সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

মৃত্যুর চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে ফের বাইশ গজে ম্যাডিনসনের জয়গান

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬০১ বার পড়া হয়েছে

নিক ম্যাডিনসনের কাছে ক্রিকেট এখন আর শুধু পেশা নয়, বরং বেঁচে থাকার আনন্দের প্রতীক। টেস্টিকুলার ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ ও কষ্টকর লড়াইয়ের পর ক্রিকেটে ফিরে এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার বুঝেছেন যে, মাঠে নামাটাই এখন তার সবচেয়ে বড় জয়।

গত অফ-সিজনে ক্যান্সার ধরা পড়ার পর নয় সপ্তাহের কেমোথেরাপি নিতে হয় ম্যাডিনসনকে। সেই সময় ক্রিকেট ছিল তার চিন্তার অনেক বাইরে। শরীর এতটাই দুর্বল ছিল যে, বিছানা থেকে ওঠা, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা কিংবা স্বাভাবিক জীবনযাপন করাই হয়ে উঠেছিল কঠিন। সবচেয়ে কষ্টের ছিল আড়াই বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে খেলতে না পারা। শক্তি না থাকায় ছেলেকে পার্কে নিয়ে যাওয়ার মতো সাধারণ কাজও করতে পারেননি তিনি।

চিকিৎসা শেষে ধীরে ধীরে জীবনে ফেরার পথে হাঁটেন ম্যাডিনসন। গ্রেড ক্রিকেট দিয়ে শুরু, এরপর বিগ ব্যাশে সিডনি থান্ডারের হয়ে প্রত্যাবর্তন। মেলবোর্ন রেনেগেডসের বিপক্ষে ম্যাচে অপরাজিত ৩০ রান করে দলকে জয় এনে দেন তিনি। মাঠ ছাড়ার সময় মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। ছয় মাস আগেও যেটা তার কাছে ছিল অনিশ্চিত এক স্বপ্ন।

৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসন জানেন, অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে আবার সুযোগ পাওয়া কঠিন হতে পারে। সেটা এখন তার প্রধান ভাবনা নয়। তার কথায়, চাপ কমিয়ে ক্রিকেট খেলাটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। কত বছর খেলতে পারবেন, তা নিয়েও তার কোনো হিসাব নেই। যতদিন ভালো লাগবে, ততদিনই খেলতে চান।

এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন বন্ধুরা। অ্যাডাম জাম্পার মতো শৈশবের বন্ধুদের সমর্থন তাকে মানসিকভাবে শক্ত করে তুলেছে। কেমোথেরাপি শেষ হতেই পরিবার নিয়ে জাম্পার বাসায় সময় কাটিয়েছেন ম্যাডিনসন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

মৃত্যুর চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে ফের বাইশ গজে ম্যাডিনসনের জয়গান

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিক ম্যাডিনসনের কাছে ক্রিকেট এখন আর শুধু পেশা নয়, বরং বেঁচে থাকার আনন্দের প্রতীক। টেস্টিকুলার ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ ও কষ্টকর লড়াইয়ের পর ক্রিকেটে ফিরে এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার বুঝেছেন যে, মাঠে নামাটাই এখন তার সবচেয়ে বড় জয়।

গত অফ-সিজনে ক্যান্সার ধরা পড়ার পর নয় সপ্তাহের কেমোথেরাপি নিতে হয় ম্যাডিনসনকে। সেই সময় ক্রিকেট ছিল তার চিন্তার অনেক বাইরে। শরীর এতটাই দুর্বল ছিল যে, বিছানা থেকে ওঠা, পরিবারের সঙ্গে কথা বলা কিংবা স্বাভাবিক জীবনযাপন করাই হয়ে উঠেছিল কঠিন। সবচেয়ে কষ্টের ছিল আড়াই বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে খেলতে না পারা। শক্তি না থাকায় ছেলেকে পার্কে নিয়ে যাওয়ার মতো সাধারণ কাজও করতে পারেননি তিনি।

চিকিৎসা শেষে ধীরে ধীরে জীবনে ফেরার পথে হাঁটেন ম্যাডিনসন। গ্রেড ক্রিকেট দিয়ে শুরু, এরপর বিগ ব্যাশে সিডনি থান্ডারের হয়ে প্রত্যাবর্তন। মেলবোর্ন রেনেগেডসের বিপক্ষে ম্যাচে অপরাজিত ৩০ রান করে দলকে জয় এনে দেন তিনি। মাঠ ছাড়ার সময় মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। ছয় মাস আগেও যেটা তার কাছে ছিল অনিশ্চিত এক স্বপ্ন।

৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসন জানেন, অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে আবার সুযোগ পাওয়া কঠিন হতে পারে। সেটা এখন তার প্রধান ভাবনা নয়। তার কথায়, চাপ কমিয়ে ক্রিকেট খেলাটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। কত বছর খেলতে পারবেন, তা নিয়েও তার কোনো হিসাব নেই। যতদিন ভালো লাগবে, ততদিনই খেলতে চান।

এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন বন্ধুরা। অ্যাডাম জাম্পার মতো শৈশবের বন্ধুদের সমর্থন তাকে মানসিকভাবে শক্ত করে তুলেছে। কেমোথেরাপি শেষ হতেই পরিবার নিয়ে জাম্পার বাসায় সময় কাটিয়েছেন ম্যাডিনসন।