ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

চীন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা মরক্কোর

চীনে সম্প্রতি ব্যাপকভাবে বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। এমনকি সংক্রমণের পাশাপাশি ঘটছে প্রাণহানির ঘটনাও। এই পরিস্থিতিতে চীন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো।

মূলত করোনাভাইরাস সংক্রমণের যেকোনও নতুন ঢেউ এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। রোববার (১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

অবশ্য কোভিড-১৯ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যেই চীন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। রয়টার্স বলছে, চীন থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক মরক্কোতে ভ্রমণ করে থাকেন। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্য দিয়ে আসা বিভিন্ন ফ্লাইটে তারা উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে ভ্রমণ করেন।

কিন্তু কিছু আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ফলে কোভিড ব্যাপক নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সম্ভবত চীনে প্রতিদিন লাখ লাখ লোক এই ভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে চীনা সরকারের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন; যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ। সেই হিসাবে দৈনিক সংক্রমণ গড়ে ১ কোটি ২২ লাখ।

এর আগে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে চীনে দৈনিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল ৪০ লাখ মানুষ। সেই সংখ্যাকেও এবার ছাড়িয়ে গেছে দেশটি। বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনার সংক্রমণ এই দেশে। যা চীনকে করোনার চতুর্থ ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের ধারণা, দেশটিতে এবার করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশ এবং রাজধানী বেজিংয়ের অর্ধেকেরও বেশি বাসিন্দা এতে সংক্রমিত হয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

চীন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা মরক্কোর

আপডেট সময় ০১:৩৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩

চীনে সম্প্রতি ব্যাপকভাবে বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। এমনকি সংক্রমণের পাশাপাশি ঘটছে প্রাণহানির ঘটনাও। এই পরিস্থিতিতে চীন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো।

মূলত করোনাভাইরাস সংক্রমণের যেকোনও নতুন ঢেউ এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। রোববার (১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

অবশ্য কোভিড-১৯ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বেশ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যেই চীন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। রয়টার্স বলছে, চীন থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক মরক্কোতে ভ্রমণ করে থাকেন। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্য দিয়ে আসা বিভিন্ন ফ্লাইটে তারা উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে ভ্রমণ করেন।

কিন্তু কিছু আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ফলে কোভিড ব্যাপক নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সম্ভবত চীনে প্রতিদিন লাখ লাখ লোক এই ভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে চীনা সরকারের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন; যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ। সেই হিসাবে দৈনিক সংক্রমণ গড়ে ১ কোটি ২২ লাখ।

এর আগে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে চীনে দৈনিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল ৪০ লাখ মানুষ। সেই সংখ্যাকেও এবার ছাড়িয়ে গেছে দেশটি। বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনার সংক্রমণ এই দেশে। যা চীনকে করোনার চতুর্থ ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের ধারণা, দেশটিতে এবার করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশ এবং রাজধানী বেজিংয়ের অর্ধেকেরও বেশি বাসিন্দা এতে সংক্রমিত হয়েছেন।