ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

চরাঞ্চলে ফসল পরিবহনে প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ফসল উৎপাদনের উৎকৃষ্ট চরাঞ্চল চর মহিদাপুর, মজলিশপুর ও চর কর্নেশন এলাকা। কৃষি পণ্য বহনে এ অঞ্চলের প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি।

গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শেষ প্রান্তে অবস্থিত চর মহিদাপুর, মজলিশপুর ও চর কর্নেশন এলাকা। এই চরটি কৃষি নির্ভর এলাকা। কৃষিকাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন এখানকার বেশিরভাগ মানুষ। এলাকাটি পদ্মা নদীর কোল ঘেষে গড়ে ওঠায় বছরের প্রায় ৪ মাস বেশিরভাগ কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত থাকায় অনেকেই কৃষিকাজের পাশাপাশি মৎস্য শিকারে নিয়োজিত থাকে।

দিগন্ত ফসলের মাঠ জুড়ে নানান রকমের ফসলের সমারোহ। যেদিকেই তাকানো যায় সেদিকেই শুধু ফসল আর ফসল। বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন রকমের ফসলের চাষ হয় চর মহিদাপুর, মজলিশপুর ও চর কর্নেশন এলাকায়। পেঁয়াজ, রসুন, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, বেগুন চাষ প্রায় শেষের দিকে। এখন অবশ্য বেশ কিছু জমিতে পেঁয়াজ-রসুনের আবাদ রয়েছে। পেঁয়াজ-রসুন উঠে গেলেই শুরু হবে ইরি ধান চাষের ধুম, পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া চাষ হবে সেসব এলাকা জুড়ে।

তবে কৃষি পণ্য বহনে কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হয় অনেক। এই চরাঞ্চলে রাস্তার বেহাল দশা। কৃষি পণ্য বহনে এ অঞ্চলের প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি। পণ্য বহনে কৃষকের খরচ পরে যায় বেশি। ফলে কৃষকরা লাভবান হন কম। ভাঙা রাস্তার কারণে ক্ষেত থেকে তুলে তা বাজারজাত করতে প্রথমে ঘোড়ার গাড়ি এবং পরে অন্য যানবাহনে নিয়ে শহরে বিক্রি করতে হয়।

এ চরাঞ্চলের বেশ কয়েকজন কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, সারাবছর কষ্ট করে ফসল ফলিয়ে ভালো রাস্তা না থাকায় ফসল আনা-নেওয়ায় খরচ পরে যায় বেশি। তারা দাবি করে বলেন, স্থানীয় প্রশাসন আমাদের এই চরের রাস্তাগুলো মেরামত করে দিলে আমরা চরবাসী উপকৃত হতাম।

উজানচর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. রাসেল শেখ বলেন, চরবাসীর চলাচল ও ফসল আনা-নেওয়ার জন্য মজলিশপুর ব্রিজ করা হয়েছে। রাস্তার কাজ চলমান থাকায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। রাস্তার কাজ শেষ হলেই ভোগান্তি অনেকটা কমে যাবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

চরাঞ্চলে ফসল পরিবহনে প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি

আপডেট সময় ১১:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ফসল উৎপাদনের উৎকৃষ্ট চরাঞ্চল চর মহিদাপুর, মজলিশপুর ও চর কর্নেশন এলাকা। কৃষি পণ্য বহনে এ অঞ্চলের প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি।

গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শেষ প্রান্তে অবস্থিত চর মহিদাপুর, মজলিশপুর ও চর কর্নেশন এলাকা। এই চরটি কৃষি নির্ভর এলাকা। কৃষিকাজ করেই জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন এখানকার বেশিরভাগ মানুষ। এলাকাটি পদ্মা নদীর কোল ঘেষে গড়ে ওঠায় বছরের প্রায় ৪ মাস বেশিরভাগ কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত থাকায় অনেকেই কৃষিকাজের পাশাপাশি মৎস্য শিকারে নিয়োজিত থাকে।

দিগন্ত ফসলের মাঠ জুড়ে নানান রকমের ফসলের সমারোহ। যেদিকেই তাকানো যায় সেদিকেই শুধু ফসল আর ফসল। বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন রকমের ফসলের চাষ হয় চর মহিদাপুর, মজলিশপুর ও চর কর্নেশন এলাকায়। পেঁয়াজ, রসুন, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, বেগুন চাষ প্রায় শেষের দিকে। এখন অবশ্য বেশ কিছু জমিতে পেঁয়াজ-রসুনের আবাদ রয়েছে। পেঁয়াজ-রসুন উঠে গেলেই শুরু হবে ইরি ধান চাষের ধুম, পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া চাষ হবে সেসব এলাকা জুড়ে।

তবে কৃষি পণ্য বহনে কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হয় অনেক। এই চরাঞ্চলে রাস্তার বেহাল দশা। কৃষি পণ্য বহনে এ অঞ্চলের প্রধান বাহন ঘোড়ার গাড়ি। পণ্য বহনে কৃষকের খরচ পরে যায় বেশি। ফলে কৃষকরা লাভবান হন কম। ভাঙা রাস্তার কারণে ক্ষেত থেকে তুলে তা বাজারজাত করতে প্রথমে ঘোড়ার গাড়ি এবং পরে অন্য যানবাহনে নিয়ে শহরে বিক্রি করতে হয়।

এ চরাঞ্চলের বেশ কয়েকজন কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, সারাবছর কষ্ট করে ফসল ফলিয়ে ভালো রাস্তা না থাকায় ফসল আনা-নেওয়ায় খরচ পরে যায় বেশি। তারা দাবি করে বলেন, স্থানীয় প্রশাসন আমাদের এই চরের রাস্তাগুলো মেরামত করে দিলে আমরা চরবাসী উপকৃত হতাম।

উজানচর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. রাসেল শেখ বলেন, চরবাসীর চলাচল ও ফসল আনা-নেওয়ার জন্য মজলিশপুর ব্রিজ করা হয়েছে। রাস্তার কাজ চলমান থাকায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। রাস্তার কাজ শেষ হলেই ভোগান্তি অনেকটা কমে যাবে।