্মত নয়। সরকারি দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তথ্য প্রদান করা হয় এবং ব্যক্তিগতভাবে কোনো তথ্য গোপনের প্রশ্নই ওঠে না। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি সর্বদা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও পেশাগত সততা বজায় রেখে কাজ করে আসছি।
উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষ তদন্ত করলে আমি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।
যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
অতএব, আমি দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করবো প্রকৃত তথ্য যাচাই করে ভবিষ্যতে এ ধরনের একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকবেন।
ধন্যবাদান্তে :
মফিজুর রহমান খান