ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩ টন সমপরিমাণ যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ, এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে প্রতারণা লালপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর উদ্বোধন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে ‘তুরাপ’ প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছে মালয়েশিয়া মেয়ের স্বামীর সঙ্গে শাশুড়ী ওমরায় যেতে পারবেন? রামপালে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ ৯৯৯-এ ফোন, ঘরের দরজা ভেঙে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আবারও প্রমাণ করেছে, রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’ জামায়াত এমপির ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৯ যুদ্ধের ডামাডোল পেরিয়ে হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েতের অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে

ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন এবং তার স্ত্রী শামসুন নাহারের জমি ও ফ্ল্যাটসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে দুদকের সংশ্লিষ্ট দলের সদস্যরা শিগগিরই এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্তদল প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ঘুষের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত করে। তদন্তের অংশ হিসেবে, দুদক এর আগে ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সিটি কর্পোরেশন এবং ভূমি অফিসসহ ৭০টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি অফিসে চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের রেকর্ড চাওয়া হয়। দুদকের তদন্তদল বেলায়েত এবং তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে এবং তাদের বিরুদ্ধে আনা বেশির ভাগ অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পায় বলে তদন্তদলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শীঘ্রই কমিশনে আমাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করব।’

অভিযোগ অনুসারে, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে বেলায়েত ছাত্রজীবনে পড়াশোনার খরচ বহন করতে হিমশিম খেতেন। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা শেষ করার পর তিনি বিদ্যুৎ খাতে চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসরে যান। চাকরিকালে বেলায়েত কর ফাঁকি দিয়ে এবং সম্পদ গোপন করে নিজের ও স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত ধানমন্ডির একটি আবাসিক ভবনে দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেনÑ প্রতিটির আয়তন এক হাজার ৮০০ বর্গফুট। তিনি ফ্ল্যাটগুলোর মূল্য ৯৪ দশমিক ১৮ লাখ টাকা ঘোষণা করেছিলেন, তবে সম্পত্তির প্রকৃত বাজারমূল্য সাড়ে চার কোটি টাকারও বেশি বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ ছাড়া খিলগাঁওয়ের উলন মৌজায় তার ৪১২ দশমিক ৫ শতাংশ জমি আছে, যার সরকারি মূল্য ২ দশমিক ৩ লাখ টাকা, কিন্তু জমির প্রকৃত মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা, আরও ২ দশমিক ৮ কাঠা জমির মূল্য ৬ দশমিক ৭২ লাখ টাকা, কিন্তু সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য ১ দশমিক ২৫ কোটি টাকা।

রাজধানীর আফতাবনগরে তার দুটি প্লট রয়েছেÑ পাঁচ কাঠা এবং ১০ কাঠা। এবং আত্মীয়দের নামে ডেমরা, আশুলিয়া, ঢাকার কেরানীগঞ্জ এবং গাজীপুরে বেশ কয়েক বিঘা জমি কিনেছেন। তিনি ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা রেখেছেন এবং একটি টয়োটা করোলা গাড়ির মালিক। আরও সম্পত্তি গোপন করার অভিযোগও রয়েছে। কারণ তার আয়কর রিটার্নে ব্যবসার উল্লেখ নেই।

অভিযোগ অনুসারে, তার ট্যাক্স রিটার্নে প্রকাশিত সম্পদের মধ্যে প্রায় ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, সিঙ্গাপুর ও ভারতে বিদেশে চিকিৎসা খরচ এবং একাধিক অপ্রকাশিত বিনিয়োগও বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, তার স্ত্রী শামসুন নাহার, যিনি একজন গৃহবধূÑ যার কোনো দৃশ্যমান আয় ছিল না, তিনিও কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক। যদিও তার ট্যাক্স রিটার্নে প্রায় ৫৯ লাখ টাকার সম্পদের দাবি করা হয়েছে, তার একাধিক জমির মালিকানা ছিল, যার মধ্যে রয়েছে হাজীপাড়া এবং রামপুরায় ২ কোটি টাকার জমি, ব্যাংকে বেশ কয়েকটি এফডিআর এবং তার নামে কেনা একটি টয়োটা করোলা, যা পরে বিদেশে এক আত্মীয়ের নামে নিবন্ধিত হয়েছিল।

বেলায়েত তার ট্যাক্স রিটার্নে নির্দিষ্ট যে সম্পদ দেখিয়েছেন, বাস্তবে প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ অনেক গুণ বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের সঙ্গে জড়িত একজন দুদক কর্মকর্তা বলেন, ‘চলমান তদন্তে বেলায়েত এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় সব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির একটি নতুন অভিযোগ পেয়েছি। তাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হচ্ছে।’ এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রকৌশলী বেলায়েতের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

জানতে চাইলে দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে চাকরিজীবনে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। মূলত ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে যে অর্থ তিনি কামিয়েছেন, সেই অর্থে বিপুল পরিমাণ জমি ও একাধিক ফ্ল্যাট গড়েছেন। এসব কেনার সময় দালিলিক মূল্য তিনি কম দেখিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে তার সম্পদের মূল্য বাজারদরের অনেক বেশি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুসন্ধান করা হচ্ছে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ টন সমপরিমাণ যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ, এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে প্রতারণা

ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েতের অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে

আপডেট সময় ১২:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন এবং তার স্ত্রী শামসুন নাহারের জমি ও ফ্ল্যাটসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে দুদকের সংশ্লিষ্ট দলের সদস্যরা শিগগিরই এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিপিডিসির সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্তদল প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ঘুষের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত করে। তদন্তের অংশ হিসেবে, দুদক এর আগে ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সিটি কর্পোরেশন এবং ভূমি অফিসসহ ৭০টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি অফিসে চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের রেকর্ড চাওয়া হয়। দুদকের তদন্তদল বেলায়েত এবং তার স্ত্রীর সম্পদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে এবং তাদের বিরুদ্ধে আনা বেশির ভাগ অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পায় বলে তদন্তদলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শীঘ্রই কমিশনে আমাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করব।’

অভিযোগ অনুসারে, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে বেলায়েত ছাত্রজীবনে পড়াশোনার খরচ বহন করতে হিমশিম খেতেন। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা শেষ করার পর তিনি বিদ্যুৎ খাতে চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসরে যান। চাকরিকালে বেলায়েত কর ফাঁকি দিয়ে এবং সম্পদ গোপন করে নিজের ও স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত ধানমন্ডির একটি আবাসিক ভবনে দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেনÑ প্রতিটির আয়তন এক হাজার ৮০০ বর্গফুট। তিনি ফ্ল্যাটগুলোর মূল্য ৯৪ দশমিক ১৮ লাখ টাকা ঘোষণা করেছিলেন, তবে সম্পত্তির প্রকৃত বাজারমূল্য সাড়ে চার কোটি টাকারও বেশি বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ ছাড়া খিলগাঁওয়ের উলন মৌজায় তার ৪১২ দশমিক ৫ শতাংশ জমি আছে, যার সরকারি মূল্য ২ দশমিক ৩ লাখ টাকা, কিন্তু জমির প্রকৃত মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা, আরও ২ দশমিক ৮ কাঠা জমির মূল্য ৬ দশমিক ৭২ লাখ টাকা, কিন্তু সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য ১ দশমিক ২৫ কোটি টাকা।

রাজধানীর আফতাবনগরে তার দুটি প্লট রয়েছেÑ পাঁচ কাঠা এবং ১০ কাঠা। এবং আত্মীয়দের নামে ডেমরা, আশুলিয়া, ঢাকার কেরানীগঞ্জ এবং গাজীপুরে বেশ কয়েক বিঘা জমি কিনেছেন। তিনি ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা রেখেছেন এবং একটি টয়োটা করোলা গাড়ির মালিক। আরও সম্পত্তি গোপন করার অভিযোগও রয়েছে। কারণ তার আয়কর রিটার্নে ব্যবসার উল্লেখ নেই।

অভিযোগ অনুসারে, তার ট্যাক্স রিটার্নে প্রকাশিত সম্পদের মধ্যে প্রায় ৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, সিঙ্গাপুর ও ভারতে বিদেশে চিকিৎসা খরচ এবং একাধিক অপ্রকাশিত বিনিয়োগও বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে যে, তার স্ত্রী শামসুন নাহার, যিনি একজন গৃহবধূÑ যার কোনো দৃশ্যমান আয় ছিল না, তিনিও কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক। যদিও তার ট্যাক্স রিটার্নে প্রায় ৫৯ লাখ টাকার সম্পদের দাবি করা হয়েছে, তার একাধিক জমির মালিকানা ছিল, যার মধ্যে রয়েছে হাজীপাড়া এবং রামপুরায় ২ কোটি টাকার জমি, ব্যাংকে বেশ কয়েকটি এফডিআর এবং তার নামে কেনা একটি টয়োটা করোলা, যা পরে বিদেশে এক আত্মীয়ের নামে নিবন্ধিত হয়েছিল।

বেলায়েত তার ট্যাক্স রিটার্নে নির্দিষ্ট যে সম্পদ দেখিয়েছেন, বাস্তবে প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ অনেক গুণ বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের সঙ্গে জড়িত একজন দুদক কর্মকর্তা বলেন, ‘চলমান তদন্তে বেলায়েত এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় সব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির একটি নতুন অভিযোগ পেয়েছি। তাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হচ্ছে।’ এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রকৌশলী বেলায়েতের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

জানতে চাইলে দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে চাকরিজীবনে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। মূলত ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে যে অর্থ তিনি কামিয়েছেন, সেই অর্থে বিপুল পরিমাণ জমি ও একাধিক ফ্ল্যাট গড়েছেন। এসব কেনার সময় দালিলিক মূল্য তিনি কম দেখিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে তার সম্পদের মূল্য বাজারদরের অনেক বেশি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুসন্ধান করা হচ্ছে।’