ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
 সিলেট বন বিভাগে গভীর দুর্নীতি

আবদুর রহমান, সালাহ উদ্দিন ও সাদ উদ্দিনের সিণ্ডিকেট কার্যক্রমে কোটি কোটি টাকা লুটপাট

সিলেট – সিলেট বন বিভাগে গোপনীয়ভাবে একটি সিণ্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান, ফরেস্টার রেঞ্জ কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন এবং রেঞ্জ কমকর্তা সাদ উদ্দিন। স্থানীয় বনকর্মী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই তিনজন কর্মকর্তা মিলে বেপরোয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম চালাচ্ছেন, যা কেবল অর্থ লুণ্ঠনের মাধ্যম নয়, বরং বন সংরক্ষণ ও সরকারের সুশাসনকে চ্যালেঞ্জ করছে।

সূত্র জানায়, এই সিণ্ডিকেট সিলেট বন বিভাগের প্রকল্প ও রাজস্ব বরাদ্দের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন কৌশলে লাখ লাখ টাকা ঘুষ ও অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করছে। জেলা বনকর্মীরা জানান, প্রকল্পগুলো কাগজে-কলমে সঠিকভাবে চলা দেখানো হলেও বাস্তবে কাজ হচ্ছে না। “প্রকল্প অনুমোদন, বরাদ্দ বা ঠিকাদারি দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষের ব্যবহার হচ্ছে। আমরা দেখেছি, প্রকল্পের টাকা প্রকৃত কাজে যায় না, বরং কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খাতে চলে যাচ্ছে,” অভিযোগ করেন এক সিনিয়র বনকর্মী।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিলেও, সিণ্ডিকেটটি সুগঠিত হওয়ায় সরকারের নজরদারি এড়িয়ে চলেছে। স্থানীয়দের মতে, বনকর্মীরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য মুখ খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক। এ পরিস্থিতি বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও প্রকল্প বাস্তবায়নকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সিণ্ডিকেটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ এবং রাজস্ব খাতের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করা। যারা এই সিণ্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত, তারা ঘুষের বিনিময়ে প্রকল্প অনুমোদন এবং বরাদ্দ নিশ্চিত করেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান এই সিণ্ডিকেটের কেন্দ্রীয় নেতা। তার নির্দেশে ফরেস্টার সালাহ উদ্দিন ও রেঞ্জ কমকর্তা সাদ উদ্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

উর্ধ্বতন সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলেও বন বিভাগের দুর্নীতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। যদিও বিভিন্ন সময়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কর্মকর্তারা এখনও পদে বহাল। এই সিণ্ডিকেটও সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে চলেছে। অভিযোগ আছে, বন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্তি ও পদোন্নতিতে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে এই তিন কর্মকর্তা একটি বিশেষ মহলকে ‘খুশি’ করেছেন।

স্থানীয় বনকর্মীরা বলছেন, “দক্ষিণ সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত প্রতিটি রেঞ্জে সিণ্ডিকেটের ছায়া আছে। বন কর্মকর্তারা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ করছেন। আমরা বিষয়টি জানালেও প্রকাশ্যে বলা যায় না।” এলাকাবাসীরও অভিযোগ, এই সিণ্ডিকেট শুধু অর্থ লুণ্ঠন করছে না, সরকারি সুশাসন ও প্রশাসনের স্বচ্ছতাকেও বিপন্ন করছে।

দুর্নীতির এই সিণ্ডিকেট শুধু অর্থের লুণ্ঠনই করছে না, বরং বন সংরক্ষণ ও প্রকল্প বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। বন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “যদি এই সিণ্ডিকেট দ্রুত ভেঙে না দেওয়া হয়, তবে সিলেট বন বিভাগের অর্জিত সাফল্য ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং বিশ্ব দরবারে দেশের বন অধিদপ্তরের সুনাম ক্ষুণ্ণ হবে।”

দুদক এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে তৎপর হয়েছেন। তবে স্থানীয় বনকর্মীরা মনে করছেন, সমস্যার গভীরতা এত বড় যে শুধুমাত্র হুঁশিয়ারি বা তদারকি যথেষ্ট নয়। এক কর্মকর্তা জানান, “যদি প্রকৃত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে এই সিণ্ডিকেট বন বিভাগের কার্যক্রমে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে।”

এই সিণ্ডিকেটের কার্যক্রম কেবল সিলেট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। বন বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ, ঘুষ গ্রহণ এবং অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে অভিযোগগুলো স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বনকর্মীরা বলছেন, “আমরা অনেকবার এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছি। কিন্তু শক্তিশালী এই সিণ্ডিকেট আমাদের চেষ্টা ব্যর্থ করছে।”

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, “দুর্নীতির এই সিণ্ডিকেট ভেঙে না দেওয়া হলে বন বিভাগের সুনাম ও দেশের বন সংরক্ষণকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। এটি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, পরিবেশ ও সামাজিক আস্থার জন্যও হুমকি।”

অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে, এই সিণ্ডিকেটের কারণে বন সংরক্ষণ কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না। প্রকল্পের বরাদ্দ কাগজে-কলমে দেখানো হলেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে বনাঞ্চলের ক্ষতি হচ্ছে এবং সরকারের সুশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা কমছে।

সিলেট বন বিভাগের বনকর্মী, এলাকাবাসী এবং সংশ্লিষ্টরা দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা আশা করছেন, যদি সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে এই সিণ্ডিকেট ভেঙে যাবে এবং বন বিভাগের সুনাম পুনরায় স্থাপন করা সম্ভব হবে। অন্যথায়, সিলেট বন বিভাগের অর্জিত সাফল্য ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং সরকারের নীতি ও প্রকল্পের স্বচ্ছতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

এই সিণ্ডিকেটের ঘটনা একবার দেখাল যে, সরকারি সুশাসন বজায় রাখা এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নৈতিকতা ও সততারও প্রয়োজন। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সততা এবং সরকারি হস্তক্ষেপ এখন চরমভাবে জরুরি। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে সিলেট বন বিভাগের অর্জিত সাফল্য ও দেশের বন সংরক্ষণ দুটোই বিপন্ন হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

 সিলেট বন বিভাগে গভীর দুর্নীতি

আবদুর রহমান, সালাহ উদ্দিন ও সাদ উদ্দিনের সিণ্ডিকেট কার্যক্রমে কোটি কোটি টাকা লুটপাট

আপডেট সময় ০২:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট – সিলেট বন বিভাগে গোপনীয়ভাবে একটি সিণ্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যার নেতৃত্বে আছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান, ফরেস্টার রেঞ্জ কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন এবং রেঞ্জ কমকর্তা সাদ উদ্দিন। স্থানীয় বনকর্মী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই তিনজন কর্মকর্তা মিলে বেপরোয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম চালাচ্ছেন, যা কেবল অর্থ লুণ্ঠনের মাধ্যম নয়, বরং বন সংরক্ষণ ও সরকারের সুশাসনকে চ্যালেঞ্জ করছে।

সূত্র জানায়, এই সিণ্ডিকেট সিলেট বন বিভাগের প্রকল্প ও রাজস্ব বরাদ্দের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন কৌশলে লাখ লাখ টাকা ঘুষ ও অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করছে। জেলা বনকর্মীরা জানান, প্রকল্পগুলো কাগজে-কলমে সঠিকভাবে চলা দেখানো হলেও বাস্তবে কাজ হচ্ছে না। “প্রকল্প অনুমোদন, বরাদ্দ বা ঠিকাদারি দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষের ব্যবহার হচ্ছে। আমরা দেখেছি, প্রকল্পের টাকা প্রকৃত কাজে যায় না, বরং কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত খাতে চলে যাচ্ছে,” অভিযোগ করেন এক সিনিয়র বনকর্মী।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিলেও, সিণ্ডিকেটটি সুগঠিত হওয়ায় সরকারের নজরদারি এড়িয়ে চলেছে। স্থানীয়দের মতে, বনকর্মীরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য মুখ খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক। এ পরিস্থিতি বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও প্রকল্প বাস্তবায়নকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সিণ্ডিকেটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সরকারি প্রকল্পের বরাদ্দ এবং রাজস্ব খাতের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করা। যারা এই সিণ্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত, তারা ঘুষের বিনিময়ে প্রকল্প অনুমোদন এবং বরাদ্দ নিশ্চিত করেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান এই সিণ্ডিকেটের কেন্দ্রীয় নেতা। তার নির্দেশে ফরেস্টার সালাহ উদ্দিন ও রেঞ্জ কমকর্তা সাদ উদ্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

উর্ধ্বতন সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলেও বন বিভাগের দুর্নীতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। যদিও বিভিন্ন সময়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, কর্মকর্তারা এখনও পদে বহাল। এই সিণ্ডিকেটও সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে চলেছে। অভিযোগ আছে, বন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্তি ও পদোন্নতিতে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে এই তিন কর্মকর্তা একটি বিশেষ মহলকে ‘খুশি’ করেছেন।

স্থানীয় বনকর্মীরা বলছেন, “দক্ষিণ সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত প্রতিটি রেঞ্জে সিণ্ডিকেটের ছায়া আছে। বন কর্মকর্তারা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ করছেন। আমরা বিষয়টি জানালেও প্রকাশ্যে বলা যায় না।” এলাকাবাসীরও অভিযোগ, এই সিণ্ডিকেট শুধু অর্থ লুণ্ঠন করছে না, সরকারি সুশাসন ও প্রশাসনের স্বচ্ছতাকেও বিপন্ন করছে।

দুর্নীতির এই সিণ্ডিকেট শুধু অর্থের লুণ্ঠনই করছে না, বরং বন সংরক্ষণ ও প্রকল্প বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। বন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “যদি এই সিণ্ডিকেট দ্রুত ভেঙে না দেওয়া হয়, তবে সিলেট বন বিভাগের অর্জিত সাফল্য ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং বিশ্ব দরবারে দেশের বন অধিদপ্তরের সুনাম ক্ষুণ্ণ হবে।”

দুদক এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে তৎপর হয়েছেন। তবে স্থানীয় বনকর্মীরা মনে করছেন, সমস্যার গভীরতা এত বড় যে শুধুমাত্র হুঁশিয়ারি বা তদারকি যথেষ্ট নয়। এক কর্মকর্তা জানান, “যদি প্রকৃত তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে এই সিণ্ডিকেট বন বিভাগের কার্যক্রমে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে।”

এই সিণ্ডিকেটের কার্যক্রম কেবল সিলেট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। বন বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ, ঘুষ গ্রহণ এবং অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে অভিযোগগুলো স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বনকর্মীরা বলছেন, “আমরা অনেকবার এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছি। কিন্তু শক্তিশালী এই সিণ্ডিকেট আমাদের চেষ্টা ব্যর্থ করছে।”

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, “দুর্নীতির এই সিণ্ডিকেট ভেঙে না দেওয়া হলে বন বিভাগের সুনাম ও দেশের বন সংরক্ষণকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। এটি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, পরিবেশ ও সামাজিক আস্থার জন্যও হুমকি।”

অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে, এই সিণ্ডিকেটের কারণে বন সংরক্ষণ কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না। প্রকল্পের বরাদ্দ কাগজে-কলমে দেখানো হলেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে বনাঞ্চলের ক্ষতি হচ্ছে এবং সরকারের সুশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা কমছে।

সিলেট বন বিভাগের বনকর্মী, এলাকাবাসী এবং সংশ্লিষ্টরা দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা আশা করছেন, যদি সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে এই সিণ্ডিকেট ভেঙে যাবে এবং বন বিভাগের সুনাম পুনরায় স্থাপন করা সম্ভব হবে। অন্যথায়, সিলেট বন বিভাগের অর্জিত সাফল্য ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং সরকারের নীতি ও প্রকল্পের স্বচ্ছতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

এই সিণ্ডিকেটের ঘটনা একবার দেখাল যে, সরকারি সুশাসন বজায় রাখা এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নৈতিকতা ও সততারও প্রয়োজন। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সততা এবং সরকারি হস্তক্ষেপ এখন চরমভাবে জরুরি। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে সিলেট বন বিভাগের অর্জিত সাফল্য ও দেশের বন সংরক্ষণ দুটোই বিপন্ন হবে।