সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তিস্তার স্রোতে ধসে গেল ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং, ঝুঁকিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু “চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযান: ওয়ারড্রব থেকে হেরোইন-ইয়াবা-গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি আটক অনিয়মের বেড়াজালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: মন্ত্রী-সচিবের নির্দেশেও ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী চার দিনের রিমান্ড বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী

দফায় দফায় বিবৃতি: যা বলেছে বিসিবি-আইসিসি ও পাকিস্তান

  • ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৩:২১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬০১ বার পড়া হয়েছে

লাহোরে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর থেকেই ক্রিকেট বিশ্বে স্বস্তির বাতাস বইছিল। তবে চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য অপেক্ষা ছিল সবার। সেই অপেক্ষার অবসান হলো রোববার রাতে। মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে বিসিবি, আইসিসি ও পাকিস্তান সরকারের চারটি পৃথক বিবৃতিতে কেটে গেল সব ধোঁয়াশা। ভারত ম্যাচ বয়কটের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এল পাকিস্তান। নিশ্চিত হলো, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতেই গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচটি। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেই দুই ঘণ্টার নাটকীয় চার বিবৃতিতে কে কী বলেছিল:

বিসিবির অনুরোধ ও কৃতজ্ঞতা: সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টায় বিবৃতি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকায় পিসিবি ও এর চেয়ারম্যান মহসিন নাকভিকে ‘ভ্রাতৃত্বের বন্ধন’ উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান। তবে আবেগের ঊর্ধ্বে গিয়ে ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি পাকিস্তানকে নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানান। আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অনুরোধ করছি, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের স্বার্থে পাকিস্তান যেন ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটি খেলে।’

আইসিসির অভয় ও সুখবর: বিসিবির বিবৃতির ঘণ্টাখানেক পর রাত ১১:৩০ মিনিটে আইসিসি তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিস্তারিত প্রেস নোট প্রকাশ করে। সেখানে বাংলাদেশের জন্য ছিল বড় সুখবর। সংস্থাটি নিশ্চিত করে, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় বিসিবির ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা বা প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। উল্টো ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন হবে না।’

পাকিস্তান সরকারের সবুজ সংকেত: আইসিসির বিবৃতির আধাঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান সরকারের এক্স হ্যান্ডল থেকে আসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা ও বিসিবির অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে ভারতের বিপক্ষে খেলার নির্দেশ দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুঢ়া কুমারা দিসানায়েকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ফোন করে অচলাবস্থা নিরসনের অনুরোধ জানান। এর প্রেক্ষিতেই পাকিস্তান দল মাঠে নামবে।

আইসিসির চূড়ান্ত সিলমোহর: সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মধ্যরাতে আইসিসি তাদের শেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে এটি সম্মত হয়েছে যে, সব সদস্য আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণের শর্তাবলি মেনে চলবে এবং টুর্নামেন্ট সফল করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

দফায় দফায় বিবৃতি: যা বলেছে বিসিবি-আইসিসি ও পাকিস্তান

আপডেট সময় ০৩:২১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লাহোরে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর থেকেই ক্রিকেট বিশ্বে স্বস্তির বাতাস বইছিল। তবে চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য অপেক্ষা ছিল সবার। সেই অপেক্ষার অবসান হলো রোববার রাতে। মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে বিসিবি, আইসিসি ও পাকিস্তান সরকারের চারটি পৃথক বিবৃতিতে কেটে গেল সব ধোঁয়াশা। ভারত ম্যাচ বয়কটের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এল পাকিস্তান। নিশ্চিত হলো, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতেই গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচটি। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেই দুই ঘণ্টার নাটকীয় চার বিবৃতিতে কে কী বলেছিল:

বিসিবির অনুরোধ ও কৃতজ্ঞতা: সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টায় বিবৃতি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল কঠিন সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকায় পিসিবি ও এর চেয়ারম্যান মহসিন নাকভিকে ‘ভ্রাতৃত্বের বন্ধন’ উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান। তবে আবেগের ঊর্ধ্বে গিয়ে ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে তিনি পাকিস্তানকে নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানান। আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অনুরোধ করছি, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের স্বার্থে পাকিস্তান যেন ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটি খেলে।’

আইসিসির অভয় ও সুখবর: বিসিবির বিবৃতির ঘণ্টাখানেক পর রাত ১১:৩০ মিনিটে আইসিসি তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিস্তারিত প্রেস নোট প্রকাশ করে। সেখানে বাংলাদেশের জন্য ছিল বড় সুখবর। সংস্থাটি নিশ্চিত করে, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় বিসিবির ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা বা প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। উল্টো ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন হবে না।’

পাকিস্তান সরকারের সবুজ সংকেত: আইসিসির বিবৃতির আধাঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান সরকারের এক্স হ্যান্ডল থেকে আসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা ও বিসিবির অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে ভারতের বিপক্ষে খেলার নির্দেশ দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুঢ়া কুমারা দিসানায়েকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ফোন করে অচলাবস্থা নিরসনের অনুরোধ জানান। এর প্রেক্ষিতেই পাকিস্তান দল মাঠে নামবে।

আইসিসির চূড়ান্ত সিলমোহর: সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মধ্যরাতে আইসিসি তাদের শেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে এটি সম্মত হয়েছে যে, সব সদস্য আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণের শর্তাবলি মেনে চলবে এবং টুর্নামেন্ট সফল করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’